বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) চ্যাম্পিয়ন হিসেবে গ্লোবাল সুপার লিগে খেলতে চায় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। সেই লক্ষ্যে ইতোমধ্যে নিজেদের প্রস্তুত করছে দলটি।
নিজেদের আগ্রহের কথা ইতোমধ্যেই বিসিবিকে জানিয়েছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। পাশাপাশি জিএসএলের টুর্নামেন্ট কমিটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ইমেইল করেছে ফ্রাঞ্চাইজিটি।
মেইল করলেও অবশ্য এখনো জিএএসএল থেকে জবাব পায়নি বিপিএল চ্যাম্পিয়নরা। জানা গেছে, এবারের আসরে বাংলাদেশ থেকে ফ্রাঞ্চাইজি নিতে অনীহা দেখাচ্ছে টুর্নামেন্ট কর্তৃপক্ষ।
অথচ টুর্নামেন্টের প্রথম দুই আসরেই ছিল বাংলাদেশ। অংশ নেয় রংপুর রাইডার্স। প্রথম আসরে চ্যাম্পিয়নও হয় লাল-সবুজের প্রতিনিধিত্ব করা দলটি। গত আসরেও ওঠে ফাইনালে।
তবে চার দলের এই টুর্নামেন্টে এবার বাংলাদেশ থেকে এখনো কাউকে আমন্ত্রণ জানায়নি জিএসএল। বিপিএল ছাড়াই এখন পর্যন্ত তিনটি ফ্র্যাঞ্চাইজি চূড়ান্ত করেছে টুর্নামেন্ট কমিটি।
অংশ নেয়া তিন ফ্রাঞ্চাইজি হলো- বিগ ব্যাশের পার্থ স্কচার্স, আইএল টি-টোয়েন্টির ডেজার্ট ভাইপার্স ও স্বাগতিক গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্স।
চতুর্থ দল হিসেবে সাউথ আফ্রিকার এসএ টোয়েন্টি লিগের সানরাইজার্স ইস্টার্ন কেপকে আমন্ত্রণ জানালেও তারা আগ্রহ দেখায়নি। ফলে এখনো সুযোগের অপেক্ষায় আছে বিপিএল চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।
এ প্রসঙ্গে এক গণমাধ্যমকে রাজশাহীর প্রধান কোচ হান্নান সরকার বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে যেভাবে যোগাযোগ করা বা আগ্রহ দেখানো দরকার সেটা আমরা করেছি। ইমেইলের মাধ্যমে আমরা আগ্রহ প্রকাশ করেছি।
তিনি বলেন, পাশাপাশি ক্রিকেট বোর্ডকেও জানিয়েছি। বাকিটা আমরা এখনো জানি না। তবে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের পক্ষ থেকে আমাদের শতভাগ ইচ্ছে আছে জিএসএলে অংশ নেয়ার।
হান্নান আরো বলেন, জিএসএলের সাথে আমাদের দলের পক্ষ থেকে যে ধরনের যোগাযোগ করা প্রয়োজন সেটা আমরা করেছি। কিন্তু এখনো পর্যন্ত খুব সম্ভবত কোনো জবাব আসেনি আমাদের কাছে।
রাজশাহী জিএসএলে অংশ নিতে চায়- এমন খবর শুনেই ফ্র্যাঞ্চাইজিটির সাথে যোগাযোগ করেছেন বেশ কয়েকজন বিদেশী ক্রিকেটার। তবে এখনো দল পাওয়া নিশ্চিত না হওয়ায় তাদের সাথে কথা এগোতে পারছে না রাজশাহী।
এমন তথ্য জানিয়ে হান্নান বলেন, রাজশাহীতে খেলে গেছেন এমন বিদেশী ক্রিকেটাররা ইতোমধ্যে জানে আমরা জিএসএল খেলার ব্যাপারে আগ্রহী। তার মাঝে কিছু বড় নামও রয়েছে। তারা আমাকে জানিয়েছেন ক্রিকেটাররা ওই সময় ফ্রি থাকবেন।



