নির্বাচনী ডামাডোলে গণভোটের বিষয়টি হারিয়ে যেতে বসেছিল। রাষ্ট্রিক ও রাজনৈতিক প্রয়োজনে বিষয়টি আবার জ্যান্ত হয়েছে। এখন গণপরিসরে বিষয়টি আলোচিত হচ্ছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গণভোটের বিষয় নিয়ে গুরুত্বসহকারে আলাপ-আলোচনা ও প্রচারণা শুরু করেছে। সাধারণ মানুষ ভোট যতটা বোঝে, গণভোটের তাৎপর্য ততটা বোঝে না। গণভোট যে জনগণের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের নিয়ামক, সেটি তারা অত জানে না। কারণ জনগণ রাজনৈতিকভাবে শিক্ষিত নয়। যে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে গণভোটের এত গুরুত্ব, তা রাজনৈতিক দলগুলো নিশ্চয়ই উপলব্ধি করে। কিন্তু রাষ্ট্রিক উপলব্ধির ওপরে যখন ক্ষমতার উপলব্ধি স্থান পায় তখন রাষ্ট্রিক বিষয়টি গৌণ হয়ে যায়। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ভাষায় কথাটি এরকম যে, ‘একজন রাজনীতিবিদ ক্ষমতা নিয়েই চিন্তা করেন, অপর দিকে একজন রাষ্ট্রনায়ক রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে অধিকতর চিন্তা করেন।’ রক্তাক্ত জুলাই বিপ্লবের পর চিরতরে স্বৈরাচারকে বিদায় করার প্রয়াসে নতুন বন্দোবস্ত, নতুন রাজনীতির সূচনা ঘটে।
রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে দীর্ঘ, বহুস্তর ও কাঠামোবদ্ধ সংলাপের পর জাতীয় ঐকমত্য কমিশন অবশেষে ‘জুলাই সনদ’-এর একটি বড় অংশে ঐকমত্যে পৌঁছাতে সক্ষম হয়। দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণে এই প্রক্রিয়াটি ছিল স্বাধীনতার পর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক উদ্যোগ। দেশের ৩৩টি রাজনৈতিক দল ও জোটের সাথে পৃথক বৈঠকের মাধ্যমে কমিশন প্রথম ধাপে আলোচনা শুরু করে। এসব বৈঠকে রাষ্ট্র পরিচালনা, নির্বাচনব্যবস্থা, বিচার বিভাগ, প্রশাসনিক কাঠামো, দুর্নীতি দমন, মানবাধিকার ও ক্ষমতার ভারসাম্য-সংক্রান্ত মোট ১৬৬টি মৌলিক প্রস্তাব উত্থাপিত হয়। পরবর্তী ধাপে ২০টি অমীমাংসিত ও মৌলিক বিষয়ে বিষয়ভিত্তিক আলোচনা শুরু হয়।
এই দীর্ঘ আলোচনার ফলে বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন, জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন এবং অন্যান্য সংস্কার কমিশনের বহু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবের ওপর রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে মোট ৬২টি বিষয়ে সমঝোতা গড়ে ওঠে, যা মূলত রাষ্ট্রের জবাবদিহি, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার সাথে সংশ্লিষ্ট। সংবিধান সংস্কার কমিশন মোট ১৮টি প্রস্তাব উপস্থাপন করে। এর মধ্যে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ গঠনের প্রস্তাব সবচেয়ে বেশি আলোচিত হয়। ৩০টি রাজনৈতিক দল এই ধারণা সমর্থন করলেও উচ্চকক্ষের গঠন, ক্ষমতা ও প্রতিনিধিত্বের প্রশ্নে মতভেদ থাকায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত ঐকমত্য হয়নি।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ১১টি সংস্কার কমিশনের সুপারিশ একত্র করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সংস্কারের একটি সর্বজনগ্রাহ্য কাঠামো নির্মাণের লক্ষ্যে তিন ধাপে মোট ৭২ দিন রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ, আইনবিদ ও বিভিন্ন অংশীজনের সাথে সংলাপ চালায়। এই প্রক্রিয়ায় প্রথম ধাপে উত্থাপিত ১৬৬টি বিষয়ের মধ্যে ৬৪টিতে ঐকমত্য হয়। এই ৬৪টি বিষয়ে গঠিত সমঝোতাই পরে রূপ নেয় ২৮ দফা প্রতিশ্রুতি সংবলিত ‘জুলাই সনদ-২০২৫’-এ।
২৮ জুলাই এই সনদের খসড়া ভাষ্য চূড়ান্ত করে সব রাজনৈতিক দলের কাছে পাঠানো হয়। এরপর আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসজুড়ে সনদের বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত সংলাপ হয়। রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত, আপত্তি ও প্রস্তাব বিবেচনায় নিয়ে ১১ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত খসড়া প্রস্তুত করা হয় এবং ১৪-১৫ অক্টোবর তা দলগুলোর কাছে পাঠানো হয়। সনদে রাষ্ট্রকাঠামোর পুনর্গঠন, গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং নাগরিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার সুস্পষ্ট অঙ্গীকার অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
১৭ অক্টোবর জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় এক ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের উপস্থিতিতে ২৫টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেন। যদিও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও কয়েকটি বামপন্থী দল এতে স্বাক্ষর করতে বিরত থাকে, তবুও এটি ছিল স্বাধীনতার পর রাষ্ট্র সংস্কার বিষয়ে সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক ঐকমত্যের দলিল। সনদে স্বাক্ষরের পর বাস্তবায়নের নিশ্চয়তা দিতে গণভোটসহ বিকল্প পদ্ধতির বিষয়টি জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে আলোচনায় আসে।
বাংলাদেশের ইতিহাসে গণভোট নতুন বিষয় নয়। স্বাধীনতার পর তিনবার গণভোট হয়েছে। প্রথম গণভোট হয় ১৯৭৭ সালের ৩০ মে। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান তার শাসন ও নীতির প্রতি জনগণের আস্থা যাচাই করতে এই গণভোটের আয়োজন করেন। জনগণকে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়, তারা রাষ্ট্রপতি এবং তার নীতি ও কর্মসূচির প্রতি আস্থা রাখেন কি না।
দ্বিতীয় গণভোট হয় ১৯৮৫ সালের ২১ মার্চ সামরিক শাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শাসনের বৈধতা নিশ্চিত করার জন্য। ব্যালটে এরশাদের ছবিসহ ‘হ্যাঁ’ এবং ‘না’ অপশন রাখা হয়। কিন্তু এই গণভোটে জনগণের প্রকৃত মতামতের প্রতিফলন ঘটেনি। গণ-আন্দোলনের মুখে অবশেষে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর এরশাদ ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন।
তৃতীয় গণভোট অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর। পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি বিজয়ী হওয়ার পর ১৬ বছরের রাষ্ট্রপতি শাসনের অবসান ঘটিয়ে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী পাস হয়। রাষ্ট্রপতি সেই সংশোধনীতে সম্মতি দেবেন কি না, তা নির্ধারণ করতেই এই গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।
২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানে দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছরের স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে। রাষ্ট্র সংস্কারের উদ্যোগ নিলে গণভোটের বিষয়টি আবার সামনে আসে। জুলাই সনদের ভিত্তিতে সংবিধান সংস্কারের গণতান্ত্রিক বৈধতা নিশ্চিত করতে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গণভোটের প্রস্তাব দেয়।
‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ-২০২৫’-এর খসড়ায় বলা হয়, জুলাই জাতীয় সনদে অন্তর্ভুক্ত সংবিধান সংশোধনী বিষয়গুলো গণভোটে উপস্থাপন করা হবে। জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা প্রয়োগের উদ্দেশ্যে এই আদেশ এবং এর তফসিলে অন্তর্ভুক্ত ৪৮টি সংশোধনী প্রস্তাব ভোটারদের সামনে রাখা হবে। ব্যালটে প্রশ্ন থাকবে, ‘আপনি কি জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ-২০২৫ এবং এর তফসিলে অন্তর্ভুক্ত সংবিধান সংস্কার প্রস্তাবসমূহের প্রতি সম্মতি জ্ঞাপন করছেন?’
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন একসাথে চারটি বিষয়ে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এসব বিষয় হলো, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা, দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ, জুলাই সনদে অন্তর্ভুক্ত ৩০টি মৌলিক সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নের বাধ্যবাধকতা এবং অন্যান্য রাজনৈতিক সংস্কার বাস্তবায়নের অঙ্গীকার। ভোটাররা একটিমাত্র প্রশ্নে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দেবেন।
এই গণভোটকে কেন্দ্র করে জাতীয় ঐক্য সূচিত হয়েছে। বিএনপি মৌনভাবে সমর্থন দিচ্ছে। তারা প্রথম থেকে যুক্তি প্রদর্শন করে আসছে, কোনো বিধিবদ্ধ আইনের চেয়ে রাজনৈতিক অঙ্গীকারের মূল্য অধিকতর। একটি প্রাতিষ্ঠানিক বা সাংবিধানিক গণভোট প্রয়োজনীয়; কিন্তু আস্থা বিশ্বাস তথা রাজনৈতিক অঙ্গীকার ব্যতীত কোনো সংস্কারই সফল হতে পারে না। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে মাঠে রয়েছে। এই জোট মনে করে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে যে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন জন্ম নিয়েছে, তা বাস্তবায়নের একমাত্র পথ জুলাই সনদের সফলতা।
অতীতের সব সরকার ক্ষমতার স্বার্থে রাষ্ট্রকাঠামোকে নিজেদের কব্জায় রেখেছে। জুলাই সনদ সেই দুষ্টচক্র ভাঙার ঐতিহাসিক সুযোগ। জুলাই সনদের বিজয় মানে জনগণের বিজয়। জনগণের বিজয় মানে গণতন্ত্রের বিজয়। এই সনদের মধ্যেই নিহিত রয়েছে একটি ন্যায়ভিত্তিক, অধিকারসমৃদ্ধ এবং জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থার রূপরেখা। জাতি আজ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বিজয়ের মাধ্যমে সেই নতুন বাংলাদেশের যাত্রা নিশ্চিত করতে।
জনগণ কর্তৃক সাংবিধানিক সমর্থন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সাধারণভাবে বিশ্বাস করা হয়, প্রস্তাবিত গণভোটে জনগণের সাধারণ সমর্থন রয়েছে। সেখানে পারিপার্র্শ্বিক সমস্যা হলো, ক. একই দিনে সাধারণ নির্বাচন ও গণভোট হওয়ার জটিলতা। খ. রাজনৈতিক প্রার্থীরা গণভোটের চেয়ে তাদের নিজেদের ক্ষমতার ভোটকে গুরুত্ব দেবেন, এটিই স্বাভাবিক। গ. যেভাবে চারটি প্রশ্নের একটি উত্তর চাওয়া হয়েছে, সেটিও একটু জটিল। ঘ. রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের তুলনায় গণভোটে যদি খুব কম ভোট পড়ে, সেটি বিব্রতকর। বিব্রতকর এই জন্য যে, তখন সংবিধান ও ক্ষমতার একটি সহজ সমীকরণ দৃষ্টিগোচর হতে পারে। ঙ. হ্যাঁ ভোটের বিপরীতে ‘না’ ভোট বেশি হওয়ার আশঙ্কা একেবারেই নেই। কারণ গণভোটটি কোনো ব্যক্তিক বিষয় নয়। ক্ষমতার মাপকাঠি দিয়েও তা বিচার্য নয়। গণভোট যে পরিমাণেই হোক তা সাংবিধানিক ও আইনি বাধ্যবাধকতা পূরণ করবে। দৈব দুর্ঘটনাক্রমেও ‘না’ ভোট জেতার সম্ভাবনা নেই। তর্কের খাতিরে যদি ধরে নিই, ‘না’ ভোটের পক্ষে লোক আছে, প্রচারণা আছে এবং পতিত স্বৈরাচারের মদদ আছে, তাহলেও নৈতিকভাবে গণভোট কার্যকর থাকবে। ‘না’ জিতলে দেশ বড় সঙ্কটে পড়বে? রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ভাষায় বলা যায়, এ রকম কোনো সম্ভাবনা নেই। রাষ্ট্র ও সরকারের জন্য তা কোনো সঙ্কট সৃষ্টি করবে না। চ. একজন ভোটার ভোট দেয়ার জন্য খুব কম সময় পাবেন। সেই সাথে দ্বিতীয় ব্যালট গ্রহণের আগ্রহ ও সময় সীমিত হয়ে আসবে। ছ. রাজনৈতিক দলগুলো তাদের প্রার্থীর সমপরিমাণ প্রচারণা না চালালে গণভোটের অংশগ্রহণ আশানুরূপ হয়তো হবে না।
জানা গেছে, রাষ্ট্র সংস্কারে জুলাই সনদে মোট ৮৪টি প্রস্তাব রয়েছে। গত ১৭ অক্টোবর ২৫টি রাজনৈতিক দল এই সনদে স্বাক্ষর করে। এর ৬১টি প্রস্তাবে কোনো না কোনো দলের ‘নোট অব ডিসেন্ট’ বা আপত্তি রয়েছে। মৌলিক ২০টি সংস্কারের মধ্যে ৯টিতে নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছে বিএনপি। প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দল এই সনদ স্বাক্ষর করেছে। তবে স্বাক্ষর করেনি জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি। ২৮ অক্টোবর সরকারের কাছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন যে সুপারিশ জমা দেয়, সেখানে রাজনৈতিক দলের নোট অব ডিসেন্ট রাখা হয়নি। প্রথম দিকে মৃদু আপত্তি জানালেও বিএনপি পরে আর গুরুতর আপত্তি করেনি। বিগত ১৩ নভেম্বর জুলাই সনদ বাস্তবায়নে আদেশ জারি করেন রাষ্ট্রপতি।
আহূত গণভোট জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে যে গণতান্ত্রিক প্রস্তাবনা রয়েছে তার সপক্ষে গণ-অনুমোদন। এই গণভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের জন্য সংস্কার কর্মসূচির বাস্তবায়ন আইনগতভাবে ও নৈতিকভাবে বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি করবে। আশা করা যায়, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের মাধ্যমে ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠিত হবে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো পুনঃক্ষমতায়িত হবে। জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে।
লেখক : অধ্যাপক (অব:), সরকার ও রাজনীতি বিভাগ,
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
[email protected]



