হঠাৎ করেই পাকিস্তানে গিয়েছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। তবে পিসিবি ও আইসিসির সাথে ঝটিকা এই সফর ছিল বেশ কার্যকর। জোড়া জয় নিয়ে ফিরেছেন বিসিবি।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেলায় যে শাস্তির শঙ্কায় ছিল বাংলাদেশ, তা কেটে গেছে। আইসিসির পক্ষ থেকে নিশ্চয়তা মিলেছে কোনো শাস্তি না হওয়ার।
একইসাথে প্রাপ্তি হিসেবে একটি বৈশ্বিক আসর আয়োজনের সুযোগও পাচ্ছে বাংলাদেশ। ২০২৮ সাল থেকে ২০৩১ সালের মাঝে বাংলাদেশে গড়াবে বিশ্বকাপ।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) আনুষ্ঠানিক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ ব্যাপারে জানিয়েছে বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা- আইসিসি।
এতে বলা হয়েছে—
“এই বিষয়ে একমত হওয়া গেছে যে, বর্তমান বিষয়ের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ওপর কোনো আর্থিক, ক্রীড়াগত বা প্রশাসনিক জরিমানা আরোপ করা হবে না।
একইসাথে সম্মত হওয়া গেছে যে, বিসিবি চাইলে বিরোধ নিষ্পত্তি কমিটির (ডিআরসি) কাছে যাওয়ার অধিকার সংরক্ষণ করে। এই অধিকার বর্তমান আইসিসি বিধিমালার আওতায় বিদ্যমান।
এই সমঝোতার অংশ হিসেবে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, ২০৩১ বিশ্বকাপের আগে বাংলাদেশ একটি আইসিসি ইভেন্ট আয়োজন করবে, যা আইসিসির প্রচলিত আয়োজক নির্বাচন প্রক্রিয়া, সময়সূচি ও পরিচালনাগত শর্তাবলীর সাপেক্ষে হবে।
যা আয়োজক হিসেবে বাংলাদেশের সক্ষমতার ওপর আস্থার প্রতিফলন ও দেশের ক্রিকেট উন্নয়নে আইসিসির সদস্যদের মাঝে অর্থবহ আয়োজক সুযোগ প্রদানের প্রতিশ্রুতিকে আরো জোরালো করে।”
আইসিসির প্রধান নির্বাহী সনযোগ গুপ্তা এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অনুপস্থিতি দুঃখজনক। তবে এটি বাংলাদেশকে একটি প্রধান ক্রিকেট জাতি হিসেবে আইসিসির দীর্ঘস্থায়ী অঙ্গীকারকে পরিবর্তন করবে না।’
‘বিসিবিসহ গুরুত্বপূর্ণ অংশীজনদের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে আমরা দেশটির ক্রিকেটের টেকসই উন্নয়ন এবং খেলোয়াড় ও সমর্থকদের জন্য ভবিষ্যৎ সুযোগ আরো শক্তিশালী করার দিকে মনোনিবেশ করে যাচ্ছি।’



