ফতুল্লায় গ্যাস বিস্ফোরণ, পরিবারের আর কেউ রইল না

জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক শাওন বিন রহমান বিষয়টি ণিশ্চিত করেছেন। মৃতের শরীরের ৬০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।

কামাল উদ্দিন সুমন, নারায়ণগঞ্জ

Location :

Narayanganj
গ্যাস বিস্ফোরণ
গ্যাস বিস্ফোরণ |নয়া দিগন্ত

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকায় বাসায় গ্যাস লিক থেকে হওয়া বিস্ফোরণে দগ্ধ পরিবারটির শেষ সদস্যটিরও মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (১৫ মে) সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে ৩২ বছর বয়সী নারী সায়মার মৃত্যু হয় বলে জানান জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক শাওন বিন রহমান। তার শরীরের ৬০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।

সায়মার মৃত্যুতে পাঁচ সদস্যের পরিবারটির আর কেউ বেঁচে রইল না। সায়মার আগে তার স্বামী ও তিন শিশু সন্তানেরও একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় বলে জানান ডা: রহমান।

এর আগে রোববার সকালে ফতুল্লার গিরিধারা এলাকার একটি ছয়তলা ভবনের নিচতলার ফ্ল্যাটে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে তিন শিশু সন্তাসহ এক দম্পতি দগ্ধ হন।

পরদিন সকালেই মৃত্যু হয় ৩৫ বছর বয়সী গৃহকর্তা মো: কালামের। তার শরীরে পোড়ার মাত্রা ছিল ৯৫ শতাংশ।

এরপর একে একে মৃত্যু হয় কালাম-সায়মা দম্পতির তিন শিশু সন্তান মুন্না (৭), কথা (৭) ও মুন্নির (১০)। তাদের শরীরের যথাক্রমে ৩০ শতাংশ, ৫২ শতাংশ ও ৩৫ শতাংশ পুড়েছিল।

ঘটনার পর নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন জানান, গিরিধারার ওই বাসায় স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ভাড়া থাকতেন সবজি বিক্রেতা কালাম। তিতাসের লাইনের লিক থেকে গ্যাস জমে তাদের ঘরে বিস্ফোরণ ঘটে বলে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ধারণা।

তাদের সবাইকে ভর্তি করা হয় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে। তখনই তাদের অবস্থা ‘আশঙ্কাজনক’ ছিল বলে জানিয়েছিলেন সেখানকার চিকিৎসক শাওন বিন রহমান।