(গত দিনের পর)
তিনি যখন সৈকতে পৌঁছালেন, মেরিন্তারার পা প্রায় সবটুকুই লেজে পরিণত হয়ে গেছে। মেরিন্তারাও বুক সমান পানিতে নেমে গেছে।
‘জলজ্যোতি! জলজ্যোতি! শোনো!’ মান্দারশাহ তার ঘোড়া থেকে নেমে চিৎকার করে ছুটতে লাগলেন সৈকতের দিকে। কিন্তু জলে নেমে যতই তিনি জলজ্যোতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন, জলজ্যোতিও ততই জলের গভীরে নেমে যাচ্ছে। অথচ জলজ্যোতির চোখে অশ্রু।
মেরিন্তারা ততক্ষণে গলা সমান পানিতে নেমে গেছে। সে রাজকুমারের দিকে তাকাল। মুখে তার করুণ ও বেদনামিশ্রিত হাসি, চোখে অশ্রু। তাহলে রাজকুমার ভুল বুঝতে পারছেন। বুকের গভীরে লুকানো ভালোবাসা আরো গভীর হলো জলজ্যোতির। সে বুঝতে পারছে, রাজকুমার তাকে বিশ্বাস করেছেন!
মান্দারশাহ চিৎকার করে বললেন, ‘আমি জানি, তুমিই আমাকে সেদিন বাঁচিয়েছিলে, জলজ্যোতি! তুমি যেও না, ফিরে এসো আমার কাছে।’ (চলবে)



