শিশুর হাম হলে করণীয়

বমি হলেও শিশুকে বারবার বুকের দুধ ও স্বাভাবিক খাবার খেতে দিতে হবে।

Printed Edition
হাম
হাম |ইন্টারনেট

হাম মারাত্মক সংক্রামক রোগ। শিশুর হাম হয়েছে এটা নিশ্চিত হওয়ার সাথে কিছু উপসর্গ দেখলে বুঝতে হবে পরিস্থিতি জটিল হতে চলেছে। উপসর্গগুলো হলো শিশু বুকের দুধ বা পানি পান করতে পারছে না, যা খাচ্ছে সবই বমি করে দিচ্ছে ও খিঁচুনি হচ্ছে।

বমি হলেও শিশুকে বারবার বুকের দুধ ও স্বাভাবিক খাবার খেতে দিতে হবে। নিউমোনিয়া হলে খাওয়াতে হবে অ্যান্টিবায়োটিক। কান পাকা, রক্ত আমাশয়, দীর্ঘমেয়াদি ডায়রিয়া বা ক্রুপ দেখা দিলে সেসবের ব্যবস্থাপনা করতে হবে। ১০২ ফারেনহাইটের ওপর জ্বর থাকলে প্যারাসিটামল দিতে হবে। জ্বর যদি তিন থেকে চার দিনের বেশি থাকে, তবে এর সাথে অন্য কোনো সংক্রমণ আছে কি না, সেটা নির্ণয় করা জরুরি।

ভিটামিন এ-র অভাব বা ক্ষতিকর ওষুধে চোখের কনজাংকটিভাইটিস, কর্নিয়া বা রেটিনার ক্ষতি হতে পারে। চোখ থেকে পরিষ্কার পানি বের হলে চিকিৎসার প্রয়োজন নেই। কিন্তু চোখে পুঁজ দেখা গেলে জীবাণুমুক্ত তুলা অথবা পরিষ্কার কাপড় ফোটানো পানিতে চুবিয়ে চোখ পরিষ্কার করে নিতে হবে। চোখে সাত দিনের জন্য প্রতিদিন তিনবার টেট্রাসাইক্লিন আই অয়েন্টমেন্ট দেয়া যায়। চোখে জীবাণু প্রতিরোধকারী প্যাড ব্যবহার করতে হবে।

মুখে ঘায়ের কারণে শিশু যদি খেতে না পারে ও পানি পান করতে না পারে, তবে পরিষ্কার লবণ দ্রবণ পানিতে অন্তত দিনে চারবার মুখের ভেতর পরিষ্কার করে দিতে হবে। এক কাপ পরিমাণ ফোটানো পানিতে এক চিমটি লবণ মিশিয়ে এই দ্রবণ তৈরি করা যায়। মুখের ঘা যদি প্রবল হয় বা দুর্গন্ধযুক্ত থাকে, তবে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টিবায়োটিক দিতে হবে। ইন্টারনেট।