শততম ম্যাচ রাঙালেন লামিনে ইয়ামাল, বড় জয় বার্সার

প্রথমার্ধেই জোড়া গোল করে বার্সাকে এগিয়ে দেন ফেরান তরেস। ২ গোলেই অবদান ছিল ইয়ামালের। এরপর নিজেও একটি গোল করেন। বাকি গোলটি করেন মার্কাস রাশফোর্ড।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
বার্সেলোনা ৪-১ গোলে জয়
বার্সেলোনা ৪-১ গোলে জয় |সংগৃহীত

লা লিগায় দারুণ এক মাইলফলক স্পর্শ করেছেন লামিনে ইয়ামাল। এস্পানিওলের বিপক্ষে খেলতে নেমে গড়েছেন শততম ম্যাচ খেলার রেকর্ড। উপলক্ষটা রাঙিয়েও তুলেন তিনি।

ম্যাচটা স্মরণীয় করে রাখতে গোল করলেন, করালেন। ইয়ামালের এমন নৈপুণ্যে সহজ জয়ই পেয়েছে বার্সেলোনা। শনিবার ঘরের মাঠে এস্পানিওলকে হারিয়েছে ৪-১ গোলে।

প্রথমার্ধেই জোড়া গোল করে বার্সাকে এগিয়ে দেন ফেরান তরেস। ২ গোলেই অবদান ছিল ইয়ামালের। এরপর নিজেও একটি গোল করেন। বাকি গোলটি করেন মার্কাস রাশফোর্ড।

স্কোরলাইন যত সহজ জয় বলছে, তত সহজ জয় পায়নি বার্সেলোনা। ৮৭তম মিনিট পর্যন্ত তাদের বেশ চাপেই রেখেছিল এস্পানিওল। তবে শেষ মুহূর্তে জোড়া গোল করলে স্কোর বড় হয়।

এই জয়ে লিগ শিরোপার দিকে আরো এক ধাপ এগিয়ে গেল বার্সা। ৩১ ম‍্যাচে ২৬ জয় ও এক ড্রয়ে ৭৯ পয়েন্ট নিয়ে চূড়ায় তারা। সমান ম‍্যাচে ৭০ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে রিয়াল।

অবশ্য ম্যাচের দশম মিনিটে কর্নার থেকে গোল করে এগিয়ে যায় বর্তমাম চ‍্যাম্পিয়নরা। ইয়ামালের বাঁকানো শটে চমৎকার হেডে জাল খুঁজে নেন তরেস। ১০ ম্যাচ পর গোলের দেখা পেলেন তিনি।

খরা কাটানোর পর আরেকটি গোলের জন‍্য তরেসের বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি। ২৫তম মিনিটে ইয়ামালের বাড়ানো শটে একটু দিক পাল্টে দিয়ে জাল খুঁজে নেন তিনি।

লা লিগার ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে শততম ম্যাচ খেলতে নামা ইয়ামাল প্রথমার্ধে আলো ছড়ালেও গোলের দেখা পাচ্ছিলেন না। একের পর এক ব্যর্থ হতে থাকে তার প্রচেষ্টা।

২-০ গোলের লিড নিয়ে বিরতি থেকে ফেরার পর ৫৪ মিনিটে আরো একবার বল জালে পাঠান তরেস। কিন্তু তাকে বল দেয়ার সময় এরিক গার্সিয়া অফসাইডে থাকায় গোলটি বাতিল হয়।

এদিকে পরের মিনিটেই ব্যবধান কমান পল লোজানো। ডি-বক্সের বাইরে থেকে নেয়া জোরাল শটে বল জালে পাঠান তিনি। এই গোলের পর সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে উঠে এস্পানিওল।

আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ চলতে থাকে ৮৬ মিনিট পর্যন্ত। পরের মিনিটে লা লিগার সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে শততম ম্যাচ খেলতে নামা ইয়ামাল জালের দেখা পেয়ে যান।

২ মিনিট পরে স্কোরশিটে নাম তোলেন রাশফোর্ড। বাইলাইনে বল পেয়ে গোলে শট না নিয়ে পাস বাড়ান ডি ইয়ং। সহজ সুযোগ কাজে লাগান এই ইংলিশ ফরোয়ার্ড। স্কোর হয় ৪-১।