সোনাগাজীতে শিক্ষকের বাড়িতে হামলা

হামলাকারীরা হামলা চালিয়ে তাদের বসতঘরের জায়গা জবরদখল করার চেষ্টা করে এবং বসতঘরের সীমানা পিলার ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়। পরে জাহাঙ্গীর থানায় ফোন করলে সোনাগাজী মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে।

সোনাগাজী (ফেনী) সংবাদদাতা

Location :

Feni
ফেনীর ম্যাপ
ফেনীর ম্যাপ |নয়া দিগন্ত

ফেনীর সোনাগাজীতে স্কুল শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম ও ফয়েজুল ইসলাম সেলিমের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় সাবেক যুবদল নেতা এনায়েতুল্লাহ স্বপনের বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় জাহাঙ্গীর আলম সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা করেছেন।

ভুক্তভোগী পরিবার ও মামলার এজাহারের সূত্রে জানা যায়, সাবেক যুবদল নেতা এনায়েতুল্লাহ স্বপন ও তার ভাই আরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সোমবার রাতে স্কুলশিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম ও স্থানীয় ফয়জুল ইসলাম সেলিমের বাড়ি ঘরে হামলা-ভাঙচুর চালান। হামলার খরব শুনে সেখানে গেলে হামলাকারীদের ভয়ে জাহাঙ্গীর আলম, তার স্ত্রী আসমা বেগম, তার মেয়ে লীরা এবং তার ছেলে আরাফাত নিরাপত্তাহীনতায় বসত ঘরে ঢুকে তালা মেরে ভেতরে অবস্থান করেন।

হামলাকারীরা হামলা চালিয়ে তাদের বসতঘরের জায়গা জবরদখল করার চেষ্টা করে এবং বসতঘরের সীমানা পিলার ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়। পরে জাহাঙ্গীর থানায় ফোন করলে সোনাগাজী মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে।

জাহাঙ্গীরের স্ত্রী আসমা বেগম জানান, হামলাকারীদের ভয়ে তারা বাড়ি যেতে ভয় পাচ্ছেন ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। হামলাকারীরা তাদের বাড়িঘরের জায়গা জবরদখল করতে চায়।

জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘বাড়িতে দীর্ঘদিনের মীমাংসিত একটি ইস্যু নিয়ে হামলাকারী স্বপন আমাদের বাড়িঘর দখল করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। অথচ দীর্ঘদিন বাড়িতে বসবাস করলেও এ বিষয়ে তাদের কোনো অভিযোগ ছিল না। হঠাৎ তারা বাড়িতে আমাদের অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে আমাদের বসতভিটার জায়গা দখল করার জন্য আমাদের ওপর হামলা ও তাণ্ডব চালায়।’

থানার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) কিবরিয়া বলেন, ‘আমরা গিয়ে তেমন কিছু দেখতে পাইনি। তবে বাড়িতে সীমানা পিলার তুলে ফেলার দৃশ্য দেখেছি। পরিবারটিকে উদ্ধার করে নিয়ে এসেছি।’

এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা তাৎক্ষণিক পুলিশ পাঠিয়ে পরিবারটিকে উদ্ধার করে নিয়ে এসেছি। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’