শাহিনের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুললেন আফ্রিদি, এবার বোর্ডের সমালোচনা

আফ্রিদির এই কথার পর পাকিস্তানের ক্রিকেট সমর্থকদের একটা অংশের দাবি, জামাইয়ের ব্যর্থতা ঢাকতেই এই কাজ করেছেন আফ্রিদি। শাহিনের অধিনায়কত্বে অজস্র ভুল হয়েছে। তার খেসারত দিতে হয়েছে দলকে। শাহিনের সমালোচনাও হয়েছে। সেই কারণেই আফ্রিদি সব দোষ নির্বাচকদের ওপর চাপিয়ে দিলেন বলে মনে করছেন তারা।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
শহিদ খান আফ্রিদি ও শাহিন শাহ আফ্রিদি
শহিদ খান আফ্রিদি ও শাহিন শাহ আফ্রিদি |সংগৃহীত

জামাই শাহিন শাহ আফ্রিদিকে কেন পাকিস্তানের ওয়ানডে দলের অধিনায়ক করা হয়েছে, সেই প্রশ্ন তুললেন শ্বশুর শহিদ খান আফ্রিদি। সরাসরি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ও নির্বাচকদের সমালোচনা করলেন তিনি। তার মতে, নির্বাচকরা জানেন না কোন ফরম্যাটে কাকে অধিনায়ক করা উচিত। এমনকি, দল নির্বাচনেও গলদ হয়েছে বলে দাবি তার।

এক্স মাধ্যমে একটি ভিডিওবার্তায় নিজের মতামত জানিয়েছেন আফ্রিদি। তিনি বলেন, ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও তার পর বাংলাদেশ সিরিজ দেখুন। আমার মনে হয়, সব দোষ নির্বাচকদের। তারা এত ক্রিকেট খেলেছেন। কিন্তু জানেনই না, কাকে কোন ফরম্যাটে অধিনায়ক করা উচিত। শাহিনকে কেন অধিনায়ক করা হলো? ওয়ানডে ক্রিকেটের কী অভিজ্ঞতা তার আছে? টি-টোয়েন্টি হলে বুঝতাম। কিন্তু ৫০ ওভারের ক্রিকেটে এই সিদ্ধান্ত ঠিক হয়নি।

আফ্রিদির এই কথার পর পাকিস্তানের ক্রিকেট সমর্থকদের একটা অংশের দাবি, জামাইয়ের ব্যর্থতা ঢাকতেই এই কাজ করেছেন আফ্রিদি। শাহিনের অধিনায়কত্বে অজস্র ভুল হয়েছে। তার খেসারত দিতে হয়েছে দলকে। শাহিনের সমালোচনাও হয়েছে। সেই কারণেই আফ্রিদি সব দোষ নির্বাচকদের ওপর চাপিয়ে দিলেন বলে মনে করছেন তারা।

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচকরা দল নির্বাচনেও ভুল করেছেন বলে অভিযোগ আফ্রিদির। পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক বলেন, দলের খোলনলচে বদলাতে গিয়ে অনেক ভুল হয়েছে। টি-টোয়েন্টিতে ভালো খেলতে না পারলেও একদিনের দলে খেলার যোগ্য বেশ কয়েকজন সিনিয়র ক্রিকেটারকে নেয়া হয়নি। অথচ তারা এই দলে খেলার যোগ্য। তার বদলে এমন কিছু তরুণকে নেয়া হয়েছে, যাদের ঘরোয়া ক্রিকেট খেলার তেমন অভিজ্ঞতাও নেই। তারা সরাসরি পাকিস্তান দলে চলে আসছে। পাকিস্তানের জার্সি পরে খেলছে। তাতে দলেরই ক্ষতি হচ্ছে। দলে নয়, নির্বাচক কমিটিতে বদল দরকার।

পাকিস্তানের হয়ে শেষ ওয়ানডে সিরিজে শতরান করেছিলেন বাবর আজম। কিন্তু বিশ্বকাপে খারাপ খেলায় বাংলাদেশ সিরিজের দলে জায়গা হয়নি তার। জায়গা পাননি সাইম আইয়ুবও। তাদের বদলে মাআজ সাদাকাত, শামিল হুসেইন, গাজি ঘোরি, সাহিবজাদা ফারহানদের খেলানো হয়েছে। তারা মূলত টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটই খেলেন। এই সিদ্ধান্ত ভুল হয়েছে বলে বোর্ড ও বোর্ডের নির্বাচকদের সমালোচনা করেছেন আফ্রিদি।