দোহারে ১৪ দিনেও মলি হত্যার রহস্য উদঘাটন হয়নি

Printed Edition

দোহার (ঢাকা) সংবাদদাতা

ঢাকার দোহার উপজেলায় প্রবাসী নারী মলি আক্তার হত্যা মামলার ১৪ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো কোনো আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। হত্যার কারণ ও ঘটনার নেপথ্যও স্পষ্ট করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

গত ১৪ মার্চ ভোর সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার বাহ্রা বাগেরকাচা এলাকায় নিজ বাড়ির সামনে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে নিহত হন মলি আক্তার (২৮)। তিনি কুয়েত প্রবাসী ছিলেন এবং দুই মাসের ছুটিতে দেশে এসে দেড় মাসের মাথায় এ হত্যাকাণ্ডের শিকার হন।

নিহতের ছোট বোন আশেয়া জানান, ঘটনার রাতে তিনি বড় বোনের পাশেই ঘুমিয়ে ছিলেন। ভোরের দিকে মোবাইল ফোনে কারো সাথে কথাকাটাকাটির পর মলি ঘর থেকে বের হন। কিছুক্ষণ পর তার চিৎকার শুনে বাইরে গিয়ে ছুরিকাহত অবস্থায় তাকে পড়ে থাকতে দেখা যায়।

মলির বাবা বাদশা বাবুর্চি অভিযোগ করেন, ঘটনার দিন পুলিশ এলেও এরপর থেকে পুলিশ আর কোনো যোগাযোগ করেনি। দুই সপ্তাহ পার হলেও হত্যাকারীদের গ্রেফতার না হওয়ায় পরিবার চরম উৎকণ্ঠায় রয়েছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নোয়াখালীর ইসমাইল নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয়ের পর সাত বছর আগে মলির বিয়ে হয়। দাম্পত্য কলহের জেরে গত বছর তাদের বিচ্ছেদ ঘটে।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বাদশা বাবুর্চি বাদি হয়ে দোহার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় ইসমাইলকে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাত আরো কয়েকজনকে আসামি করা হয়।

দোহার থানার ওসি আবু বকর সিদ্দিক জানান, এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত একজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে পলাতক থাকায় গ্রেফতার বিলম্বিত হচ্ছে। তবে হত্যার কারণ সম্পর্কে তিনি কিছু জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন।