শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ে শেষ হাসি রংপুর রাইডার্সের। রাইডার্সকে হাসালেন পেসার মোস্তাফিজুর রহমান। শেষ ওভারে ঢাকার ১০ রানের সমীকরণ মিলতে দেননি তিনি, রংপুরকে এনে দেন ৫ রানের জয়।
রোববার (৪ জানুয়ারি) সিলেটে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে টসে হেরে আগে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ১৫৫ রানের পুঁজি পায় রংপুর রাইডার্স। জবাবে ঢাকা ক্যাপিটালসের ইনিংস থামে ৪ উইকেটে ১৫০ রানে।
অথচ জয়ের জন্য সহজ লক্ষ্যই পেয়েছিল ঢাকা। উদ্বোধনী জুটিতে সেই লক্ষ্য আরো সহজ হয়ে উঠে। পাওয়ার প্লেতে ৫৪ রানের জুটি গড়েন রাহমানুল্লাহ গুরবাজ ও আব্দুল্লাহ আল মামুন।
এদিকে নিয়মিত ওপেনিংয়ে নামা সাইফ হাসান আজ আসেন তিন নম্বরে। তবে এই পজিশনেও ব্যর্থ হন তিনি। ২৪ বল খেলেও কোনো বাউন্ডারি আদায় করতে পারেননি, করেন মাত্র ১৫ রান।
দ্রুত ফেরেন শামিম পাটোয়ারীও, ১১ রানে শেষ হয় তার ইনিংস। তবে ততক্ষণে ঢাকার হাল ধরেছেন অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন। শামিম আউট হলে তিনি সাথে পান সাব্বিরকে। তখন ২ ওভারে ২৩ রান প্রয়োজন ঢাকার।
১৯ তম ওভারে ১৩ রান তুলে ম্যাচটা জমিয়ে তুলেন সাব্বির। তবে শেষ ওভারে দু’জনে মিলে আর পারেননি মোস্তাফিজকে সামলাতে। আইপিএল থেকে গতরাতে বাদ পড়া এই পেসার আজ জ্বলে উঠেন।
৩৮ বলে ৫৬ রানে অপরাজিত থাকেন মিঠুন। অন্যদিকে ৮ বলে ১২ রানে অপরাজিত ছিলেন সাব্বির।
এর আগে, ব্যাট করতে নেমে ৫.২ ওভারে ৩০ রানে ৩ উইকেট হারায় রংপুর। কাইল মায়ার্স ১১, লিটন দাস ৬ ও তাওহীদ হৃদয় ফেরেন রানের খাতা খোলার আগেই। তবে একপ্রান্ত আগলে খেলতে থাকেন ডেভিড মালান।
মালানের সাথে যোগ দেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। দু’জনের জুটি জমে উঠে বেশ। ৫৪ বলে ৭৪ রান যোগ করেন দু’জনে। মালান আউট হন ৩৩ বলে ৩৩ রান করে। ১৭.৪ ওভারে ৪১ বলে ৫১ রানে আউট হন মাহমুদউল্লাহ।
শেষ দিকে ২১ বলে ৩৮ রানের ইনিংস খেলেন খুশদিল শাহ। অন্যদিকে নুরুল হাসান সোহান অপরাজিত ছিলেন ৭ রানে। তাতেই শেষ পর্যন্ত দেড় শ’তে পৌঁছায় রংপুর। দলে হয়ে জিয়াউর রহমান শরিফি নেন ৪ ওভারে ৩৫ রান দিয়ে তুলে নেন ২ উইকেট।



