আজ এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে মাঠে নামছে বাংলাদেশ

আজ নিজেদের শেষ ম্যাচে সিঙ্গাপুরের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। সিঙ্গাপুরের জাতীয় স্টেডিয়ামে সন্ধ্যা ৬টায় শুরু হবে খেলা।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
জামাল ভূঁইয়া ও তার সতীর্থরা
জামাল ভূঁইয়া ও তার সতীর্থরা |নয়া দিগন্ত

এশিয়ান কাপের মূল পর্ব খেলার স্বপ্ন আগেই ফুরিয়েছে বাংলাদেশের। এক ম্যাচ হাতে রেখেই নিশ্চিত হয় বিদায়। আনুষ্ঠানিকতার ম্যাচটি আজ খেলতে যাচ্ছে লাল সবুজের দল।

আজ মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) নিজেদের শেষ ম্যাচে সিঙ্গাপুরের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। সিঙ্গাপুরের জাতীয় স্টেডিয়ামে সন্ধ্যা ৬টায় শুরু হবে খেলা।

গ্রুপের শীর্ষে থেকে বাছাই পেরিয়ে মূল পর্বে জায়গা নিশ্চিত করেছে সিঙ্গাপুর। পাঁচ ম্যাচে ১১ পয়েন্ট তাদের। এদিকে পাঁচ ম্যাচে একটি জয় ও দু’টি ড্রয়ে পাঁচ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তৃতীয় স্থানে আছে বাংলাদেশ। আট পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে থাকা হংকংকে পেছনে ফেলে দ্বিতীয় হতে হলে সিঙ্গাপুরকে হারাতেই হবে হাভিয়ের কাবরেরার দলকে। সেই লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামতে চান জামাল ভূঁইয়া ও তার সতীর্থরা।

তবে ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে দুই দলের ব্যবধান বেশ। বাংলাদেশ ১৮১তম এবং সিঙ্গাপুর ১৪৮তম। এছাড়া প্রথম লেগে ঢাকায় বাংলাদেশকে ২-১ গোলে হারিয়েছিল তারা। ওই ম্যাচে শুরুতে এগিয়ে গিয়েও শেষ পর্যন্ত রক্ষণভাগের ভুলে হার মানতে হয়েছিল লাল-সবুজদের। এবার সেই হারের প্রতিশোধ নেয়ার সুযোগ হামজা চৌধুরী, জামাল ভূঁইয়াদের সামনে।

চলতি বাছাইয়ে তিন জয়ের তিনটিই সিঙ্গাপুর পেয়েছে প্রতিপক্ষের মাঠে। তবে পাঁচ ম্যাচের অজেয়যাত্রায় দু’টি ড্র তারা করেছে ঘরের মাঠে। অন্যদিকে বাছাইয়ে প্রতিপক্ষের মাঠে বাংলাদেশও হারেনি; ভারত ও হংকংয়ের বিপক্ষে ড্র করেছে কাবরেরার দল। আজ সিঙ্গাপুরের বিপক্ষেও তেমন কিছুই করতে চায় দল।

কাবরেরা সাম্প্রতিক সময়ে দলে নতুন মাত্রা এনেছেন। ইংল্যান্ডে খেলা হামজা চৌধুরী ও কানাডা প্রবাসী শমিত সোম দলে যোগ দেয়ায় মাঝমাঠে আগের চেয়ে বেশি নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

কাবরেরা জানান, সিঙ্গাপুর ম্যাচটিকে তিনি শুধু আনুষ্ঠানিকতা হিসেবে দেখছেন না। তার ভাষায়, এটি বাংলাদেশের জন্য নিজেদের শক্তি যাচাইয়ের ও নতুন সমন্বয়কে মাঠে প্রমাণ করার সুযোগ।

তিনি বলেন, ‘আমরা জানি সিঙ্গাপুর শক্তিশালী দল। তারা ইতোমধ্যে এশিয়ান কাপে জায়গা নিশ্চিত করেছে। কিন্তু আমরা এখানে ভালো ফলের জন্যই এসেছি। ভিয়েতনামের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে খেলা আমাদের প্রস্তুতিতে সাহায্য করেছে।’

বাংলাদেশ কোচের সবচেয়ে বড় ভরসার জায়গা এখন মাঝমাঠ। যেখানে সবচেয়ে বড় শক্তি ইংল্যান্ড প্রবাসী মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরীর। তবে হামজাকে নিয়ে বাড়তি উত্তেজনা থাকলেও কাবরেরা সতর্ক।

তিনি জানিয়েছেন, ইনজুরি থেকে সদ্য ফিরে আসা হামজাকে নিয়ে ঝুঁকি নিতে চান না। বলেন, ‘হামজা ভালো আছে। তবে সে মাত্রই এসেছে। আবহাওয়া, সময়ের পার্থক্য এবং ম্যাচ ফিটনেসের সাথে মানিয়ে নিতে তার কিছুটা সময় লাগবে। আমরা তার অবস্থা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেব।’