নয়া দিগন্ত ডেস্ক
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) দুই দিনব্যাপী ‘এনডব্লিউপিজিসিএল-বুয়েট রোবো কার্নিভাল ২০২৬’ শেষ হচ্ছে আজ। বুয়েট রোবটিক্স সোসাইটির আয়োজনে তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের সহযোগিতায় ও নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির পৃষ্ঠপোষকতায় গতকাল এ কার্নিভাল উদ্বোধন করেন শিা উপদেষ্টা সি আর আবরার।
তিনি বলেন, বিদেশী প্রযুক্তির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নিজস্ব গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি উন্নয়নের মাধ্যমে দেশকে স্বনির্ভর করতে হবে। এ ল্েয শিার্থী, শিক, গবেষক ও শিল্পখাতের মধ্যে শক্তিশালী ও কার্যকর সহযোগিতা অপরিহার্য।
সেমিনারের বিষয়বস্তু ছিল ‘এআই অ্যানাব্যাল্ড রবোটিক্স ফর ফিউচার এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার সিস্টেম।’
উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান বাস্তবতায় শিাব্যবস্থার মূল ল্য শুধু ডিগ্রি নয়, বরং দ, উদ্ভাবনী ও প্রযুক্তি-সচেতন মানবসম্পদ তৈরি করা হওয়া উচিত। বিশ্ব বর্তমানে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের যুগে প্রবেশ করেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), রোবটিক্স, বিগ ডাটা, ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি) ও অটোমেশন বৈশ্বিক অর্থনীতি ও সমাজব্যবস্থাকে দ্রুত রূপান্তরিত করছে। ফলে এ ধরনের রোবো কার্নিভাল শিার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও গবেষণার সমতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং গবেষণা ও শিল্প খাতের বাস্তব প্রয়োগের মধ্যে কার্যকর সেতুবন্ধন তৈরি করবে।
ভবিষ্যৎ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে এআই সমর্থিত রোবটিক্স নিয়ে তিনি বলেন, এটি শক্তি ও বিদ্যুৎ খাতে এআই ও রোবটিক্সের ব্যবহার দতা বৃদ্ধি, নিরাপত্তা জোরদার এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে। বুয়েট রোবো কার্নিভাল কেবল একটি প্রযুক্তি প্রদর্শনী নয়, বরং এটি বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের রূপরেখা নির্মাণে একটি শক্তিশালী ও সময়োপযোগী প্ল্যাটফর্ম।
এ ছাড়া বুয়েটের মতো আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন শিাপ্রতিষ্ঠান এবং নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেডের (এনডব্লিউপিজিসিএল) মতো গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার যৌথ উদ্যোগ একটি দৃষ্টান্তমূলক উদাহরণ, যা দেশের প্রযুক্তি ও গবেষণা খাতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে মনে করেন এই উপদেষ্টা।
এই কার্নিভাল শিার্থীদের গবেষণা ও বাস্তব প্রয়োগের মধ্যকার ব্যবধান কমানোর ল্েয আয়োজন করা হয়েছে। রোবটিক্স, অটোমেশন ও এআই ব্যবহার কিভাবে টেকসই উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে, তা তুলে ধরাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন এই আয়োজনের সভাপতি ও বুয়েটের প্রোভিসি অধ্যাপক ড. আবদুল হাসিব চৌধুরী, তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. এ বি এম হারুন অর রশিদ ও মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো: জহুরুল হক।



