শেষ দল হিসেবে বিশ্বকাপ নিশ্চিত করল ইরাক

ইরাক এর আগে কেবল একবার বিশ্বকাপে খেলেছিল। সেটাও চার দশক আগে, ১৯৮৬ সালে। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল তারা। তিন ম্যাচে করতে পেরেছিল মোটে ১ গোল।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
ইরাক ফুটবল দল
ইরাক ফুটবল দল |সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে ম্যাচটি খেলা নিয়েই অনিশ্চয়তায় ছিল ইরাক। সব সংশয় দূর করে মাঠে নেমে দীর্ঘ চার দশকের অপেক্ষা ঘোচাল তারা। শেষ দল হিসেবে কেটেছে বিশ্বকাপের টিকিট।

বুধবার আন্তঃমহাদেশীয় প্লে-অফ ফাইনালে বলিভিয়ার বিপক্ষে ২-১ গোলে জিতেছে ইরাক। তাতে ৪০ বছর পর আবারো বিশমঞ্চে দেখা যাবে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিকে।

ইরাক এর আগে কেবল একবার বিশ্বকাপে খেলেছিল। সেটাও চার দশক আগে, ১৯৮৬ সালে। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল তারা। তিন ম্যাচে করতে পেরেছিল মোটে ১ গোল।

বলিভিয়াকে আক্ষেপে পুড়িয়ে ৪৮ দলের বিশ্বকাপে শেষ দল হিসেবে নাম লিখিয়েছে ইরাক। যদিও চেষ্টার কমতি রাখেনি বলিভিয়া, ৬৭ শতাংশ সময় বল দখলে রাখে তারাই।

গোলের জন্য ১৬টি শট করে ৭টি লক্ষ্য বরাবর রাখে লাতিন আমেরিকান দেশটি। বিপরীতে ৭ শটের ৩টি লক্ষ্যে রাখতে পারে ইরাক। তবে সেই তিন শটেই কাজের কাজ করে ফেলে।

ম্যাচের ৯ মিনিটে বক্সের বাইরে ফ্রিকিক পায় ইরাক। ফ্রি-কিক থেকে আল আমারির নেওয়া শট অবিশ্বাস্য দক্ষতায় ঠেকিয়ে বলিভিয়াকে রক্ষা করেন গোলরক্ষক গিলের্মো ভিসকারা।

তবে পরের মিনিটে ঠিকই এগিয়ে যায় ইরাক। আল-আমারির কর্নারে দারুণ হেডারে এশিয়ান দেশটিকে এগিয়ে দেন আল-হামাদি। তবে লিড ধরে রাখতে পারেনি।

৩৮ মিনিটে বলিভিয়ার হয়ে গোল করেন মইসেস পানিয়াগুয়া। তাতে ১-১ সমতাতে শেষ হয় প্রথমার্ধ।

দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে ৫৩ মিনিটে আবার লিড নেয় ইরাক। এবার জালের দেখা পান আয়মান হোসেন। এরপর দু’দলই একাধিক আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে গেলেও গোল পায়নি।

২-১ গোলের এই জয়ে ইরাক বিশ্বকাপের টিকিট কাটে। ইরাককে দিয়ে চূড়ান্ত হয় এবারের বিশ্বকাপের ৪৮ দল।