ইতিকাফকে জনপ্রিয় করতে সামাজিক উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন তরুণ ইসলামী চিন্তাবিদ মুফতি আলী হাসান উসামা। তিনি বলেছেন, দেশে ইতিকাফকে জনপ্রিয় করতে বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগ নেয়া দরকার। বিভিন্ন এলাকায় অনেক শায়খ-বুজুর্গ ইতিকাফে বসেন, তাদের সাথে তাদের অনুসারীরাও ব্যাপকভাবে শরিক হন। এটা সুন্নাহ জিন্দা রাখা এবং তারবিয়াতকে ব্যাপক করার ক্ষেত্রে চমৎকার উদ্যোগ।
রোববার (৮ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেয়া একটি পোস্টে তিনি একথা বলেন। সেখানে তরুণ প্রতিভাবান এই আলেম আরো বলেন, প্রতিটি এলাকায়ই এ ধরনের আরো বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে। জনসাধারণ রমজানের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ সময় শেষ দশককে ঈদের কেনাকাটা ও বাজারে ঘোরাঘুরির জন্য বরাদ্দ করে রেখেছে। যার ফলে শেষের দিকে তারাবির সালাতেও মুসল্লির সঙ্কট দেখা যায়, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।
মুসল্লিদের সতর্ক করে মুফতি আলী হাসান উসামা বলেন, কোনো মহল্লায় যদি একজনও আল্লাহর জন্য ইখলাসের সাথে ইতিকাফে না বসে; বরং অর্থের বিনিময়ে চুক্তি করে কাউকে বসানো হয়, এর দ্বারা ইতিকাফের হক আদায় হবে না; বরং সকলের কাঁধেই এই গাফিলতির দায় বর্তাবে এবং তারা এই গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ ত্যাগকারী বলে বিবেচিত হবেন।
সবশেষে তিনি বলেন, রমজানের শেষ দশকেই লুকিয়ে আছে লাইলাতুল কদর। আর ইতিকাফে থাকলে এর ফজিলত প্রাপ্তি নিশ্চিত। হাদিসে আছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) এই শেষ দশক আসলে লুঙ্গি শক্ত করে বেঁধে নিতেন, রাত জাগতেন এবং পরিবারকেও জাগ্রত রাখতেন।



