কলাবাগানে সেপটিক ট্যাঙ্ক বিস্ফোরণে দগ্ধ ৩

কলাবাগান এলাকা থেকে জুয়েলকে শরীরের ৩০ শতাংশ, রানাকে ৬৩ শতাংশ এবং পারভেজকে ২১ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় জরুরি বিভাগে আনা হয়।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিট
জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিট |ইন্টারনেট

রাজধানীর কলাবাগানে একটি সাততলা ভবনের নিচতলায় সেপটিক ট্যাঙ্কে জমে থাকা গ্যাসের বিস্ফোরণে তিনজন দগ্ধ হয়েছেন।

বুধবার দিবাগত রাত পৌনে ১২টার দিকে কলাবাগান থানার কাঠালবাগান ফ্রি স্কুল স্ট্রিট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে দগ্ধ অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করা হয়।

দগ্ধরা হলেন মো: জুয়েল (২০), মো: রানা (২২) ও মো: পারভেজ (২১)।

জুয়েলের বাড়ি কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার বাংখালী গ্রামে। তার বাবার নাম সবুজ মিয়া। রানা একই এলাকার সোনা মিয়ার ছেলে এবং পারভেজ একই এলাকার মানিক মিয়ার ছেলে।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের আবাসিক চিকিৎসক ডা: হারুনুর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, কলাবাগান এলাকা থেকে জুয়েলকে শরীরের ৩০ শতাংশ, রানাকে ৬৩ শতাংশ এবং পারভেজকে ২১ শতাংশ দগ্ধ অবস্থায় জরুরি বিভাগে আনা হয়। তাদের ভর্তি করা হয়েছে। দগ্ধের পরিমাণ বেশি হওয়ায় রানা ও জুয়েলকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) স্থানান্তর করা হয়েছে। পারভেজকে জরুরি বিভাগের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। প্রয়োজন হলে তাকেও আইসিইউতে স্থানান্তর করা হতে পারে।

দগ্ধদের হাসপাতালে নিয়ে আসা মো: রাজিব জানান, তিনজনই পান্থপথের একটি ফার্নিচারের দোকানে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। রাতে তারা কাঠালবাগান ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের একটি সাততলা ভবনের নিচতলায় জুয়েলের বাসায় ছিলেন। এ সময় হঠাৎ সেপটিক ট্যাঙ্কে জমে থাকা গ্যাসের বিস্ফোরণে তারা দগ্ধ হন। পরে তাদের উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে নিয়ে আসা হয়।

সূত্র : ইউএনবি