ইতিহাস গড়া হলো না নেপালের। খুব কাছে গিয়েও লেখা হলো না ইংলিশ বধ মহাকাব্য। সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের কাঁপিয়ে দিয়েছে নেপাল, মাত্র ৪ রানের জন্য পারেনি অঘটন ঘটিয়ে দিতে।
রোববার ওয়াংখেড়েতে শিরোপা পুনরুদ্ধারে মাঠে নামে ইংল্যান্ড। ইংলিশরা মুখোমুখি হয় হয় তুলনামূলক অনেক দুর্বল দল নেপালের। তবে দুর্বলতা বুঝতে দেয়নি মোটেও, লড়াই করেছে সমানতালে।
আগে ব্যাট করে ইংল্যান্ডের করা ৭ উইকেটে ১৮৪ রানের বিপরীতে ৬ উইকেটে ১৮০ রান তুলে ফেলে নেপাল। শেষ ৮ বলে ১১ রানের সমীকরণ মেলাতে না পারার খেসারত দিতে হয়েছে তাদের।
ব্যাট করতে নেমে ৫ রানেই ফিল সল্টকে (১) হারিয়ে ফেলে ইংল্যান্ড। এরপর জস বাটলার ও জ্যাকব বেথেলের ব্যাটে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় ইংলিশরা। ১৭ বলে ২৬ রান করে দলীয় ৪৩ রানের মাথায় আউট হন বাটলার।
এরপর টম ব্যান্টন ফেরেন দ্রুত (২)। তবে বেথেল ও হ্যারি ব্রুক ৭১ রানের জুটি গড়েন। বেথেল ৩৫ বলে ৫৫ রানের ইনিংস খেলে আউট হন। আর ৩২ বলে ৫৩ রানের ইনিংস খেলেন হ্যারি ব্রুক।
শেষ দিকে ১৮ বরে ৩৯ রানে অপরাজিত থাকেন উইল জ্যাকস। নেপালের হয়ে দিপেন্দ্র সিং আইরি ও নন্দন যাদব ২টি করে উইকেট নেন।
রান তাড়ায় শুরুতে ঝড় তোলেন কুশল ভুর্তেল। তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি, ফেরেন ১৭ বলে ২৯ রান নিয়ে। অন্য ওপেনার আসিফ শেখ ৯ বলে ৭ রান করে আউট হন।
এরপর পাল্টা আক্রমণ শুরু করেন রোহিত পাউডেল ও দিপেন্দ্র সিং আইরি। মাত্র ৫৪ বলে তারা গড়ে তোলেন ৮২ রানের জুটি। একপর্যায়ে লক্ষ্য মাত্রা নেমে আসে ৩৬ বলে ৬২ রানে।
তখন আঘাত হানেন স্যাম কারান। ২৯ বলে ৪৪ রান করা আইরিকে ফিরিয়ে দেন তিনি। পরের ওভারে ৩৪ বলে ৩৯ রান করা রোহিতও ফিরে পিছিয়ে পড়ে নেপাল। তবে হাল ধরেন লোকেশ বাম।
৩ ওভারে ৪৬ রানের সমীকরণ নামিয়ে নিয়ে আসেন ৮ বলে ১১ রানে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই চাপে পড়ে যায় দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড। তবে এই সময় নায়ক হয়ে ওঠেন স্যাম কারান।
শেষ ওভারে ১০ রান আটকাতে নেমে দিলেন মাত্র ৫ রান। তাতেই হারের শঙ্কা এড়িয়ে জয় পায় ইংল্যান্ড। ২০ বলে ৩৯ রানে অপরাজিত থাকেন লোকেশ বাম।



