ম্রাসাথোয়াই মারমাকে চেয়ারম্যান করে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ পুনর্গঠন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোঙ্গল চন্দ্র পাল স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
নবগঠিত খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের অন্যান্য সদস্যরা হলেন খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম এন আবছার, সহ-সভাপতি ক্ষেত্র মোহন ত্রিপুরা, দেব রানী চাকমা, যুগ্ন সম্পাদক আব্দুল মালেক মিন্টু, মোশাররফ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক খনি রঞ্জন ত্রিপুরা, জেলা মহিলা দলের সভাপতি কুহেলী দেওয়ান, সাংগঠনিক সম্পাদক তাহমিনা সিরাজ সীমা, মাটিরাঙা উপজেলা পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি নারায়ন ত্রিপুরা, রুমেল মারমা, রিপল চাকমা, শান্তি প্রিয় চাকমা, মংসাপ্রু চৌধুরী ও ক্যরী মগ।
প্রজ্ঞাপনে জানানো হয় খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন, ১৯৮৯ ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ (সংশোধন) আইন, ১৯৯৭ এর ১৬ক। (৪) উপধারা এবং খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ (সংশোধন) আইন, ২০১৪ এর ২(২) উপধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ পুনর্গঠন করেছে। পুনরাদেশ না দেয়া পর্যন্ত পুনর্গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন, ১৯৮৯ এবং এই আইনের সকল সংশোধনীর বিধান অনুযায়ী খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সকল দায়িত্ব পালন করিবে।
এতে আরো উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের ০৭ নভেম্বরের প্রজ্ঞাপন দ্বারা গঠিত পরিষদ এবং ২০২৫ সালের ৮ জুলায়ের প্রজ্ঞাপন দ্বারা অস্থায়ী চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগকৃত শেফালিকা ত্রিপুরার নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে।
তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় নবগঠিত খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়াম্যান ম্রাসাথোয়াই মারমা তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় জেলাবাসীকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদে আমাকে চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করায় আমি প্রথমে গভীর কৃতজ্ঞতা ও আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই মহান স্বাধীনতা ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেতা তারেক রহমানকে। তার আস্থা ও বিশ্বাসের মর্যাদা রক্ষায় আমি সততা নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করার অঙ্গীকার করছি। পাশাপাশি মাননীয় সংসদ সদস্য জননেতা ওয়াদুদ ভূঞাঁর উন্নয়নমুখী পরিকল্পনা ও স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমি একজন সহযোগী হিসেবে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
তিনি আরো বলেন, ‘জেলার অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থা, যুব উন্নয়ন এবং সামাজিক নিরপত্তার প্রতিটি খাতে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনার জন্য আমরা সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণ করব। আমি খাগড়াছড়ি বাসির আশীর্বাদ ও দোয়া, সহযোগীতা এবং গঠনমূলক পরামর্শ কামনা করছি।’
সম্প্রীতি, উন্নয়ন, ন্যায়বিচার ও সম অধিকারের ভিত্তিতে একটি আধুনিক, শান্তিপূর্ণ, সমৃদ্ধ খাগড়াছড়ি গড়ে তুলতে তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান।



