আবারো ফাইনালে বাংলাদেশ, প্রতিপক্ষ ভারত

বাংলাদেশ দল এই তিন ম্যাচে ১৮ গোল করেছে। পক্ষান্তরে কোনো গোল হজম করেনি।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
এবারের আগে দুইবার সাফের ফাইনাল খেলেছে বাংলাদেশ
এবারের আগে দুইবার সাফের ফাইনাল খেলেছে বাংলাদেশ |সংগৃহীত

আবারো ফাইনালে বাংলাদেশ। নেপালমে হারিয়ে ফের সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে অনূর্ধ্ব-১৯ দল। ফাইনালে জুনিয়র টাইগ্রেসদের প্রতিপক্ষ ভারত।

বুধবার পোখারার রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে নেপালকে ৪-০ গোলে হারিয়েছে অর্পিতা-মুনকিরা। ফলে টানা তিন জয়ে পূর্ণ ৯ পয়েন্ট নিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশ।

আজ দিনের প্রথম ম্যাচে ৮-০ গোলে ভুটানকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে ভারত। আগামী শনিবার একই মাঠে ভারতের বিপক্ষে ফাইনাল খেলবে বাংলাদেশ।

এবারের আগে দুইবার সাফের ফাইনাল খেলেছে বাংলাদেশ। দুটিতেই প্রতিপক্ষ ছিল ভারত। ২০২১ সালে ভারতকে হারিয়ে শিরোপা জিতলেও ২০২৪ আসরে যৌথ চ্যাম্পিয়ন হয় দুই দল।

‎ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে তৃতীয় মিনিটেই ম্যাচে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। মামনি চাকমার কর্নার শট থেকে নিখুঁত হেডে গোল করেন প্রতিমা মুন্ডা। তবে এরপর বাড়ে অপেক্ষা।

প্রথম গোল হজমের পর রক্ষণে মনোযোগ বাড়ায় নেপাল। ফলে দ্বিতীয় গোল পেতে অপেক্ষা করতে হয় প্রথমার্ধের শেষ পর্যন্ত। বিরতির ঠিক আগে গোল করেন আলপি।

যোগ করা সরাসরি ফ্রি-কিক থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন তিনি। ২-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় বাংলাদেশের মেয়েরা।

দ্বিতীয়ার্ধেও আধিপত্য কমেনি টাইগ্রেসদের। আর খেলায় ফিরতে পারেনি নেপাল। উল্টো ৬৭ মিনিটে আলপি কাউন্টার অ্যাটাক থেকে দারুণ দক্ষতায় গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন।

এরপর ৮২তম মিনিটে হ্যাটট্রিক পূরণ হয় আলপির। বাংলাদেশের স্কোর হয় ৪-০। এ নিয়ে এবারের টুর্নামেন্টে তিন ম্যাচে ৭ গোল হয়েছে আলপির।

শেষ দিকে এই আলপিকে পেছন থেকে টেনে ধরে লাল কার্ড দেখেন নেপালের মায়া মাসকি। তবে বাংলাদেশ দল আর গোল পায়নি।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ দল এই তিন ম্যাচে ১৮ গোল করেছে। পক্ষান্তরে কোনো গোল হজম করেনি।