বৈশাখের শুরুতেই তীব্র গরমের মাঝে নাটোরের লালপুরে পল্লী বিদ্যুতের ভয়াবহ লোডশেডিংয়ে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। দিন-রাতের প্রায় অর্ধেক সময় বিদ্যুৎবিহীন সময় কাটাচ্ছেন এখানকার গ্রাহকরা। এর ফলে অনেকটা নিদ্রাহীন রাত কাটাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। ব্যাহত হচ্ছে অফিস আদালত ও বাণিজ্যিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক কার্যক্রম।
পল্লী বিদ্যুতের জোনাল অফিস সূত্রে জানা যায়, এখানে প্রতিদিন পিক আওয়ারে বিদ্যুতের চাহিদা ২৫ মেগাওয়াট হলেও সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে ১২ মেগাওয়াট। অন্য দিকে অফ পিক আওয়ারে চাহিদা ২২ মেগাওয়াটের স্থলে সরবরাহ পাচ্ছেন ১১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ।
এদিকে বিদ্যুতের অব্যাহত লোডশেডিংয়ের কারণে তীব্র গরমে শিশু ও বৃদ্ধরা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। এলাকার হাসপাতালগুলোতে রক্তচাপ, স্বাসকষ্টজনিতসহ বিভিন্ন রোগের আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।
পল্লী বিদ্যুতের লালপুর জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার রেজাউল করিম ব্যাপারী জানান, গ্রাহকদের ভোগান্তির জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। কিন্তু এখানে চাহিদার তুলনায় অর্ধেক সরবরাহ পাওয়ায় আমরা চাহিদা মেটাতে ব্যর্থ হচ্ছি।
লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ডা: সুরুজ্জামান শামীম জানান, বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের কারণে তীব্র গরমে শিশু ও বৃদ্ধরা বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। এলাকার হাসপাতালগুলোতে ডায়রিয়া, রক্তচাপ, স্বাসকষ্টজনিতসহ বিভিন্ন রোগের আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এজন্য এই বয়সীদের প্রতি অতিরিক্ত যত্ন নিতে হবে। নতুবা বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারে।



