প্রথম আন্তর্জাতিক নারী ফুটসাল ম্যাচেই ভারতকে হারালো বাংলাদেশ

এই অর্ধে একাধিক আক্রমণ করেছিল প্রতিপক্ষ ভারত। কিন্তু রক্ষণের পাশাপাশি দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দিয়ে বাংলাদেশ গোলরক্ষক স্বপ্না আক্তার জিলি দলকে বাংলাদেশকে রক্ষা করেছেন। জিলি বার বার রুখে দিয়েছেন ভারতকে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
সেই সাথে লাল সবুজের হয়ে নারী ফুটসাল দলের প্রথম আন্তর্জাতিক গোলদাতা হিসেবে নিজের নাম লেখান সাবিনা
সেই সাথে লাল সবুজের হয়ে নারী ফুটসাল দলের প্রথম আন্তর্জাতিক গোলদাতা হিসেবে নিজের নাম লেখান সাবিনা |সংগৃহীত

থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সাফ নারী ফুটসাল টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ নারী দল জয় দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যাত্রা শুরু করেছে। দারুণ আত্মবিশ্বাসী ও কৌশলগত পারফরম্যান্সে সাবিনা খাতুনের নেতৃত্বে ভারত নারী ফুটসাল দলকে ৩-১ গোলে পরাজিত করেছে বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবারের ম্যাচে আক্রমণাত্মক শুরু আর কার্যকর ম্যানেজমেন্টে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখে বাংলাদেশ।

ম্যাচের শুরুতেই ব্যবধান গড়ে দেয় বাংলাদেশ। ৭ মিনিটে কৃষ্ণা রাণী সরকারের অ্যাসিস্টে অভিজ্ঞ সাবিনা খাতুনের নিঁখুত ফিনিশিংয়ে লিড নেয় বাংলাদেশ। সেই সাথে লাল সবুজের হয়ে নারী ফুটসাল দলের প্রথম আন্তর্জাতিক গোলদাতা হিসেবে নিজের নাম লেখান সাবিনা।

১৩ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন অধিনায়ক সাবিনা। এর মাধ্যমে বাংলাদেশকে আরো একবার আনন্দের উপলক্ষ এনে দেন এই অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ড। বাম দিক থেকে কৃষ্ণা রাণী সরকারের দুর্দান্ত ক্রসে ডিফেন্ডার ও ভারত গোলরক্ষককে বোকা বানান সাবিনা।

দুই গোলে এগিয়ে থেকেও একের পর এক আক্রমণে প্রতিপক্ষকে চাপে রাখে বাংলাদেশ। হাই প্রেসিং, দ্রুত বল রিকোভারি এবং অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স ছিল বাংলাদেশের মূল শক্তি। স্কোরলাইনের সুবিধা নিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে ফাউল ম্যানেজমেন্ট ও টাইমআউট ব্যবহারে ম্যাধ্যমে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণে রাখে লাল সবুজের দল। দলের হেড কোচ সাইদ খোদারাহমির ম্যাচ রিডিং ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্তও ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

এই অর্ধে একাধিক আক্রমণ করেছিল প্রতিপক্ষ ভারত। কিন্তু রক্ষণের পাশাপাশি দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দিয়ে বাংলাদেশ গোলরক্ষক স্বপ্না আক্তার জিলি দলকে বাংলাদেশকে রক্ষা করেছেন। জিলি বার বার রুখে দিয়েছেন ভারতকে।

দ্বিতীয়ার্ধে লিড ধরে রেখে ম্যাচ ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে মনোযোগ দেয় সাবিনা-সুমাইয়ারা। এতে আবারো আসে সাফল্য। ৩১ মিনিটে মিডফিল্ড ট্রানজিশন থেকে লং রেঞ্জ শটে গোল করে স্কোরলাইন ৩-০ করেন সুমাইয়া মাতসুশিমা। ৩৬ মিনিটে একটি গোল শোধ করে ভারত। তবে এরপর আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি তারা।

এই জয়ে গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাস আরো বেড়েছে এবং টুর্নামেন্টে দলের সম্ভাবনাকে নতুন করে তুলে ধরেছে।