আফগানিস্তানকে উড়িয়ে বিশ্বকাপ শুরু নিউজিল্যান্ডের

টিম সেইফার্টকে সাথে নিয়ে চারে নামা গ্লেন ফিলিপস গড়েন ৭৪ রানের জুটি। ২৫ বলে ৪২ রান করে ফিলিপস শিকার হন রশিদের। তবে অন্যদিকে সেইফার্টও তুলে নেন অর্ধশতক। নবির বলে ৪২ বলে ৬৫ রান করে সেইফার্ট বিদায় নিলে ১২৪ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় ব্ল্যাকক্যাপসরা।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
জয়ের নায়ক টিম সেইফার্ট
জয়ের নায়ক টিম সেইফার্ট |সংগৃহীত

গুলবাদিন নায়েবের ব্যাটে বড় পুঁজিই গড়েছিল আফগানিস্তান। জয়ের জন্য এরপর প্রয়োজন ছিল কেবল ভালো বোলিং, তবে তা করতে পারেননি রশিদ খানরা। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে গেছে আফগানরা।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) নিজেদের প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের কাছে ৫ উইকেটে হেরেছে আফগানিস্তান। তাদের দেয়া ১৮৩ রানের লক্ষ্য কিউইরা পেরিয়ে গেছে ১৭.৫ ওভারেই।

চেন্নাইয়ের এম এ চিদম্বরম স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন রশিদ খান। তার সিদ্ধান্ত সঠিক প্রমাণ করেন সতীর্থ ব্যাটাররা। কিউই বোলারদের শাসিয়েছেন গুলবাদিন নাইব। গুলবাদিন নাইব খেলেন ৩৫ বলে সর্বোচ্চ ৬৩ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৯ রান করেন সেদিকুল্লাহ আতাল। ২৭ রান আসে রহমানউল্লাহ গুরবাজের ব্যাট থেকে। ২০ রান করেন দারউইশ রাসুলি।

শেষদিকে ৭ বলে ১৪ ও ১০ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলে দলের সংগ্রহ ১৮০ পার করান আজমতউল্লাহ ওমরজাই ও মোহাম্মদ নবি। অন্যদিকে কিউইদের হয়ে সর্বোচ্চ দুই উইকেট শিকার করেছেন লকি ফার্গুসন।

রান তাড়ায় ব্যাট করতে নেমে মুজিবের স্পিনে দ্বিতীয় ওভারের তৃতীয় ও চতুর্থ বলে ফিরে যান দুই কিউইদের দুই ব্যাটার ফিন অ্যালেন (১) ও রাচিন রবীন্দ্র (০)। নিউজিল্যান্ড ১৪ রানে হারায় দুই উইকেট।

এরপর টিম সেইফার্টকে সাথে নিয়ে চারে নামা গ্লেন ফিলিপস গড়েন ৭৪ রানের জুটি। ২৫ বলে ৪২ রান করে ফিলিপস শিকার হন রশিদের। তবে অন্যদিকে সেইফার্টও তুলে নেন অর্ধশতক।

নবির বলে ৪২ বলে ৬৫ রান করে সেইফার্ট বিদায় নিলে ১২৪ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় ব্ল্যাকক্যাপসরা। মার্ক চাপম্যান ১৭ বলে ২৮ রান করে বিদায় নিলেও ততক্ষণে ১৫৫ রান হয়ে যায় নিউজিল্যান্ডের।

এরপর ২৬ বলে দরকার হয় ২৮ রান। বাকি কাজটুকু সহজেই সেরে ফেলেন অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার ও ড্যারিল মিচেল। স্যান্টনার ৮ বলে ১৭ ও মিচেল করেন ১৪ বলে ২৫ রান। দু’জনই অপরাজিত থেকে দলকে এনে দেন জয়।

আফগানিস্তানের হয়ে মুজিব পান দুই উইকেট। একটি করে উইকেট গেছে ওমরজাই, রশিদ ও নবির ঝুলিতে।