আর ক’দিন পরেই শুরু হচ্ছে পাহাড়ি সম্প্রদায়ের বর্ষবরণ উৎসব বৈসাবি। চাকমা ও তঞ্চঙ্গা সম্প্রদায়ের বিজু ও বিসু, মারমাদের সাংগ্রাই, ত্রিপুরাদের বৈসু আর ম্রোদের চাংক্রানকে ঘিরে উৎসবমুখর এখন বান্দরবান।
পাড়ায় পাড়ায় চলছে বর্ষবরণের নানা আয়োজন। পাহাড়ে যত উৎসব রয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে বর্ণিল আনন্দময় উৎসব হলো বর্ষবরণ বৈসাবি। এই উৎসবে থাকে চন্দন পানিতে বৌদ্ধমূর্তি স্নান, বয়স্ক পূজা, পিঠ পাচন তৈরি, জলকেলি, ঘিলা খেলা আর সংস্কৃতি অনুষ্ঠান। পাড়ায় পাড়ায় চলে সপ্তাহব্যাপী উৎসবে আয়োজন।
উৎসবকে ঘিরে আনন্দময় এখন পুরো বান্দরবান। পাড়ায় পাড়ায় চলছে বর্ষবরণের নানা প্রস্তুতি। বান্দরবানে ১১টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাথে বাঙালি মিলিয়ে ১২টি জনগোষ্ঠীর বসবাস। তাই এখানে বর্ষবরণ হয়ে ওঠে বর্ণিল ও আনন্দময়।
১২ এপ্রিল সাঙ্গু নদীতে ফুল বসানোর মধ্য দিয়ে শুরু হবে বর্ষবরণ উৎসব। এরপর সপ্তাহব্যাপী থাকবে বর্ষবরণের নানা আয়োজন। তরুণ-তরুণীদের দলবেঁধে পানি খেলা, বৌদ্ধমূর্তি স্নান, পিঠা উৎসব।
এখন চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। নতুন কাপড় কেনাকাটা থেকে শুরু করে মন্দির ও ঘর সাজানো সবকিছুর আয়োজন চলছে পাড়ায় পাড়ায়।
এদিকে জেলা শহরে শুভযাপন নিয়ে দুই কমিটির মধ্যে দ্বন্দ্ব থাকায় অনেকটা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল শহরের উৎসব। তবে শুক্রবার (১০ এপ্রিল) এ বিশেষ সিদ্ধান্ত হওয়ায় শঙ্কা এখন অনেকটাই কেটেছে। পুরনো কমিটি শহরের উজানী পাড়া সাঙ্গু নদীর চরে ও নতুন কমিটির শহরের রাজার মাঠে আলাদা আলাদাভাবে জলকেলি উৎসবের আয়োজন করেছে।
পুলিশ সুপার (এসপি) মো: আব্দুর রহমান জানান, উৎসব সুস্থ ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।



