সমীকরণ জানাই ছিল, শুধু কাজের কাজটা মাঠে করতে হতো। কঠিন হলেও তা করতে পেরেছে টাইগাররা। পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জিতে র্যাঙ্কিংয়ে লাফ দিয়েছে বাংলাদেশ।
তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচ শেষে ছিল ১-১ সমতা। শেষ ম্যাচটা তাই হয়ে উঠেছিল অলিখিত ফাইনাল। যেখানে শেষ হাসি বাংলাদেশের, রোমাঞ্চকর ম্যাচে পেয়েছে ১১ রানের জয়।
এই জয়ে ফুরিয়েছে ১১ বছরের অপেক্ষা। ২০১৫ সালে শেষবার পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জিতেছিল টাইগাররা। এরপর অবশ্য আর দ্বিপক্ষীয় ওয়ানডে সিরিজই খেলা হয়নি।
এদিকে এ সিরিজ জয়ে সরাসরি বিশ্বকাপ খেলার পথে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ। র্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি হয়েছে টাইগারদের। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে টপকে উঠে এসেছে নয় নম্বরে।
দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ায় অনুষ্ঠেয় ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপে সরাসরি জায়গা পেতে ওই বছরের ৩১ মার্চের মধ্যে র্যাঙ্কিংয়ে নয়ের মাঝে থাকতে হবে বাংলাদেশকে।
সব শেষ সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারালেও র্যাঙ্কিংয়ে দশ থেকে সামনে এগোতে পারেনি বাংলাদেশ। পার্থক্য ছিল মাত্র ১ রেটিং পয়েন্টের। তবে এখন টাইগাররা এগিয়ে আছে বেশ।
৭৬ পয়েন্ট নিয়ে সিরিজ শুরু করে ২-১ ব্যবধানে জয়ের পর এখন বাংলাদেশের রেটিং পয়েন্ট ৭৯। দশে নেমে যাওয়া ক্যারিবিয়ানদের পয়েন্ট ৭৭।
অন্যদিকে সিরিজ হারলেও পাকিস্তান রয়ে গেছে চার নম্বরেই। তবে রেটিং পয়েন্ট ১০৫ থেকে কমে হয়েছে তাদের ১০২।
আইসিসির চলমান ফিউচার ট্যুর প্রোগ্রামে ২০২৭ সালের মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশের সামনে অবশিষ্ট আছে যে পাঁচটি ওয়ানডে সিরিজ। যার দু’টি ঘরের মাঠে বাংলাদেশ, অন্য তিনটি অ্যাওয়ে।
যেখানে ঘরের মাঠে খেলবে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। আর সফর করবে জিম্বাবুয়ে, আয়ারল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকায়।


