ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতা সোহাগ হত্যা ঘটনায় মামলা

নিহত ইমরান হোসেন সোহাগ উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের বাঘইল মহানবী পাড়ার ইমানুল প্রামাণিকের (ইনামুল হক) ছেলে। তিনি ঈশ্বরদী উপজেলা ছাত্রদলের প্রস্তাবিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক এবং জিয়া সাইবার ফোর্স ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সদস্য সচিব ছিলেন।

ঈশ্বরদী (পাবনা) সংবাদদাতা

Location :

Ishwardi
নিহত ইমরান হোসেন সোহাগ
নিহত ইমরান হোসেন সোহাগ |নয়া দিগন্ত

পাবনার ঈশ্বরদীতে আলোচিত ছাত্রদল নেতা ইমরান হোসেন সোহাগ হত্যা মামলায় ৭ জনের নাম উল্লেখসহ আরো ৮-১০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার (৬ এপ্রিল) সকালে নিহতের বাবা ইমানুল প্রামাণিক ঈশ্বরদী থানায় এ মামলা দায়ের করেন।

নিহত ইমরান হোসেন সোহাগ উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের বাঘইল মহানবী পাড়ার ইমানুল প্রামাণিকের (ইনামুল হক) ছেলে। তিনি ঈশ্বরদী উপজেলা ছাত্রদলের প্রস্তাবিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক এবং জিয়া সাইবার ফোর্স ঈশ্বরদী উপজেলা শাখার সদস্য সচিব ছিলেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২ এপ্রিল রাত পৌনে ১০টার দিকে ঈশ্বরদী পৌরসভার সাঁড়া গোপালপুর স্কুলপাড়া এলাকায় সোহাগ কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে অবস্থান করছিলেন। এ সময় মুখোশধারী একদল দুর্বৃত্ত তাদের ধাওয়া করে। একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা সোহাগকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন নিহতের পরিবার।

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার সরকার জানান, পরিবারের দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।