আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম সেঞ্চুরি! উচ্ছ্বাসের মাত্রাটা ছিল তাই একটু বেশিই। উদযাপনেও তাই ভিন্নতা ছিল তানজিদ তামিমের। সেঞ্চুরির আনন্দের সাথে প্রিয়তমা স্ত্রীর ভালোবাসা করলেন ভাগাভাগি।
জাতীয় দলের হয়ে একটা সেঞ্চুরির হাহাকার ছিল তানজিদ তামিমের। ৩১ ওয়ানডে ও ৩৫ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ১৬টি ফিফটি থাকলেও সেঞ্চুরির দেখা পাচ্ছিলেন না বাঁহাতি এই ওপেনার।
অবশেষে সেই অপেক্ষা ঘুচিয়েছেন তিনি। গতকাল রোববার পাকিস্তানের বিপক্ষে পেয়েছেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম সেঞ্চুরি। খেলেন ১০৭ বলে ১০৭ রানের ইনিংস।
সালমান আগার বলে ছক্কা মেরে ৯৮ বলে সেঞ্চুরি হাঁকান তামিম। এরপরই দুই হাত ছড়িয়ে আকাশপানে তাকিয়ে রইলেন কিছুক্ষণ। বুঝাই যাচ্ছিল সৃষ্টিকর্তার কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছেন।
পরক্ষণেই হাত দিয়ে বাতাসে এঁকে দিলেন চুম্বন। আর দুই হাতে হৃদয়ের প্রতিকৃতি করে সারলেন সেঞ্চুরির উদযাপন। তাৎক্ষণিক জানার উপায় ছিল না, কাকে উদ্দেশ্য করে এমন উদযাপন।
তবে ম্যাচ শেষে তানজিদ তামিম জানিয়েছেন, সেঞ্চুরিটি তিনি উৎসর্গ করেছেন নিজের প্রিয়তমা স্ত্রীকে। এক গণমাধ্যমের সাথে আলাপকালে এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমার স্ত্রী অনেক উচ্ছ্বসিত। ওকে উৎসর্গ করছি। এ ব্যাপারে তেমন কিছু বলার নেই। তবে ও আমাকে ভালো সময়, খারাপ সময়- সব সময় পাশে থেকে সাপোর্ট করে, এটাই আমার কাছে অনেক বড় বিষয়।
ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি পেয়ে তামিম যে অনেক বেশিই উচ্ছ্বসিত। বাড়তি তৃপ্তি ছিল তার কণ্ঠে। বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। আমার জন্য অনেক বেশি স্পেশাল এই সেঞ্চুরি।’
‘অনেক দিন ধরে এটার অপেক্ষা করছিলাম। কারণ গত কয়েকটা ওয়ানডে ম্যাচে আমি ভালো শুরু করেও ইনিংস টেনে নিতে পারিনি। এখন চেষ্টা করছি, কিভাবে ভালো শুরুটাকে লম্বা ইনিংসে পরিণত করা যায়।’
তামিমের সেঞ্চুরির পর জাতীয় দলের সাবেক নির্বাচক হান্নান সরকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেন, বাঁহাতি ওপেনারের কাছে কমপক্ষে ২০টি সেঞ্চুরি দেখতে চান তিনি।
তামিমকে এই প্রসঙ্গে জানানো হলে, তিনি বলেন, ‘ইনশা আল্লাহ চেষ্টা করব। হয়তোবা এর থেকেও বেশি হতে পারে। স্বপ্ন দেখতে তো কোনো সমস্যা নাই। অবশ্যই চেষ্টা করব, ইনশা আল্লাহ।’


