ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সড়কে ফেলে রাখা কোরবানির চামড়া অপসারণ

শুক্রবার (২৯ মে) সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী কাওসার আহমেদের নেতৃত্বে এ বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম শুরু হয়। এক্সেভেটরের সাহায্যে চামড়াগুলো ট্রাক্টরে তোলা হলে শহরজুড়ে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। পরে দুর্গন্ধ ও জীবাণু ছড়ানো রোধে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থলে ব্লিচিং পাউডার ছিটিয়ে দেয়।

নয়া দিগন্ত অনলাইন

Location :

Brahmanbaria

কোরবানির পশুর চামড়ার ন্যায্য মূল্য না পেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের বিভিন্ন সড়কের পাশে ফেলে রাখা পচা চামড়া প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর অপসারণ করেছে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ।

শুক্রবার (২৯ মে) সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী কাওসার আহমেদের নেতৃত্বে এ বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম শুরু হয়। এক্সেভেটরের সাহায্যে চামড়াগুলো ট্রাক্টরে তোলা হলে শহরজুড়ে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। পরে দুর্গন্ধ ও জীবাণু ছড়ানো রোধে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থলে ব্লিচিং পাউডার ছিটিয়ে দেয়।

পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী কাওসার আহমেদ বলেন, দিনভর চামড়ার মালিকদের খোঁজ করা হলেও কাউকে পাওয়া যায়নি। পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, পৌর প্রশাসক মো. শরিফুল ইসলাম এবং জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদের নির্দেশনায় দ্রুত চামড়া অপসারণের কাজ শুরু করা হয়।

তিনি আরও জানান, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চামড়াগুলো মাটিচাপা দেওয়া হবে।

পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক বা জনবহুল এলাকায় কোরবানির পশুর চামড়া রাখার অনুমতি দেয়া হবে না। এ জন্য নির্ধারিত পৃথক স্থান নির্ধারণ করা হবে।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার দিনভর কোরবানির পর মৌসুমি ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন স্থান থেকে চামড়া সংগ্রহ করেন। তবে গভীর রাত পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত দাম ও ক্রেতা না পেয়ে তারা শত শত কাঁচা চামড়া শহরের বিভিন্ন সড়কের পাশে ফেলে রেখে চলে যান। এতে পুরাতন কোর্ট রোড, পৌর সুপার মার্কেট, পূবালী ব্যাংক চত্বর ও মঠের গোড়া এলাকায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পথচারীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়।

এ বছর সরকার প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত কাঁচা চামড়ার দাম ৬২ থেকে ৬৭ টাকা নির্ধারণ করেছে। গত বছর এ দাম ছিল ৬০ থেকে ৬৫ টাকা।