বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা, মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক যুদ্ধ এবং সরবরাহ শৃঙ্খলের ভাঙনের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ এক জটিল অর্থনৈতিক বাস্তবতার মুখোমুখি। এমন পরিস্থিতিতে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয়ের ইঙ্গিত দিলেও, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আপাতত তেলের দাম বাড়ানোর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। এর পেছনে প্রধান যুক্তি- জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি সরাসরি পরিবহন ব্যয়, উৎপাদন খরচ এবং খাদ্যপণ্যের দামে প্রভাব ফেলে; ফলে এটি দ্রুতই সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় চাপ সৃষ্টি করে এবং সামগ্রিক মূল্যস্ফীতিকে ত্বরান্বিত করে।
সরকার আপাতত যে বিকল্প পথ বিবেচনা করছে, তা হলো ‘ডিমান্ড ম্যানেজমেন্ট’ বা চাহিদা নিয়ন্ত্রণ। এর অংশ হিসেবে বিদ্যুৎ ব্যবহারে কৃচ্ছ্রতা, সরকারি ব্যয় কমানো এবং প্রয়োজনে ‘ফোর্সড লোডশেডিং’-এর মতো পদক্ষেপ নেয়া হতে পারে। ইতোমধ্যে প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ চাহিদা কমানোর পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। পরিকল্পিত লোডশেডিংয়ের মাধ্যমে এই লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টা চলছে।
লোডশেডিং সাধারণত নেতিবাচক হিসেবে দেখা হলেও, বর্তমান পরিস্থিতিতে এটি একটি ‘ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট টুল’ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। শিল্পখাতে নির্দিষ্ট সময়ভিত্তিক বিদ্যুৎ সরবরাহ, বাণিজ্যিক এলাকায় সীমিত ব্যবহার এবং আবাসিক খাতে সচেতনতা- এই তিন স্তরের সমন্বয়ে চাহিদা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হতে পারে। তবে এর প্রভাবও কম নয়; উৎপাদন কমে যাওয়া, ছোট ব্যবসার ক্ষতি এবং নাগরিক জীবনে ভোগান্তি- এসব বিষয় সামনে আসবে।
চিফ হুইপ মো: নূরুল ইসলাম গতকাল শনিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে বলেছেন, দেশে জ্বালানির দাম যেন না বাড়ানো হয় সে জন্য প্রধানমন্ত্রী আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। বিশ্বে তেলের দাম বাড়লেও বাংলাদেশে এখনো তেলের দাম সেভাবে বাড়ানো হয়নি। প্রধানমন্ত্রী চেষ্টা করছেন যেন জ্বালানির দাম না বাড়ানো হয়। পাকিস্তানে তেলের দাম ডাবল হয়েছে, শ্রীলঙ্কা বা নেপালে স্কুল বন্ধ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বাহুল্য খরচ কমাতে নিজের বহর নিয়ে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন। সংসদে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে এসির টেম্পারেচার ২৫ এর নিচে না নামানো হয়। তিনি নিজের রুমেও অধিক আলো বা এসি ব্যবহার করেন না শুধুমাত্র বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. তামিমের মতে, এই সঙ্কট মোকাবেলায় প্রয়োজন- বাস্তবসম্মত মূল্য সমন্বয়; ভর্তুকির কার্যকর ব্যবস্থাপনা; জ্বালানি সাশ্রয়ে কঠোর নীতি এবং সর্বোপরি জনগণের সচেতন ব্যবহার।
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে জ্বালানি একটি কেন্দ্রীয় উপাদান। কৃষি থেকে শিল্প- প্রতিটি খাতেই জ্বালানির ওপর নির্ভরতা অত্যন্ত বেশি। ডিজেলের দাম বাড়লে কৃষি সেচ ব্যয় বাড়ে, পরিবহন খরচ বাড়ে, ফলে বাজারে পণ্যের দামও বেড়ে যায়। অর্থনীতির ভাষায়, এটি ‘কস্ট-পুশ ইনফ্লেশন’-এর একটি ক্লাসিক উদাহরণ। বর্তমানে দেশে মূল্যস্ফীতি এমনিতেই উচ্চ পর্যায়ে অবস্থান করছে; এর সাথে জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধি যুক্ত হলে তা ডাবল ডিজিটে পৌঁছানোর ঝুঁকি তৈরি করে।
এই বাস্তবতায় সরকার মূল্য বৃদ্ধি এড়িয়ে বিকল্প পথ অনুসন্ধান করছে। প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে অর্থনীতিবিদ ও নীতিনির্ধারকদের সাথে একাধিক বৈঠক করেছেন। লক্ষ্য- স্বল্পমেয়াদে জনগণের ওপর চাপ কমানো এবং দীর্ঘমেয়াদে একটি টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থাপনা কৌশল নির্ধারণ করা। এ প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক সহায়তার বিষয়টিও সামনে এসেছে। এশীয় ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এআইআইবি)-এর কাছে বাজেট সহায়তা চাওয়া হয়েছে, যাতে বৈদেশিক মুদ্রার চাপ কিছুটা লাঘব করা যায় এবং জ্বালানি আমদানি অব্যাহত রাখা সম্ভব হয়।
তবে অর্থনীতির বাস্তবতা বলছে, দীর্ঘ সময় ধরে ভর্তুকি দিয়ে জ্বালানির দাম স্থির রাখা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। বর্তমানে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সরকারের ভর্তুকি বছরে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি পৌঁছেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়তে থাকলে এই ভর্তুকির পরিমাণ আরো বাড়বে, যা বাজেট ঘাটতি বৃদ্ধি এবং আর্থিক ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে। অর্থমন্ত্রী নিজেও ইঙ্গিত দিয়েছেন- এক পর্যায়ে মূল্য সমন্বয় অনিবার্য হয়ে উঠতে পারে।
এ দিকে আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হচ্ছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৯ ডলারের ওপরে এবং ডব্লিউটিআই ১১১ ডলারের কাছাকাছি অবস্থান করছে। বিশ্বে প্রায় ২০ শতাংশ তেল সরবরাহ হওয়া হরমুজ প্রণালী দিয়ে ইরানের নিয়ন্ত্রিত চলাচল কার্যত সরবরাহ ব্যবস্থাকে অচল করে দিয়েছে। জাহাজ চলাচল ৯০ শতাংশের বেশি কমে যাওয়ায় সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হয়েছে, যা বাজারে দামের ওপর সরাসরি চাপ সৃষ্টি করছে।
এই সঙ্কটের ভূরাজনৈতিক দিকও গুরুত্বপূর্ণ। ইরান হরমুজ প্রণালীকে কৌশলগত চাপ প্রয়োগের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে, আর যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা বিকল্প সরবরাহ নিশ্চিত করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে। অনেক জাহাজ কোম্পানি এখন আফ্রিকার দক্ষিণ প্রান্ত ঘুরে দীর্ঘ রুট ব্যবহার করছে, ফলে পরিবহন সময় ও খরচ উভয়ই বাড়ছে। এর প্রভাব শুধু জ্বালানি নয়, বৈশ্বিক বাণিজ্যের প্রতিটি স্তরে পড়ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের মতো আমদানিনির্ভর অর্থনীতির জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রক্ষা করা। তেলের দাম বাড়লে আমদানি বিল বেড়ে যায়, যা ডলার সঙ্কটকে আরো তীব্র করে। ফলে সরকার একদিকে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, অন্য দিকে বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য রক্ষা- এই দুইয়ের মধ্যে সমন্বয় করার চেষ্টা করছে।
সার্বিক বৈশ্বিক ও দেশীয় পরিস্থিতি বিবেচনায় তেলের দাম পুরোপুরি ভর্তুকিবিহীন রাখা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক জ্বালানি উপদেষ্টা ড. ম. তামিম। তিনি বলেন, ভর্তুকি তুলে নিলে জ্বালানির দাম লিটারপ্রতি প্রায় আড়াইশ’ টাকায় পৌঁছাতে পারে। তাই সরকারের ভর্তুকি দেয়ার সক্ষমতা বিবেচনা করেই বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
তিনি মনে করেন, বর্তমান দামের তুলনায় জ্বালানির মূল্য অন্তত দ্বিগুণ করার প্রয়োজন হতে পারে। তবে এই বৃদ্ধি একবারে না করে ধাপে ধাপে সমন্বয় করা উচিত কি না, সে বিষয়ে এখনই নির্দিষ্টভাবে বলা কঠিন। একই সাথে অর্থমন্ত্রীও ইঙ্গিত দিয়েছেন, মূল্য সমন্বয় ছাড়া বিকল্প পথ নেই এবং একটি পর্যায়ে এসে জ্বালানির দাম সমন্বয় করতেই হবে।
নয়া দিগন্তকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ড. তামিম বলেন, জ্বালানি খাতে ভর্তুকির বড় অংশই বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যয় হয়। এ খাতে বছরে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রধানত তেলনির্ভর হওয়ায় ব্যয় বেড়েছে; পাশাপাশি কয়লার দামও টনপ্রতি ৮৫ ডলার থেকে বেড়ে ১০৫ ডলারে পৌঁছেছে, ফলে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুতের উৎপাদন খরচও বৃদ্ধি পেয়েছে।
তিনি বলেন, আগে তেল খাতে লাভ থাকায় ভর্তুকির প্রয়োজন হতো না। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে উল্টো ভর্তুকি দিতে হচ্ছে, যা ক্রমেই বাড়ছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আরো বাড়তে থাকলে ভর্তুকির চাপও বাড়বে। এ ক্ষেত্রে তিনি মনে করেন, অকটেন ও পেট্রোলে ভর্তুকি তুলনামূলক কমানো যেতে পারে, তবে ডিজেলে ভর্তুকি রাখা জরুরি, কারণ এটি কৃষি ও পরিবহন খাতের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত।
তেলের মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি আর কী উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন- এ প্রশ্নের জবাবে ড. তামিম বলেন, ‘অভাবের সংসারে কৃচ্ছ্রতাই মূল কথা।’ তিনি সাশ্রয়ী জ্বালানি নীতি অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং জনগণকেও জ্বালানি ব্যবহারে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি সতর্ক করে বলেন, স্বেচ্ছায় সাশ্রয় না হলে সরকারকে বাধ্যতামূলক সাশ্রয়ের পথে যেতে হবে। এর উদাহরণ হিসেবে তিনি লোডশেডিংয়ের কথা উল্লেখ করেন। সরকার ইতোমধ্যে প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা কমানোর চেষ্টা করছে, যা আংশিকভাবে লোডশেডিংয়ের মাধ্যমেই বাস্তবায়ন করতে হচ্ছে। খাতভিত্তিক পরিকল্পিত লোডশেডিংয়ের মাধ্যমে পরিস্থিতি কিছুটা সহনীয় রাখা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।
ড. তামিমের মতে, আবহাওয়া পরিস্থিতিও বিদ্যুতের চাহিদা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গত বছর অস্বাভাবিক ঠাণ্ডা আবহাওয়ার কারণে বিদ্যুতের চাপ তুলনামূলক কম ছিল। চলতি বছর গরম বাড়ার সম্ভাবনা থাকলেও সময় মতো বৃষ্টি শুরু হলে কৃষি সেচে বিদ্যুতের ব্যবহার কিছুটা কমতে পারে।
তিনি বলেন, মে মাসে বৃষ্টিপাত বাড়লে সেচনির্ভর বিদ্যুতের চাপ কমবে, যা সামগ্রিক জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় কিছুটা স্বস্তি আনতে পারে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানি বাজারে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ‘প্যানিক বাইং’ বা আতঙ্কজনিত অতিরিক্ত ক্রয়। ড. তামিম জানান, পাম্পগুলোতে তেলের চাহিদা প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে। যদিও প্রকৃত অর্থে পেট্রোলের ঘাটতি নেই, তবুও অতিরিক্ত মজুদের প্রবণতা কৃত্রিম সঙ্কট তৈরি করছে।
তিনি বলেন, সাধারণত একজন গাড়িচালক যেখানে ১০ থেকে ২০ লিটার তেল নিয়ে চলেন, সেখানে এখন অনেকেই ৫০ লিটার পর্যন্ত তেল কিনে ট্যাংক ভর্তি রাখার চেষ্টা করছেন। এই প্রবণতা বাস্তবে কোনো সুফল দিচ্ছে না, বরং বাজারে অস্থিরতা বাড়াচ্ছে। সব মিলিয়ে, জ্বালানি খাত এখন একটি জটিল ভারসাম্যের মধ্যে রয়েছে- এক দিকে আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধি, অন্য দিকে ভর্তুকির চাপ ও অভ্যন্তরীণ চাহিদা।
আন্তর্জাতিক পর্যায়েও বিভিন্ন উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। আন্তর্জাতিক শক্তি সংস্থা (আইইএ) সদস্য দেশগুলো কৌশলগত মজুদ থেকে তেল ছেড়ে দিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যও নিজ নিজ মজুদ থেকে বাজারে তেল সরবরাহ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, এসব পদক্ষেপ সাময়িক স্বস্তি দিতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে সঙ্কট সমাধানে রাজনৈতিক সমাধান অপরিহার্য।
মধ্যপ্রাচ্যে উৎপাদন হ্রাস পরিস্থিতিকে আরো জটিল করেছে। নিরাপত্তাজনিত কারণে অনেক তেলক্ষেত্র আংশিক বা পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। একই সাথে এলএনজি উৎপাদন কমে যাওয়ায় গ্যাস বাজারেও চাপ তৈরি হয়েছে, যা বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় বাড়িয়ে দিচ্ছে। এশিয়ার দেশগুলো, বিশেষ করে চীন, জাপান ও পাকিস্তান, এই সঙ্কটে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। কারণ তারা মধ্যপ্রাচ্যের তেলের ওপর অত্যন্ত নির্ভরশীল। চীন ইতোমধ্যে রুশ তেল আমদানির দিকে ঝুঁকছে এবং অভ্যন্তরীণ ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নিচ্ছে।
সব কিছু মিলিয়ে, বাংলাদেশের সামনে এখন এক কঠিন সিদ্ধান্তের সময়। তেলের দাম না বাড়িয়ে কত দিন পরিস্থিতি সামাল দেয়া যাবে, তা নির্ভর করছে বৈশ্বিক বাজার, যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং সরকারের আর্থিক সক্ষমতার ওপর। স্বল্পমেয়াদে লোডশেডিং ও কৃচ্ছ্রতা হয়তো কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি খাতে কাঠামোগত সংস্কার, নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ এবং দক্ষ ব্যবস্থাপনা ছাড়া এই সঙ্কট থেকে উত্তরণ সম্ভব নয়।


