রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের মাস তিনেক আগে থেকেই দেশের বাইরে ছিলেন সাকিব আল হাসান। সরকার পতনের আন্দোলনের সময়েও ছিলেন ক্রিকেটে ব্যস্ত। তারপরও পতিত শেখ হাসিনা সরকারের সংসদ সদস্য হওয়ায় তার বিরুদ্ধে করা হয় মামলা।
এরপর চেক ডিজঅনার, শেয়ারবাজার কারসাজিসহ আরো বেশ কয়েকটি মামলা করা হয় সাকিবের নামে। জারি করা হয় গ্রেফতারি পরোয়ানা। এমনকি তার সম্পত্তিও ক্রোক করা হয়েছে। বন্ধ হয়ে যায় জাতীয় দলের দরজাও।
সব মিলিয়ে সাকিব আল হাসান রয়েছেন ভীষণ চাপে। ফলে অনেকেই তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি দেখে ফেলছিলেন। তবে শেষ হয়েও শেষ হচ্ছে না তার অধ্যায়।
সাকিবকে জাতীয় দলে ফেরার পথ দেখালেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। আইনের মাধ্যমে নিজেকে নিরপরাধ প্রমাণ করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। জানান, নিরপরাধ প্রমাণিত হলে তাকে আবারো মাঠে স্বাগত জানানো হবে।
সম্প্রতি এই প্রসঙ্গে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সাকিব ও মাশরাফী বাংলাদেশের কিংবদন্তি ক্রিকেটার। আমি একজন ক্রীড়াবিদ হিসেবে মনে করি যেহেতু তাদের মামলা সংক্রান্ত বিষয়টি রয়েছে সেটি রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত।’
এরপর সাকিব-মাশরাফীকে উদ্দেশ করে আমিনুল আরো বলেন, ‘আপনারা এসে আপনাদের যে মামলাগুলো রয়েছে সেগুলো মোকাবেলা করেন। আপনারা যদি নিরপরাধ হন, মাঠে আসেন আমরা স্বাগত জানাব। এটুকুতে আমরা শতভাগ নমনীয় থাকব ইনশাআল্লাহ।’
উল্লেখ্য, সাকিব-মাশরাফী যখন আওয়ামী সরকারের অংশ, তখন বর্তমান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হক মামলা ও গ্রেফতারের শিকার হন।



