আধুনিকায়নের পথে আরো একধাপ এগিয়ে গেল বাংলাদেশ ক্রিকেট। দীর্ঘদিনের আক্ষেপ দূর করে, দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশে এসেছে স্পিন বোলিং মেশিন।
সোমবার (৬ এপ্রিল) মিরপুরে জাতীয় দলের স্কিল ক্যাম্পে প্রথমবার দেখা গেল এই মেশিন। যা নিয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত দেখা গেছে অনুশীলন করতে আসা ক্রিকেটারদের।
এর আগেও বাংলাদেশে দেখা গেছে বোলিং মেশিন। তবে সেগুলো দ্রুতগতির বল কিংবা বাউন্সার খেলার জন্য উপযোগী করতে ব্যবহার করা হতো। এবার প্রথম দেখা গেল স্পিন বোলিং মেশিন।
স্পিন বোলিং মেশিন না থাকায়, পেস বোলিং মেশিন দিয়েই নানা কায়দায় কাজ চালিয়ে নিচ্ছিলেন কোচরা। তবে এখন থেকে আর ধামাচাপা নয়, পূর্ণ শক্তি নিয়েই প্রস্তুতি নিতে পারবে দল।
সাধারণত স্পিন বোলিং মেশিন বেশি দেখা যায় ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ডের মতো দেশে। সেই দেশগুলোতে উইকেট স্পিন বোলিং সহায়ক না হওয়ায় তারা এই মেশিন ব্যবহার করেন।
আজ গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ক্রিকেট অপারেশন্সের চেয়ারম্যান শাহরিয়ার নাফীস জানান, ১০ হাজার পাউন্ড দিয়ে কেনা হয়েছে এই মেশিন। যা বাংলাদেশী মুদ্রায় প্রায় ১৬ লাখ টাকা।
নাফীস বলেন, এই বোলিং মেশিনটার নাম মার্লিন বাইবোলা। এটা নিয়ে অনেকদিন ধরেই কথা হচ্ছিল। কিছুদিন আগেই অর্ডার করা হয়। মেশিনটা ভারি হওয়ায় ফ্লাইটের মাধ্যমে না এনে জাহাজের মাধ্যমে আনা হয়েছে।
স্পিন বোলিং মেশিনের সুবিধাগুলো কী কী তা জানালেন নাফীস। তিনি বলেন, এটা দিয়ে অফস্পিন, লেগস্পিন ও আর্মার-তিন ধরনের বল খেলা যায়। বলের লেন্থ পরিবর্তন করা যায়, পেস বাড়ানো-কমানো যায়।
‘এটা ম্যানুয়ালি বা অটোমেটিক, দুই মুডেই চালানো যায়। অটোমেটিক মুডে একসাথে ২৫-৩০টা বল খেলা যায়।’ যোগ করেন শাহরিয়ার নাফীস।



