সিলেটের গোলাপগঞ্জে রডের আঘাতে স্ত্রী ফাহমিদা বেগম মোহনাকে (২৫) হত্যায় অভিযুক্ত স্বামী জাহিদুল ইসলাম এমরানকে (৩৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রোববার (২৪ মে) বিকেল ৩টার দিকে গোলাপগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ দক্ষিণ সুরমা উপজেলার মোগলাবাজার থানার ইন্নাত আলীপুর মির্জাজাঙ্গাল এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতার এমরান সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপাশা ইউনিয়নের উত্তর জাঙ্গালহাটা গ্রামের সিএনজি অটোরিকশা চালক ছদরুল আলমের ছেলে।
অভিযুক্ত জাহিদুল ইসলাম এমরানকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোলাপগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: আরিফুল ইসলাম।
উল্লেখ্য, শনিবার বিকেল অনুমান ৪টার দিকে ঘাতক স্বামী জাহিদুল ইসলাম এমরানের সাথে তার স্ত্রী ফাহমিদা বেগম মোহনার পারিবারিক বিরোধের জেরে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে স্বামী জাহিদুল ইসলাম এমরান ক্ষিপ্ত হয়ে ঘরে থাকা একটি লোহার রড দিয়ে স্ত্রী ফাহমিদা বেগম মোহনার মাথায় আঘাত করে। এতে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।
ঘটনার পরপরই ঘাতকের বাবা ছদরুল আলম ও স্থানীয়রা ঘরে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় মোহনার নিথর দেহ মাটিতে পড়ে থাকতে দেখতে পান।
স্থানীয়রা গোলাপগঞ্জ মডেল থানা পুলিশকে সংবাদ দিলে খবর পেয়ে এএসপি সার্কেল মোঃ শাহআলম, গোলাপগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: আরিফুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে হত্যায় ব্যবহৃত লোহার রড জব্দ করে এবং নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
ময়নাতদন্ত শেষে পুলিশ নিহতের লাশ নিহতের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। পরে, রোববার আসরের নামাজের পর একই উপজেলার দত্তরাইল গ্রামে নিহতের বাবার বাড়িতে জানাযা শেষে দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
নিহত মোহনার আবির হোসেন নামে চার বছর বয়সি এক শিশু সন্তান আছে।



