২০১১ সালে অভিষেকের পর থেকে ২০২১ পর্যন্ত কলকাতা নাইট রাইডার্স ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে দাপটের সাথে আইপিএলে খেলেছেন সাকিব আল হাসান।
আইপিএলে মোট ৭১ ম্যাচ খেলে সাকিব ১৯.৮২ গড়ে ও ১২৪.৪৮ স্ট্রাইকরেটে করেছেন ৭৯৩ রান। অবশ্য আইপিএলে বোলিংয়েই বেশি কার্যকরী ছিলেন তিনি।
বাঁহাতি স্পিনে ৭.৪৩ ইকোনমিতে শিকার করেছেন মোট ৬৩টি উইকেট। কলকাতার হয়ে ২০১২ ও ২০১৪ সালে দুবার শিরোপাও জেতেন তিনি। যার স্বীকৃতি হিসেবে এবার ঠাঁই পেলেন আইপিএলের সেরা একাদশে।
বৃহস্পতিবার ‘ক্রিকেটের বাইবেল’ খ্যাত ম্যাগাজিন উইজডেন এশিয়ার (ভারত বাদে) ক্রিকেটারদের নিয়ে আইপিএলের সর্বকালের সেরা একাদশ প্রকাশ করেছে। যেখানে একমাত্র বাংলাদেশী হিসেবে আছেন সাকিব।
উইজডেনের আইপিএল সেরা একাদশে শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটারদের আধিপত্য বেশি, মোট ছয়জন ক্রিকেটার এই তালিকায় জায়গা পেয়েছেন। পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের দুজন করে ক্রিকেটার আছেন।
ওপেনিং জুটিতে আছেন সনাথ জয়াসুরিয়া ও রাহমানউল্লাহ গুরবাজ। তিন ও চার নম্বরে রয়েছেন দুই কিংবদন্তি কুমার সাঙ্গাকারা ও মাহেলা জয়াবর্ধনে। সাকিব ব্যাটিং করবেন পাঁচ নম্বরে।
অলরাউন্ডার বিভাগে ছয় ও সাত নম্বরে রয়েছেন আজহার মেহমুদ ও থিসারা পেরেরা। পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের আইপিএলে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও আজহার যুক্তরাজ্যের পাসপোর্টে ২০১২ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন।
অন্যদিকে পেরেরা ছয়টি ভিন্ন দলের হয়ে খেলেছেন। বোলিংয়ের চেয়ে ব্যাটিংয়ে শেষের দিকে ঝড় তুলে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারেন তিনি।
স্পিন বোলিং আক্রমণে লঙ্কান কিংবদন্তি মুত্তিয়া মুরালিধরনের সাথে আছেন রশিদ খান। রশিদ তার লেগস্পিনের জাদুর পাশাপাশি ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে কার্যকরী হতে পারেন।
আছেন দুই পেসার লাসিথ মালিঙ্গা ও সোহেল তানভীর। ২০০৮ সালে আইপিএলের প্রথম মৌসুমে সর্বোচ্চ ২২ উইকেট নিয়েছিলেন তানভীর। রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে সেবার জিতেছিলেন শিরোপা।
উইজডেনের আইপিএলের এশিয়ার সেরা একাদশ
সনাথ জয়াসুরিয়া, রাহমানউল্লাহ গুরবাজ, কুমার সাঙ্গাকারা, মাহেলা জয়াবর্ধনে, সাকিব আল হাসান, আজহার মেহমুদ, থিসারা পেরেরা, রশিদ খান, মুত্তিয়া মুরালিধরন, সোহেল তানভীর, লাসিথ মালিঙ্গা।



