সাভার (ঢাকা) সংবাদদাতা
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, আমরা বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুর বা কানাডা নয়, বরং একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও বাসযোগ্য দেশে পরিণত করতে চাই। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
শনিবার (১১ জুলাই) ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের দুই পাশ দুর্গন্ধ মুক্ত করতে চলমান বর্জ্য অপসারণ ও পরিবেশ উন্নয়নের কাজ পরিদর্শনকালে তিনি সাংবাদিকদেরকে এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমিনবাজার থেকে হেমায়েতপুর পর্যন্ত মহাসড়কের দুই পাশ দীর্ঘদিন ধরে বর্জ্য ও অব্যবস্থাপনার কারণে অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় ছিল। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসার পর, তার নির্দেশে ঢাকা জেলা প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে প্রায় এক দশমিক দুই কিলোমিটার এলাকায় বর্জ্য অপসারণ, পরিবেশ পরিচ্ছন্নকরণ ও মহাসড়কের দুই পাশে নিমগাছের চারা রোপণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এর ফলে দীর্ঘদিন পর ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের এ অংশ দুর্গন্ধমুক্ত হবে।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বলেন, বৃষ্টির পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে দ্রুত সময়ের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাগুলোর সংস্কার করা হবে। একটি পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করতে যেখানে-সেখানে বর্জ্য ফেলা থেকে বিরত থাকতে হবে।
এ সময় তিনি সাভার পৌরসভা এলাকার বাসিন্দা, ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি নির্ধারিত ভাগাড়ে বর্জ্য ফেলার আহ্বান জানিয়ে বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ে তোলার দায়িত্ব সরকার ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই সফল হবে।
পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী সাভারের আলম নগরে আমিনবাজার রাজস্ব সার্কেল (ভূমি) কার্যালয় পরিদর্শন করেন।
এসময় ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী সুদূর প্রসারী উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এখানে এক দশমিক দুই কিলোমিটার রাস্তার বর্জ্য পরিষ্কার করে ১৫ ফুট উচ্চতায় বালু ভরাট করা হবে। এরপর নেট দিয়ে ব্যারিকেড তৈরি করে সেখানে নিমগাছ রোপণ করা হবে, যাতে এলাকাটি স্থায়ীভাবে পরিচ্ছন্ন থাকে।
তিনি বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, মহাসড়কের পরিবেশ রক্ষায় নির্ধারিত স্থান ছাড়া বর্জ্য ফেলা যাবে না। পরিদর্শনকালে সাভার উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফুল ইসলামসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।



