টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে মাত্র একবার করে জয় পেয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ড। আগামীকাল আরো একবার বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল খেলতে নামছে এই দু’দল। তাই বিশ্বকাপের মঞ্চে দ্বিতীয় জয়ের স্বাদ নিয়ে ফাইনালে নাম লেখাতে চায় আইডেন মার্করাম ও মিচেল স্যান্টনারের দল।
দক্ষিণ আফ্রিকার সেমিফাইনাল পরিসংখ্যান
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে এর আগে তিনবার সেমিফাইনাল খেলেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। দু’বার হারলেও, একবার জয় পায় প্রোটিয়ারা।
২০০৯ সালের বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো সেমিফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে দক্ষিণ আফ্রিকা। কিন্তু সেমির বাধা টপকাতে পারেনি তারা। নটিংহ্যামের ওই সেমিফাইনালে পাকিস্তানের কাছে ৭ রানে হেরে যায় প্রোটিয়ারা।
দুই আসর পর ২০১৪ সালে বাংলাদেশের মাটিতে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠে দক্ষিণ আফ্রিকা। এবারো সেমিতে থামে প্রোটিয়াদের বিশ্বকাপ যাত্রা। মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালে ভারতের কাছে ৬ উইকেটে হার মানে প্রোটিয়ারা।
১০ বছর পর ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল ওঠে দক্ষিণ আফ্রিকা। তৃতীয়বারের মতো সেমিফাইনালে উঠে অবশেষে শেষ চারের লড়াইয়ে জয়ের দেখা পায় প্রোটিয়ারা। সেমিফাইনালে আফগানিস্তানকে ৯ উইকেটে হারিয়ে প্রথমবারের মতো ফাইনালের টিকিট পায় দক্ষিণ আফ্রিকা। কিন্তু ফাইনালে ভারতের কাছে ৭ রানে হারে প্রোটিয়ারা।
নিউজিল্যান্ডের সেমিফাইনাল পরিসংখ্যান
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে চারবার সেমিফাইনাল খেলেছে নিউজিল্যান্ড। এর মধ্যে মাত্র একবার সেমিফাইনালে জিততে পারে কিউইরা।
২০০৭ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম আসরেই সেমিফাইনালে জায়গা করে নেয় নিউজিল্যান্ড। কিন্তু সেমিতে পাকিস্তানের কাছে ৬ উইকেটে হারে তারা।
২০১৬ সালের আসরে সেমিফাইনালে উঠলেও, জিততে পারেনি নিউজিল্যান্ড। ইংল্যান্ডের কাছে ৭ উইকেটে হারে তারা।
২০২১ সালে তৃতীয়বারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে উঠে সাফল্যের দেখা পায় নিউজিল্যান্ড। ইংল্যান্ডকে ৫ উইকেটে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠে তারা। কিন্তু ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৮ উইকেটে হেরে যায় কিউইরা।
২০২২ সালেও সেমিফাইনালে উঠেছিল নিউজিল্যান্ড। এবার আর শেষ চারের বাধা টপকাতে পারেনি তারা। সেমিতে পাকিস্তানের কাছে ৭ উইকেটে হারে কিউইরা।



