ইউরোপিয়ান ফুটবলে বড় অঘটনের জন্ম দিলো নরওয়ের ছোট ক্লাব বোদো/গ্লিমট। ইতিহাস গড়েছে ক্লাবটা। ইন্টার মিলানকে বিদায় করে চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোয় উঠেছে তারা।
প্রথম লেগ শেষেই শেষ ষোলোয় এক পা দিয়ে রেখেছিল বোদো/গ্লিমট। গতরাতে শেষ করলো বাকি আনুষ্ঠানিকতাও। মঙ্গলবার স্বাগতিকদের হারিয়ে দ্বিতীয় লেগও রাঙিয়েছে জয়ের রঙে।
প্লে-অফের প্রথম লেগে ঘরের মাঠে ৩-১ গোলে ইন্টারকে হারায় তারা, এবার সান সিরোতে ফিরতি লেগে জয় ২-১ গোলে। দুই লেগ মিলিয়ে ৫-২ ব্যবধানে এগিয়ে শেষ ষোলোয় গেল বোদো/গ্লিমট।
ইউরোপের শীর্ষ ক্লাব প্রতিযোগিতায় নিজেদের প্রথম মৌসুমেই একের পর এক চমক দেখিয়ে যাচ্ছে বোদো/গ্লিমট। লিগ পর্বের ম্যানচেস্টার সিটি ও অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে হারিয়ে দিয়েছিল তারা।
এই ম্যাচে প্রথমার্ধে গোল পায়নি কোনো দল। দ্বিতীয়ার্ধে ৫২ মিনিটে সান সিরোকে স্তব্ধ করে বোদো/গ্লিমটকে এগিয়ে দেন ইয়েনস পেতের হাউগে। ওলে ব্লমবার্গের শট ফিরে একে ফিরতি বলে গোল করেন তিনি।
এরপর ৭২ মিনিটে হাকন এভিয়েন ব্যবধান ২-০ করেন। বোদো/গ্লিমট দুই লেগ মিলিয়ে এগিয়ে যায় ৫-১ ব্যবধানে। তবে ৭৬ মিনিটে আলেসান্দ্রো বাস্তোনি একটি গোল শোধ করলে স্কোর হয় ৫-২।
একটি গোল পেলেও ইন্টারের পক্ষে আর ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব হয়নি। ফলে গত আসরের রানার্সআপরা এবার বিদায় নিলো প্লে অফ থেকেই। অন্যদিকে রূপকথা লিখল বোদো/গ্লিমট।
১৯৯৭ সালে রোজেনবর্গ চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার পর এই প্রথম কোনো নরওয়েজিয়ান ক্লাব ইউরোপিয়ান শ্রেষ্ঠত্বের মঞ্চে এত দূর পৌঁছাল।
সেই সাথে ১৯৭১-৭২ মৌসুমে আয়াক্সের পর ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগের বাইরের প্রথম দল হিসেবে ইউরোপিয়ান শীর্ষ প্রতিযোগিতায় টানা চার ম্যাচ জিতল বোদো।
নরওয়েজীয় এই ক্লাবের ইতিহাস গড়ার রাতে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে নিউক্যাসল ইউনাইটেড, আতলেতিকো মাদ্রিদ ও বায়ার লেভারকুসেনও।



