মিয়ামি ওপেনের শিরোপা জিতলেন সিনার

২০২৪ সালে মিয়ামি জেতার পর গত বছর ডোপিং নিষেধাজ্ঞার কারণে খেলতে না পারা সিনার এখন টানা তিনটি মাস্টার্স ১০০০ শিরোপা জিতেছেন। এই কৃতিত্বের শুরু হয়েছিল গত বছর প্যারিস জয়ের মাধ্যমে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
ইয়ানিস সিনার
ইয়ানিস সিনার |ইন্টারনেট

মিয়ামি ওপেনের শিরোপা জয় করেছেন বিশ্বের দুই নম্বর খেলোয়াড় ইয়ানিস সিনার।

রোববার ইতালিয়ান তারকা সিনার চেক খেলোয়াড় জিরি লেহেচকাকে ফাইনালে সহজেই ৬-৪, ৬-৪ গেসে হারিয়ে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয়বারের মতো মাস্টার্স এই টুর্নামেন্টের শিরোপা জয় করেছেন। এর মাধ্যমে তিনি এ বছর ইন্ডিয়ান ওয়েলস সাথে এই শিরোপাও যোগ করলেন।

বৃষ্টির কারণে ম্যাচ শুরুর আগে ও চলাকালীন বিলম্ব হলেও সিনার তার ‘সানশাইন ডাবল’ সম্পন্ন করেন। ২০১৭ সালে রজার ফেদেরার প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ক্যালিফোর্নিয়া ও ফ্লোরিডার এই দুই বড় হার্ডকোর্ট টুর্নামেন্ট জয় করেছিলেন। ফেদেরারও উভয় আসরেই একটিও সেট না হেরে শিরোপা ঘরে তুলেছিলেন।

২০২৪ সালে মিয়ামি জেতার পর গত বছর ডোপিং নিষেধাজ্ঞার কারণে খেলতে না পারা সিনার এখন টানা তিনটি মাস্টার্স ১০০০ শিরোপা জিতেছেন। এই কৃতিত্বের শুরু হয়েছিল গত বছর প্যারিস জয়ের মাধ্যমে।

এর মাধ্যমে আরিয়ানা সাবালেঙ্কা ও সিনার ২০১৬ সালে নোভাক জকোভিচ ও ভিক্টোরিয়া আজারেঙ্কার পর প্রথমবারের মতো পুরুষ ও নারী উভয় বিভাগেই ইন্ডিয়ান ওয়েলস-মিয়মি ডাবল শিরোপা জয় সম্পন্ন করলেন। সাবালেঙ্কা কোকো গফকে হারিয়ে এবারের মিয়ামি ওপেন জয় করেছেন।

বৃষ্টির কারণে ম্যাচ শুরু হতে এক ঘণ্টার বেশি দেরি হয়। প্রথম সেট জয়ের পর আবারো বৃষ্টি নামায় ৯০ মিনিটের ম্যাচ বন্ধ ছিল।

তবে এতে সিনারের ছন্দে কোনো প্রভাব পড়েনি। তিনি ম্যাচের শুরুতেই লেহেচকার সার্ভ ভেঙে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যান। প্রথম সেটে পিছিয়ে পড়লেও সিনার তিনটি সার্ভিস উইনার ও দু’টি এস মেরে গেমটি জয় করে লিড ধরে রাখেন।

নবম গেমে দুর্দান্ত ক্রস-কোর্ট ফোরহ্যান্ডে সেট পয়েন্ট আদায় করেন তিনি। যদিও লেহেচকা কয়েকটি সেট পয়েন্ট বাঁচান। শেষ পর্যন্ত সিনার সহজেই সেটটি জিতে নেন।

দ্বিতীয় সেটে লেহেচকা পাঁচটি সেট পয়েন্ট প্রতিহত করলেও সিনার একমাত্র ব্রেক নিয়ে ৫-৪ গেমে এগিয়ে যান। এরপর নেটে আরেকটি চমৎকার শটে ম্যাচ জয় নিশ্চিত করেন।

প্রথমবারের মতো মাস্টার্স ১০০০ ফাইনাল খেলতে নামা লেহেচকা জয় না পেরেও সোমবার প্রকাশিত র‌্যাঙ্কিংয়ে ক্যারিয়ারের সেরা ১৪ নম্বরে উঠে এসেছেন।