তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে রংপুর অঞ্চলের ঈদগাহ মাঠে বিশেষ মোনাজাত

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ শেষে রংপুর, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী ও গাইবান্ধা জেলার তিস্তা অববাহিকার ১২টি উপজেলার ৪৪টি ইউনিয়নের বিভিন্ন ঈদগাহ মাঠে এ বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদ এ কর্মসূচির আয়োজন করে।

Location :

Rangpur

রংপুর ব্যুরো
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের সব বাধা দূর এবং তিস্তা অববাহিকার মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে মহান আল্লাহর রহমত কামনা করে রংপুরসহ ৫ জেলার ঈদ জামাতে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ শেষে রংপুর, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী ও গাইবান্ধা জেলার তিস্তা অববাহিকার ১২টি উপজেলার ৪৪টি ইউনিয়নের বিভিন্ন ঈদগাহ মাঠে এ বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদ এ কর্মসূচির আয়োজন করে।

ঈদের জামাত শেষে মুসল্লিরা তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য দোয়া করেন। এ সময় অনেক মুসল্লিকে আবেগাপ্লুত হতে দেখা যায়। তারা আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন, তিস্তা অববাহিকায় পানির সংকট, নদীভাঙন, খরা ও দুর্ভোগ থেকে যেন মানুষ মুক্তি পায়।

সংগঠনটির কাউনিয়া উপজেলা সংগঠক আশিকুর রহমান বলেন, “আমরা মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেছি, যেন তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে সব অন্তরায় দূর হয় এবং এ অঞ্চলের মানুষ ভাঙন, খরা ও উদ্বাস্তু জীবন থেকে মুক্তি পায়।”

সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শফিয়ার রহমান বলেন, “তিস্তা অববাহিকার ক্ষতিগ্রস্ত ৪৪টি ইউনিয়নের প্রতিটি ঈদগাহ মাঠে মুসল্লিরা বিশেষ মোনাজাতে অংশ নিয়েছেন। তারা কান্নাজড়িত কণ্ঠে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ করেছেন।”

সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি নজরুল ইসলাম হক্কানী বলেন, “তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে আমরা নদীতীরে বিশেষ মোনাজাত, সভা-সমাবেশ ও উঠান বৈঠকের কর্মসূচি পালন করছি। আগামী ৫ জুন রংপুর মহানগরীতে সর্বজনের সংহতি সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে নদীতীরবর্তী এলাকার জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা অংশ নেবেন।”