সবকিছু ঠিক থাকলে আজ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী দিনেই মাঠে নামার কথা ছিল বাংলাদেশের। তবে সবকিছু ঠিক থাকেনি, নিরাপত্তা শঙ্কায় বিশ্বকাপে অংশ নেয়নি টাইগাররা। তাদের বদলে খেলছে স্কটল্যান্ড।
তবে সেই স্কটিশদের শুরুটা ভালো হয়নি। প্রথম ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে হেরেছে ৩৫ রানের বড় ব্যবধানে। ক্যারিবীয়দের ১৮২ রান তাড়ায় ১৮.৫ ওভারে ১৪৭ রানে গুটিয়ে গেছে স্কটল্যান্ড।
এই ম্যাচে হ্যাটট্রিক গড়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের রোমারিও শেফার্ড। আর তাতেই ব্রেট লি, কার্টিস ক্যাম্ফার, কাগিজো রাবাদা, প্যাট কামিন্স, ক্রিস জর্ডানদের কাতারে এবার নাম লেখালেন তিনি।
১৭ তম ওভারে বল করতে এসে পরপর তিন বলে ম্যাথিউ ক্রস, ওলিভার দাভিদসন ও মাইকেল লেস্ককে ফেরান শেফার্ড। ওই ওভারের শেষ বলে নেন আরো এক উইকেট। সব মিলিয়ে ২০ রানে নেন ৫ উইকেট।
কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে ক্যারিবীয় দুই ওপেনার ব্র্যান্ডন কিং ও শাই হোপ অবশ্য খেলতে থাকেন ধীরগতিতে। ২২ বলে ১৯ রান করে শাইহোপ ফিরলে ভাঙে ৫০ বলে ৫৪ রানের এই জুটি। পরের ওভারেই ৩০ বলে ৩৫ রান করা ব্র্যান্ডন কিংকে সাজঘরে ফেরান ওলিভার ডেভিডসন। তৃতীয় উইকেট জুটিতে ৩৭ বলে ৮১ রান যোগ করেন রোভম্যান পাওয়েল ও হেটমায়ার।
বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে দ্রুততম ফিফটি করেন হেটমায়ার। ২০০৯ সালে ২৩ বলে হাফ-সেঞ্চুরি করা ক্রিস গেইলকে ছাড়িয়ে ২২ বলে ফিফটি করেন হেটমায়ার। শেষ পর্যন্ত করেন ৩৬ বলে ৬৪ রান করেন এই ব্যাটার।
রোভম্যান পাওয়েল ও শেরফানে রাদারফোর্ড যথাক্রমে ১৪ বলে ২৪ ও ১৩ বলে ২৬ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৮২ রানের সংগ্রহ পায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
রান তাড়ায় পাওয়ার প্লেতে ৩৮ রান তুলতেই ৩ উইকেট হারায় স্কটল্যান্ড। এরপর চতুর্থ উইকেটে টম ব্রুস ও বেরিংটনের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় স্কটিশরা। ৪৬ বলে ৭৮ রান যোগ করেন তারা। দলীয় ১১৫ রানে বেরিংটনকে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন জেসন হোল্ডার। ২৪ বলে ৪২ করে আউট হন তিনি। এরপর ৩২ রান তুলতেই শেষ ৬ উইকেট হারায় তারা। ২৮ বলে ৩৫ রান করেন ব্রুস।



