ফরিদপুরের ভাঙ্গায় পেঁপে চাষে স্বাবলম্বী কৃষক নিজাম উদ্দিন

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আজিমনগর ইউনিয়নের ঘোষ গ্রামের কৃষক মো: নিজাম উদ্দিন মুন্সী পেঁপে চাষ করে স্বাবলম্বী হয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

এটিএম ফরহাদ নান্নু, ভাঙ্গা (ফরিদপুর)

Location :

Faridpur
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় পেঁপে চাষে স্বাবলম্বী কৃষক নিজাম উদ্দিন
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় পেঁপে চাষে স্বাবলম্বী কৃষক নিজাম উদ্দিন |নয়া দিগন্ত

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আজিমনগর ইউনিয়নের ঘোষ গ্রামের কৃষক মো: নিজাম উদ্দিন মুন্সী পেঁপে চাষ করে স্বাবলম্বী হয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

৯০ শতাংশ জমিতে রাজশাহী জাতের এক হাজার পেঁপের চারা রোপণ করে তিনি ইতোমধ্যে এক লাখ টাকারও বেশি পেঁপে বিক্রি করেছেন। বর্তমানে তার বাগানের গাছে প্রচুর পেঁপে রয়েছে, যা থেকে আরও ভালো আয়ের আশা করছেন তিনি।

সরেজমিনে দেখা যায়, সবুজে ঘেরা বিশাল বাগানজুড়ে সারি সারি পেঁপে গাছ। প্রতিটি গাছেই ঝুলছে অসংখ্য পেঁপে। বাগানের মনোরম দৃশ্য স্থানীয়দেরও দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।

কৃষক মো: নিজাম উদ্দিন মুন্সী জানান, প্রথমে তিনি লাল তীরের ‘বাবু’ জাতের পেঁপের চারা রোপণ করেছিলেন। কিন্তু স্থানীয় আবহাওয়ার সাথে জাতটির সামঞ্জস্য না থাকায় তিনি ক্ষতির মুখে পড়েন। এরপর মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার ভাবনাতলা এলাকার কৃষি উদ্যোক্তা ডাক্তার বাবুলের পরামর্শে রাজশাহী জাতের পেঁপে চাষ শুরু করেন। পুনরায় ৯০ শতাংশ জমিতে এক হাজার চারা রোপণ করলে সেগুলো ভালোভাবে বেড়ে ওঠে এবং আশানুরূপ ফলন দেয়।

তিনি বলেন, ‘এ পর্যন্ত এক লাখ টাকার বেশি পেঁপে বিক্রি করেছি। গাছে এখনো অনেক পেঁপে রয়েছে। ভবিষ্যতে আরো বেশি জমিতে পেঁপে চাষ করতে চাই। কৃষি বিভাগের সহযোগিতা পেলে পেঁপের চারা উৎপাদন বাড়িয়ে দেশের সবজির চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখতে পারব, ইনশাআল্লাহ।’

এ বিষয়ে ভাঙ্গা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোল্লা আল-মামুন বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের জানা ছিল না। ওই কৃষক কখনো কৃষি অফিসের সাথে যোগাযোগ করেননি। আপনাদের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরেছি। আমরা দ্রুত তার বাগান পরিদর্শন করব এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি সহযোগিতা দেয়ার উদ্যোগ নেব।’