নিউক্যাসলকে উড়িয়ে রাজকীয় বেশে শেষ আটে বার্সেলোনা

চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোর প্রথম লেগে ১-১ সমতার পর বার্সেলোনা ক্যাম্প ন্যুতে নিউক্যাসলকে ৭-২ গোলে হারিয়ে মিলিয়ে ৮-৩ ব্যবধানে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছেছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
সংগৃহীত

নিউক্যাসলকে নিয়ে রীতিমতো ছেলেখেলা করল বার্সেলোনা। ক্যাম্প ন্যুতে ইংলিশ ক্লাবটিকে ৭-২ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে তারা। তাতে রাজকীয় বেশে শেষ আটে পা রাখলো হ্যান্সি ফ্লিকের দল।

চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোর প্রথম লেগ ১-১ সমতায় শেষ হয়েছিল। ফলে দুই লেগ মিলিয়ে ৮-৩ ব্যবধানে জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠল কাতালান ক্লাবটি।

ক্যাম্প ন্যুতে ফেরার পর আগের ১২ ম্যাচে হারেনি বার্সা। ফলে আত্মবিশ্বাসের কমতি ছিল না তাদের। যা ধরে রেখে নিউক্যাসেলের বিপক্ষে ৭ গোল দিয়েছে বার্সা। জোড়া গোল করেন রাফিনিয়া ও লেভানডফস্কি।

পুরো ম্যাচে প্রায় ৬৩ শতাংশ পজিশন রেখে গোলের জন্য ১৮টি শট নিয়ে ১৩টি লক্ষ্যে রাখতে পারে বার্সেলোনা। আর নিউক্যাসলের আট শটের পাঁচটি লক্ষ্যে ছিল।

দারুণ এক আক্রমণে ষষ্ঠ মিনিটেই এগিয়ে যায় বার্সেলোনা। মাঝমাঠ থেকে লামিনে ইয়ামালের পাস রাফিনিয়া পাঠান ফের্মিন লোপেসকে। এরপর ফিরতি পাস থেকে জাল খুঁজে নেন রাফিনিয়া।

১৫ মিনিটে সমতায় ফেরে নিউক্যাসল। তাদের হয়ে বল জালে পাঠান অ্যান্থনি এলাঙ্গা। দুই মিনিট পরই অবশ্য লিড পুনরুদ্ধার করে স্বাগতিকরা। ফ্রি-কিক থেকে ভলিতে বল জালে পাঠান মার্ক বের্নাল।

২৮তম মিনিটে আবার সমতায় ফেরে সফরকারীরা। আবারো জালে বল পাঠান এলাঙ্গা। স্কোর তখন ২-২। তবে প্রথমার্ধের শেষ কিকে পেনাল্টি থেকে বার্সেলোনাকে এগিয়ে নেন ইয়ামাল।

বক্সে রাফিনিয়াকে ফেলে দেয়ায় পেনাল্টি দিয়েছিলেন রেফারি। তবে নিজে পেনাল্টি না নিয়ে ইয়ামালের হাতে বল তুলে দেন রাফিনিয়া। যা থেকে গোল করতে ভুল করেননি তিনি।

দ্বিতীয়ার্ধ ছিল একপেশে। ৫১ মিনিটে রাফিনিয়ার সহায়তায় গোল করেন ফের্মিন লোপেস। ৫৬তম মিনিটে সেই রাফিনিয়ার কর্নারে হেডে ব্যবধান আরো বাড়ান লেভানডফস্কি।

চার মিনিট পর ইয়ামালের পাস বক্সে পেয়ে নিজের দ্বিতীয় গোলটিও করেন এই পোলিশ তারকা। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতার গোল সংখ্যা হলো মোট ১০৯টি।

এদিকে ৭২তম মিনিটে প্রতিপক্ষের ভুলে বল পেয়ে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন রাফিনিয়া। বাকি সময়ে ব্যবধান আরো বাড়ানোর সুযোগও এসেছিল, কিন্তু কাজে লাগাতে পারেননি ইয়ামালরা।