গত সোমবার বিসিবির পরিচালক পদ থেকে সরে দাঁড়ান আমজাদ হোসেন। তার আগে বিসিবির আরেক পরিচালক ইশতিয়াক সাদেক পদত্যাগ করেন। দুই পরিচালকের এমন কাণ্ডে বিব্রত ক্রিকেট বোর্ড।
গত অক্টোবরে অনুষ্ঠিত বিসিবি নির্বাচন নিয়ে চলা অসন্তোষ ও কমিটির বৈধতা নিয়ে ওঠা প্রশ্নের মধ্যেই দুইজন পরিচালকের পদত্যাগ নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। যা আরো চাপে ফেলে দিয়েছে বিসিবিকে।
তবে বিসিবির সহ-সভাপতি ফারুক আহমেদ মনে করেন, এতে বোর্ডের কার্যক্রমে কোনো স্থবিরতা আসবে না। তার মতে, ব্যক্তিগত কারণে কেউ চলে গেলেও প্রতিষ্ঠান তার আপন গতিতে চলবে।
বৃহস্পতিবার মিরপুরে স্বাধীনতা দিবসের প্রীতি ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে ফারুক বলেন, ‘আমি দুইটা পদত্যাগপত্র দেখেছি। তারা একান্ত ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়েছে।’
‘আপনি জানেন আমাদের ২৫ জন ডিরেক্টর। তারা থাকলে ভালো হতো। কিংবা না থাকলে আমার মনে হয় না যে বোর্ড চলবে না। আমার মনে হয় বোর্ডের মতো চলবে বোর্ড’- যোগ করেন ফারুক।
এদিকে চলতি মাসের শুরুতে গত বিসিবি নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তদন্তে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ একটি পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে। এই বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে ফারুক বলেন-
‘যাদের চিঠি দেয়া হয়েছে তারা হলো সংক্ষুব্ধ পার্টি। আরেকটা হলো যারা আছেন তারা বলবেন সব ঠিক আছে। আর যারা নাই, তারা বলবেন সব ভুল হয়েছে।’
ঢাকার ক্লাব সংগঠক ও ক্রিকেট বোর্ডের মধ্যকার টানাপোড়েনে স্থবির হয়ে পড়েছে ঘরোয়া ক্রিকেট। প্রথম বিভাগের পর এবার প্রিমিয়ার লিগ নিয়েও দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা।
এমন অবস্থায় ক্লাবগুলোকে জেদ পরিহার করে মাঠে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন ফারুক। ‘আমি ক্লাবগুলোকে বারবার বলছি, আপনারা যেটাই করেন দিনশেষে ক্রিকেট বোর্ড থাকবে। ৪ বছরের জন্য নির্বাচিত হয়েছে। কী হবে এটা চিন্তা না করে ক্রিকেটটা মাঠে গড়ানো দরকার।’
‘আমি ক্লাবগুলোকে এখনো অনুরোধ করব। সময় চলে গেলে কিন্তু এটা আর আসবে না। হয়তোবা ক্রিকেট বোর্ড বদলে গেল একটা সময়, কিন্তু এই সময়টা কোথায় পাবেন?’
‘এজন্য বারবার বলছি ও খেলোয়াড়দের আমি মনে করি আরো সক্রিয় হয়ে তাদের নির্দিষ্ট যে যে ক্লাব আছে তাদের সাথে যোগাযোগ করা উচিত। এখানে ক্রিকেট বোর্ডের কিচ্ছু করার নেই।’



