ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে দামুড়হুদায় সাবেক শিবির সভাপতিকে মারধরের অভিযোগ

হাসপাতালে ভর্তি

এ বিষয়ে দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল হাসান তনু বলেন, আমাদের উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ মন্টুকে নিয়ে একটি নারীর ছবি সংযুক্ত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হয়েছিল। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) সংবাদদাতা

Location :

Chuadanga

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় ফেসবুকে একটি পোস্ট শেয়ারকে কেন্দ্র করে উপজেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মো: সুমনকে তুলে নিয়ে মারধর ও নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। আহত সুমন বর্তমানে দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

রোববার (১২ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে হাসপাতালসংলগ্ন নিজের দোকান থেকে কয়েকজন সুমনকে তুলে নিয়ে যায়। পরে দেউলি মোড় এলাকার একটি ক্লাবের ভেতরে তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন জামায়াত-শিবিরের নেতারা।

দামুড়হুদা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আশেক উদ দৌলা টিটন বলেন, ফেসবুকে একটি পোস্ট শেয়ারকে কেন্দ্র করে বিএনপির সহযোগী সংগঠন ছাত্রদলের কিছু নেতাকর্মী সাবেক ছাত্রশিবির সভাপতি সুমনকে দোকান থেকে তুলে নিয়ে নির্যাতন করেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।

তবে ঘটনাটির ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। তাদের দাবি, দামুড়হুদা উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ মন্টুকে একটি নারীর ছবির সাথে যুক্ত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে অপপ্রচার চালানো হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও পরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

এ বিষয়ে দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল হাসান তনু বলেন, আমাদের উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ মন্টুকে নিয়ে একটি নারীর ছবি সংযুক্ত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হয়েছিল। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

দামুড়হুদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মেজবাহ উদ্দিন বলেন, এ ঘটনায় থানায় কোনো অভিযোগ দেয়নি কোনো পক্ষ।