পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি ও সুষম উন্নয়নে কাজ করছে সরকার। শান্তির জন্য আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ। সরকার সুষম উন্নয়নে বিশ্বাসী। জন আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে শিক্ষা, কৃষি, সড়ক ও পর্যটন সহ সম্ভাবনাময় সকল ক্ষেত্রেই উন্নয়ন করা হবে। এক্ষেত্রে পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রতিটি জেলায় সুষম বাজেট বন্টন করা হবে। রাঙ্গামাটি আমার নিজ জেলা হলেও বাজেট বন্টনে কোন বৈষম্য করা হবে না।
সোমবার (১১মে) দুপুরে খাগড়াছড়ি সার্কিট হাউজে এক মতবিনিময় সভা শেষে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ, শরণার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্স ও পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড দ্রুত পুনর্গঠন করা হবে।
এসময় তিনি, শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে খাগড়াছড়িতে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, তিন পার্বত্য জেলার উন্নয়নের লক্ষ্যে কৃষিপণ্য ও ফলফলাদি সংরক্ষণের জন্য আধুনিক হিমাগার স্থাপন, পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন, বিদ্যমান সড়কসমূহের সম্প্রসারণসহ বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা জানান।
এর আগে খাগড়াছড়িতে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাসহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় করেছেন তিনি। মন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে বাস্তব সমস্যার কথা শোনেন ও সমাধানের আশ্বাস দেন। দুর্নীতিকে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করে তিনি সকল কর্মকর্তাদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে কাজ করার নির্দেশ দেন।
এ সময় সেনাবাহিনীর খাগড়াছড়ি রিজিয়নের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কে এম ওবায়দুল হক, জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা, মং সার্কেলের প্রধান সাচিংপ্রু চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো.শাহাদাত হোসেন, পার্বত্য জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো.আবদুল্লাহ আল মাহফুজসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।



