কাউখালীতে ৪ পশুরহাটের খাজনা মওকুফ

উপজেলার নির্ধারিত পশুর হাটগুলো হলো কাউখালী সদর পশুর হাট, কেউন্দ্রিয়া হাট, বেতকা বাজার ও তালুকদার হাট। এসব হাটে এবার কোনো ধরনের খাজনা নেয়া হবে না।

কাউখালী (পিরোজপুর) সংবাদদাতা

Location :

Kaukhali
কোরবানির গরুর হাট
কোরবানির গরুর হাট |নয়া দিগন্ত

পিরোজপুরের কাউখালীতে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে উপজেলার নির্ধারিত চারটি পশুর হাটের ইজারা (খাজনা) মওকুফ করে দিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও পিরোজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ সোহেল মনজুর। এ সিদ্ধান্তে স্বস্তি ও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন হাটে আসা ক্রেতা ও বিক্রেতারা।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: আসাদুজ্জামান।

উপজেলার নির্ধারিত পশুর হাটগুলো হলো কাউখালী সদর পশুর হাট, কেউন্দ্রিয়া হাট, বেতকা বাজার ও তালুকদার হাট। এসব হাটে এবার কোনো ধরনের খাজনা নেয়া হবে না।

সোমবার (২৫ মে) কাউখালী পশুরহাট ঘুরে দেখা যায়, দেশীয় গরুর সরবরাহ ভালো থাকায় ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপস্থিতিতে হাটে জমজমাট পরিবেশ বিরাজ করছে। খাজনা মওকুফের কারণে স্বস্তি নিয়ে পশু কেনাবেচা করছেন তারা।

হাটে গরু কিনতে আসা ক্রেতা হাফেজ মাসুম বিল্লাহ বলেন, ‘আগে গরু কিনতে এসে বাড়তি খাজনা দিতে হতো। এবার খাজনা মওকুফ হওয়ায় আমাদের অনেক সুবিধা হয়েছে। এতে খরচ কিছুটা কমেছে।’

গরু বিক্রেতা জামাল হোসেন বলেন, ‘অতিরিক্ত খাজনার কারণে অনেক ক্রেতা হাটে আসতে চাইতেন না। এবার খাজনা না থাকায় হাট অনেক জমজমাট। দেশী গরুর চাহিদাও ভালো। পশুর দামও নাগালের ভিতরে।’

কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো: আসাদুজ্জামান বলেন, ‘সরকার সাধারণ মানুষের স্বার্থ বিবেচনা করে পশুর হাটের খাজনা মওকুফের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ই উপকৃত হবেন। পাশাপাশি হাটগুলোতে আইনশৃঙ্খলা ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে প্রশাসন কাজ করছে।’

কাউখালী থানার ওসি (তদন্ত) এবাদ আলী বলেন, ‘পশুর হাটগুলোতে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ কাজ করছে। জাল টাকা প্রতিরোধ, চুরি-ছিনতাই রোধ এবং যানজট নিয়ন্ত্রণে বিশেষ নজরদারি রাখা হয়েছে, যাতে ক্রেতা-বিক্রেতারা নির্বিঘ্নে কেনাবেচা করতে পারেন।

গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সহকারী সচিব (এপিএস) মো: হুমায়ুন রশিদ জানান, সাধারণ মানুষের সুবিধার কথা চিন্তা করে মাননীয় প্রতিমন্ত্রীর উদ্যোগে উপজেলার চারটি পশুর হাটের ইজারা সম্পূর্ণ মওকুফ করা হয়। এতে ঈদকে সামনে রেখে সাধারণ মানুষ স্বস্তিতে পশু কেনাবেচা করতে পারবেন।