বিশ্বকাপে জয় পেতে মন্দির, গুরুদ্বারে প্রার্থনার পর এবার বিশ্বকাপ নিয়েই মুম্বাইয়ের সিদ্ধিবিনায়ক মন্দিরে গেলেন ভারতীয় কোচ গৌতম গম্ভীর ও অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। শুধু তাই নয়; তাদের সাথে ছিলেন আইসিসির প্রেসিডেন্ট জয় শাহও।
শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে মন্দিরটিতে যান তারা। এ উপলক্ষে আগে থেকেই সেখানকার নিরাপত্তা জোরদার ছিল। মন্দিরে গিয়ে গণেশের পূজা দেন তারা। এ সময় ট্রফির ওপর মালা পরানো ছিল। মন্দির কর্তৃপক্ষের সাথে ছবিও তোলেন ভারতের কোচ, অধিনায়ক।
এর আগে, গত রোববার বিশ্বকাপ জেতার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সূর্যদের দেখা মিলেছিল মন্দিরে। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামের পাশেই রয়েছে হনুমান টেকরি মন্দির। সেখানেই পূজা দিতে গিয়েছিলেন গম্ভীর ও সূর্য। ছিলেন জয় শাহও। তিনজন মিলে পূজা দেন। সূর্যের গলায় ছিল গাঁদা ফুলের মালা। পূজা দেয়ার পর আবার স্টেডিয়ামে ফেরেন তারা। সেখান থেকে দলের সাথে হোটেলে যান কোচ ও অধিনায়ক।
ভারতীয় দলের কোচ হওয়ার পর থেকে গম্ভীরের পূজা দেয়ার ট্র্যাডিশন চলছে। যেখানেই খেলা থাকুক, স্থানীয় মন্দিরে পূজা দিতে চলে যান ভারতীয় দলের কোচ। কখনো কলকাতার কালীঘাটে, কখনো পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে, কখনো গোহাটির কামাখ্যা, আবার কখনো মুম্বাইয়ের সিদ্ধিবিনায়ক মন্দিরে দেখা যায় গম্ভীরকে। তার সাথে কখনো সূর্য থাকেন, তো কখনো সহকারী সীতাংশু কোটাক। বিশ্বকাপ জেতার পরেও সেই ছবি দেখা যাচ্ছে।
গম্ভীরদের এই মন্দিরে যাওয়া নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনাও হচ্ছে। প্রকাশ্যে এই ঘটনার নিন্দা করেছেন ভারতের ১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটার কীর্তি আজাদ। তাতে যে গম্ভীরেরা কান দিচ্ছেন না, তা তাদের আজকের মন্দিরে যাওয়া থেকেই স্পষ্ট। সূত্র : আনন্দবাজার



