তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন ২০০৬ সালে প্রণীত হয়। আইনটি প্রণয়নের সাত বছর অতিক্রান্তের আগে প্রথমত অধ্যাদেশ এবং পরবর্তী সময়ে আইনের মাধ্যমে এর ধারা নং ৫৪, ৫৬, ৫৭, ৬১ ও ৭৬ এ পাঁচটি ধারায় সংশোধনী আনা হয়। সংশোধনীগুলো বিল আকারে সংসদে উত্থাপন করে বলা হয়– তথ্যপ্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার ও প্রয়োগ নিশ্চিতকরণ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে আইনটি যুগোপযোগী করে বাস্তবতার আলোকে কতিপয় ধারা ও উপধারা পরিমার্জন ও সংশোধনের প্রয়োজন অনুভূত হওয়ায় বিলটি প্রণয়ন করা হলো।
অতঃপর ২০১৮ সালে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রণীত হলে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৪, ৫৫, ৫৬, ৫৭ ও ৬৬ এ পাঁচটি ধারা বিলুপ্ত করা হয়। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ তে ট্রাইব্যুনালের যে সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে তাতে বলা হয়েছে– ‘ট্রাইব্যুনাল’ অর্থ– তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন-২০০৬-এর ধারা ৬৮-এর অধীন গঠিত সাইবার ট্রাইব্যুনাল। অন্য দিকে আপিল ট্রাইব্যুনালের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে– ‘আপিল ট্রাইব্যুনাল’ অর্থ– তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন-২০০৬-এর ধারা ৮২-এর অধীন গঠিত সাইবার আপিল ট্রাইব্যুনাল।
সাইবার ট্রাইব্যুনাল গঠন বিষযে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন-২০০৬-এর ৬৮ ধারায় উল্লেখ রয়েছেÑ সুপ্রিম কোর্টের সাথে পরামর্শক্রমে সরকার নিযুক্ত একজন দায়রা জজ বা একজন অতিরিক্ত দায়রা জজ সমন্বয়ে সাইবার ট্রাইব্যুনাল গঠিত হবে। সাইবার আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন বিষয়ে আইনটির ৮২ ধারায় বলা হয়েছে– সাইবার আপিল ট্রাইব্যুনাল একজন চেয়ারম্যান এবং দু’জন সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হবে। চেয়ারম্যান এমন একজন ব্যক্তি হবেন, যিনি সুপ্রিম কোর্টের বিচারক ছিলেন বা আছেন বা অনুরূপ বিচারক হিসেবে নিয়োগ লাভের যোগ্য।
সদস্যদের মধ্যে একজন হবেন বিচার কর্ম বিভাগে নিযুক্ত একজন কর্মরত অথবা অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ এবং অন্যজন হবেন তথ্য, যোগাযোগ ও প্রযুক্তি বিষয়ে নির্ধারিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তি। চেয়ারম্যান ও সদস্যরা নিয়োগের তারিখ থেকে অন্যূন তিন বছর এবং অনধিক পাঁচ বছর পদে বহাল থাকবেন। তাদের চাকরির শর্তাবলি সরকার নির্ধারণ করবে।
২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন প্রণীত হলে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ রহিত করা হয়। সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩-এ ট্রাইব্যুনাল ও আপিল ট্রাইব্যুনালের যে সংজ্ঞা দেয়া হয় তা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন-২০০৬-এর অনুরূপ।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন-২০০৬-এর ৫৪ ধারা কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম ইত্যাদির অনিষ্টসাধন ও দণ্ড-বিষয়ক। ৫৫ ধারা কম্পিউটার সোর্স, কোড পরিবর্তন-সংক্রান্ত অপরাধ ও এর দণ্ডবিষয়ক। ৫৬ ধারা কম্পিউটার সিস্টেমের হ্যাকিং-সংক্রান্ত অপরাধ ও এর দণ্ডবিষয়ক। ৫৭ ধারা ইলেকট্রনিক ফরমে মিথ্যা, অশ্লীল অথবা মানহানিকর তথ্য প্রকাশ সংক্রান্ত অপরাধ ও এর দণ্ডবিষয়ক। ৫৮ ধারা লাইসেন্স সমর্পণে ব্যর্থতা ও এর দণ্ডবিষয়ক। ৫৯ ধারা নির্দেশ লঙ্ঘন-সংক্রান্ত অপরাধ ও এর দণ্ডবিষয়ক। ৬০ ধারা জরুরি পরিস্থিতিতে নিয়ন্ত্রকের নির্দেশ অমান্যে দণ্ডবিষয়ক। ৬১ ধারা সংরক্ষিত সিস্টেমে প্রবেশ-সংক্রান্ত অপরাধ ও এর দণ্ডবিষয়ক। ৬২ ধারা মিথ্যা প্রতিনিধিত্ব ও তথ্য গোপন-সংক্রান্ত অপরাধ ও এর দণ্ডবিষয়ক। ৬৩ ধারা গোপনীয়তা প্রকাশ-সংক্রান্ত অপরাধ ও এর দণ্ডবিষয়ক। ৬৪ ধারা ভুয়া ইলেকট্রনিক স্বাক্ষর সার্টিফিকেট প্রকাশ-সংক্রান্ত ও এর দণ্ডবিষয়ক। ৬৫ ধারা প্রতারণার উদ্দেশ্যে ইলেকট্রনিক স্বাক্ষর সার্টিফিকেট প্রকাশ, ইত্যাদি-সংক্রান্ত অপরাধ ও এর দণ্ডবিষয়ক। ৬৬ ধারা কম্পিউটার ব্যবহারের মাধ্যমে অপরাধ সংগঠন ও এর দণ্ডবিষয়ক এবং ৬৭ ধারা কোম্পানি ইত্যাদি কর্তৃক অপরাধ সংগঠন-বিষয়ক।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন-২০০৬ প্রণয়নকালে এ আইনের ধারা নং ৫৪, ৫৬, ৫৭ ও ৬১– এ চারটি ধারায় অনধিক ১০ বছর কারাদণ্ডের বিধান ছিল। অধ্যাদেশের মাধ্যমে এ চারটি ধারায় কারাদণ্ড সর্বোচ্চ ১৪ বছর এবং ন্যূনতম সাত বছর করা হয়। অধ্যাদেশটি আইনে পরিণত করা হলে কারাদণ্ড বিষয়ে একই বিধান অক্ষুণ্ন রাখা হয়।
সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩-এর ধারা ১৭ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোতে বেআইনি প্রবেশ, ইত্যাদি দণ্ডবিষয়ক। ধারা ১৮ কম্পিউটার ডিজিটাল ডিভাইস, কম্পিউটার সিস্টেম, ইত্যাদিতে বেআইনি প্রবেশ ও দণ্ডবিষয়ক। ধারা ১৯ কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম ইত্যাদির ক্ষতিসাধন ও দণ্ডবিষয়ক। ধারা ২০ কম্পিউটার সোর্স কোড পরিবর্তন-সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ডবিষয়ক। ধারা ২১ মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় সঙ্গীত বা জাতীয় পতাকা সম্পর্কে বিদ্বেষ, বিভ্রান্তি ও কুৎসামূলক প্রচারণার দণ্ডবিষয়ক। ধারা ২২ ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক জালিয়াতিবিষয়ক। ধারা ২৩ ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক প্রতারণাবিষয়ক। ধারা ২৪ পরিচয় প্রতারণা বা ছদ্মবেশ ধারণবিষয়ক। ধারা ২৫ আক্রমণাত্মক, মিথ্যা বা ভীতি প্রদর্শক, তথ্য উপাত্ত প্রেরণ, প্রকাশ, ইত্যাদি বিষয়ক। ধারা ২৬ অনুমতি ব্যতীত পরিচিতি তথ্য সংগ্রহ, ব্যবহার, ইত্যাদি দণ্ডবিষয়ক। ধারা ২৭ সাইবার সন্ত্রাসী কার্য সংগঠনের অপরাধ ও দণ্ডবিষয়ক। ধারা ২৮ ওয়েবসাইট বা কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে ধর্মীয় মূল্যবোধ বা অনুভূতিতে আঘাত করে এরূপ কোনো তথ্য প্রকাশ, সম্প্রচার ইত্যাদি বিষয়ক। ধারা ২৯ মানহানিকর তথ্য প্রকাশ, প্রচার ইত্যাদি বিষয়ক। ধারা ৩০ আইনানুগ কর্তৃত্ববহির্র্ভূত ই-ট্রানজেকশনের অপরাধ ও দণ্ডবিষয়ক। ধারা ৩১ আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটানো ইত্যাদি অপরাধ ও দণ্ডবিষয়ক। ধারা ৩২ হ্যাকিং-সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ডবিষয়ক। ধারা ৩৩ অপরাধ সংগঠনে সহায়তা ও এর দণ্ডবিষয়ক। ধারা ৩৪ মিথ্যা মামলা, অভিযোগ দায়ের ইত্যাদি অপরাধ ও দণ্ডবিষয়ক এবং ধারা ৩৫ কোম্পানি কর্তৃক অপরাধ সংগঠনবিষয়ক।
সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩-এর উপরোক্ত ধারাগুলো পর্যালোচনায় প্রতীয়মান হয়, বিভিন্ন অপরাধের জন্য কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড যথাক্রমে– অনধিক দুই, তিন, পাঁচ, সাত ও ১৪ বছর অবধি নির্ধারিত বা দুই লাখ, তিন লাখ, পাঁচ লাখ, ১০ লাখ, ২৫ লাখ ও এক কোটি অবধি নির্ধারিত বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার বিধান নির্ধারিত।
সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩ রহিতক্রমে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ-২০২৫ প্রণীত হয়। এ অধ্যাদেশটিতেও ট্রাইব্যুনাল ও আপিল ট্রাইব্যুনালের যে সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে তা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন-২০০৬-এর প্রদত্ত সংজ্ঞার অনুরূপ।
অধ্যাদেশটির ধারা ১৭ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোতে বেআইনি প্রবেশ বা হ্যাকিং ইত্যাদি দণ্ডবিষয়ক। ধারা ১৮ কম্পিউটার, ডিজিটাল ডিভাইস, কম্পিউটার সিস্টেম ইত্যাদিতে বেআইনি প্রবেশ ও দণ্ডবিষয়ক। ধারা ১৯ কম্পিউটার, কম্পিউটার সিস্টেম ও সাইবার স্পেসের ভৌত অবকাঠামো, ইত্যাদি ক্ষতিসাধনের অপরাধ ও বিষয়ক। ধারা ২০ সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার অপরাধ ও বিষয়ক। ধারা ২১ সাইবার স্পেসে জালিয়াতি অপরাধ ও বিষয়ক। ধারা ২২ সাইবার স্পেসে প্রতারণার অপরাধ ও বিষয়ক। ধারা ২৩ সাইবার সন্ত্রাসী কার্য সংগঠনের অপরাধ ও বিষয়ক। ধারা ২৪ আইনানুগ কর্তৃত্ববহির্র্ভূত ই-ট্রানজেকশনের অপরাধ ও বিষয়ক। ধারা ২৫ যৌন হয়রানি, ব্ল্যাকমেইলিং বা অশ্লীল বিষয়বস্তু প্রকাশ-সংক্রান্ত অপরাধ ও বিষয়ক। ধারা ২৬ সাইবার স্পেসে ধর্মীয় বা জাতিগত বিষয়ে সহিংসতা, ঘৃণা ও বিদ্বেষমূলক তথ্য প্রকাশ ইত্যাদি অপরাধ ও বিষয়ক। ধারা ২৭ অপরাধ সংগঠনে সহায়তা ও এর বিষয়ক। ধারা ২৮ মিথ্যা মামলা, অভিযোগ দায়ের ইত্যাদির অপরাধ ও বিষয়ক এবং ধারা ২৯ কোম্পানি কর্তৃক অপরাধ সংগঠন-বিষয়ক।
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫-এ কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড বিষয়ে যে বিধান করা হয়েছে তা সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩-এর অনুরূপ।
২০০৬ সালে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন প্রণয়নকালে এ আইনের অধীন অপরাধগুলোর বিষয়ে বলা ছিল- অ-আমলযোগ্য হবে এবং জামিন বিষয়ে জামিনযোগ্য অথবা অজামিনযোগ্য, এ সংক্রান্ত কোনো কিছু উল্লেখ না-পূর্বক বলা ছিল রাষ্ট্রপক্ষকে না শুনে জামিনের আদেশ দেয়া যাবে না। যেকোনো আইনে বর্ণিত কোনো অপরাধ অ-আমলযোগ্য হলে একজন পুলিশ কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়া একজন আসামিকে আটক করতে পারেন না। অন্য দিকে অপরাধটি আমলযোগ্য হলে একজন পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়া আটকের জন্য ক্ষমতাপ্রাপ্ত।
অপরাধের আমলযোগ্যতা, জামিনযোগ্যতা ও আপসযোগ্যতা ইত্যাদি বিষয়ে সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩ এ বলা আছেÑ ধারা ১৭, ১৯, ২৭ ও ৩২-এ উল্লিখিত অপরাধগুলো আমলযোগ্য ও অজামিনযোগ্য হবে; ধারা ১৮ এর উপধারা (১) এর দফা (খ) ধারা ২০, ২১, ২২, ২৩, ২৪, ২৫, ২৬, ২৮, ২৯, ৩০, ৩১ ও ৪৬ এ উল্লিখিত অপরাধগুলো অ-আমলযোগ্য ও জামিনযোগ্য হবে; ধারা ১৮ উপধারা (১) এর দফা (ক) তে উল্লিখিত অপরাধসমূহ অ-আমলযোগ্য, জামিনযোগ্য ও আদালতের সম্মতি সাপেক্ষে আপসযোগ্য হবে। একই বিষয়ে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ-২০২৫-এ বলা হয়েছেÑ ধারা ১৭, ধারা ১৮ এর উপধারা (১) এর দফা (গ), ধারা ১৯, ২০, ২১, ২২, ২৩ ও ২৫ এ উল্লিখিত অপরাধগুলো আমলযোগ্য এবং অন্যান্য ধারায় বর্ণিত অপরাধগুলো অ-আমলযোগ্য হবে। ধারা ১৭, ধারা ১৮-এর উপধারা (১) এর দফা (গ), ধারা ১৯, ২২ ও ২৩-এ উল্লিখিত অপরাধগুলো অজামিনযোগ্য হবে এবং ধারা ১৮-এর উপধারা (১)-এর দফা (ক) ও (খ), ধারা ২০, ২১, ২৪, ২৫ ও ২৬-এ উল্লিখিত অপরাধগুলো জামিনযোগ্য হবে। ধারা ১৮-এর উপধারা (১)-এর দফা (ক) ও (খ), ধারা ১৯, ২১, ২২, ২৪ ও ২৫-এ উল্লিখিত অপরাধগুলো আদালতের সম্মতি সাপেক্ষে আপসযোগ্য হবে।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন-২০০৬-এ যেসব অপরাধের বিষয় বিবৃত হয়েছে তা পর্যালোচনায় প্রতীয়মান হয়Ñ প্রথমত, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮, তারপর সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩ এবং অতঃপর সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ-২০২৫-এ বাড়তি কিছু বিষয় অন্তর্ভুক্ত করে মূল তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন-২০০৬-এ উল্লিখিত অপরাধগুলো সন্নিবেশিত হয়েছে যদিও দণ্ডের ক্ষেত্রে কিছুটা হেরফের করা হয়েছে।
যেহেতু তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন-২০০৬-এ যে টাইব্যুনাল ও আপিল ট্রাইব্যুনালের উল্লেখ রয়েছে তা শেষোক্ত তিনটি আইনে উল্লিখিত ট্রাইব্যুনালের অনুরূপ, এমতাবস্থায় শেষোক্ত তিনটি আইনে যে অতিরিক্ত অপরাধের বিষয় উল্লিখিত হয়েছে তা নতুন আইন প্রণয়ন না করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন-২০০৬-এ সংশোধনী আইনয়ন-পূর্বক কার্যকর করা সম্ভব। তাই সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ-২০২৫ যা বর্তমানে সংসদে অনুমোদনের জন্য অপেক্ষমাণ তা অনুমোদন না করে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন-২০০৬ সংশোধনের বিষয়টি অগ্রাধিকা গণ্যে স্থান পাকÑ এটিই প্রত্যাশিত।
লেখক : সাবেক জজ এবং সংবিধান, রাজনীতি ও অর্থনীতি বিশ্লেষক
[email protected]


