জ্বালানি সঙ্কট নেই বলা হলেও বাস্তবতা ভিন্ন : নজরুল ইসলাম

জ্বালানি তেলের সঙ্কট ও রফতানি কমে যাওয়ার অজুহাত দেখিয়ে কাভার্ডভ্যান ও পিকআপ ভ্যানের ভাড়া বেড়েছে। ছোট ও মাঝারি পিকআপে প্রতি ট্রিপে ৫০০ থেকে এক হাজার টাকা ভাড়া বেড়েছে।

আরফাত বিপ্লব, চট্টগ্রাম ব‍্যুরো

Location :

Chattogram
কর্মপরিষদ বৈঠক
কর্মপরিষদ বৈঠক |নয়া দিগন্ত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেছেন, ‘জ্বালানি তেলের সঙ্কট নেই বললেও বাস্তবতা ভিন্ন। জ্বালানি তেলের অভাবে ইতোমধ্যে বিভিন্ন সেক্টরে বিরুপ প্রভাব দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে বাণিজ্যিক ও পরিবহন খাতে বিরুপ প্রভাব শুরু হয়ে গেছে।’

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় মহানগরীর জামায়াত কার্যালয়ে আয়োজিত কর্মপরিষদ বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নজরুল ইসলাম বলেন, ‘জ্বালানি তেলের সঙ্কট ও রফতানি কমে যাওয়ার অজুহাত দেখিয়ে কাভার্ডভ্যান ও পিকআপ ভ্যানের ভাড়া বেড়েছে। ছোট ও মাঝারি পিকআপে প্রতি ট্রিপে ৫০০ থেকে এক হাজার টাকা ভাড়া বেড়েছে।’

জনগণের দুর্ভোগ লাঘব করতে জ্বালানি সঙ্কট নিরসনে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘মালিক ও চালকরা বলছেন, ডিজেলের দাম না বাড়লেও পাম্পে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। শহরে ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেল কিনতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় ব্যয় করছেন মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার ও অন্য যানবাহনের চালকরা। এ দীর্ঘ লাইনের কারণে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন কাজকর্মে ব্যাঘাত ঘটছে। এতে তাদের সময় ও শ্রম নষ্ট হচ্ছে।’

বর্তমানে দেশের জ্বালানি সঙ্কট নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘জ্বালানি সঙ্কটের কারণে দেশের সাধারণ জনগণ চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও জ্বালানি তেলের সঙ্কট জনজীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। শিল্প-কারখানা থেকে শুরু করে ক্ষুদ্র ব্যবসা ও দৈনন্দিন জীবন—সব ক্ষেত্রেই এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘সরকারের উচিত দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে এ সঙ্কট নিরসনে উদ্যোগী হওয়া। জ্বালানি খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, অপচয় রোধ এবং বিকল্প জ্বালানির উৎস ব্যবহারে গুরুত্বারোপের মাধ্যমে জনগণের কষ্ট লাঘব করা সম্ভব।’

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন, মহানগরীর অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা খাইরুল বাশার, মোহাম্মদ উল্লাহ, ফয়সাল মুহাম্মদ ইউনুস, মোহাম্মদ মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী, মহানগরীর সাংগঠনিক সম্পাদক ডা: এ কে এম ফজলুল হক, ডা: সিদ্দিকুর রহমান, মহানগরীর সাংগঠনিক সম্পাদক ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন চট্টগ্রাম মহানগরী সভাপতি এস এম লুৎফর রহমান, মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য আবু হেনা মোস্তফা কামাল হামেদ হাসান ইলাহী, অধ্যাপক মুহাম্মদ নুর, আমির হোছাইন, মাহমুদুল আলম, মাওলানা মমতাজুর রহমান, ফখরে জাহান সিরাজী, ড. মাহবুবর রহমান, প্রফেসর মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ, ফারুকে আজম, প্রফেসর মুহাম্মদ নুরুন্নবী, মোহাম্মদ ইসমাইল, ড. আ ম ম মাসরুর হোসাইন প্রমুখ।