কুমিল্লায় তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে দুই গ্রুপের তিন দিন ধরে সংঘর্ষে দু’জন গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। এতে দেশীয় অস্ত্রের মহড়ার পাশাপাশি ভাঙচুর করা হয় একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) থেকে শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেল পর্যন্ত নগরীর দক্ষিণ চর্থা এলাকায় টানা সংঘর্ষে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় আজ রোববারও (২৬ এপ্রিল) ওই এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করতে দেখা গেছে।
এদিকে এই ঘটনার কয়েকটি ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। এক মিনিট ১০ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, তরুণরা মাথায় হেলমেট পরে প্রতিপক্ষকে ঢিল ছুড়ে মারছে। কারো হাতে বড় ছোরা, আবার একজনকে গুলি করতে দেখা যায়। ঢিল ছোড়ার কারণে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাসার গ্লাস ভাঙার শব্দ হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, দক্ষিণ চর্থার থিরাপুকুর পাড় ও জিনাপুকুর পাড় পাশাপাশি এলাকা। দুই এলাকার তরুণদের দু’টি পক্ষ কথা-কাটকাটি থেকে বিবাদে জড়িয়ে পড়ে। তাদের বিবাদে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর হওয়ায় সংঘর্ষে এলাকাবাসীও জড়িয়ে পড়েন। পরে তারা জিনাপুকুর পাড়ের নয়ন গ্রুপ ও থিরাপুকুর পাড়ের স্বপন গ্রুপের মধ্যে বিভক্ত হয়ে পড়ে। দফায় দফায় হামলা, পাল্টা ধাওয়া ও গুলির ঘটনায় দুই পুকুরপাড় এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।
কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এক পক্ষ থানায় অভিযোগ করেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।



