সেরা নির্বাচন : প্লেয়িং ফিল্ড কতটুকু লেভেল

দেশ ও জাতির কল্যাণে দেশপ্রেমিক সব পক্ষকে আসন্ন নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে সহায়তা করা অবশ্য কর্তব্য।

বাংলাদেশের রাজনীতি পুরোপুরি নির্বাচনের ট্রেনে চেপে বসেছে। সব ঠিকঠাক থাকলে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। প্রধান উপদেষ্টাসহ গুরুত্বপূর্ণ উপদেষ্টারা এবং নির্বাচন কমিশন বার বার ইতিহাসের সেরা নির্বাচন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করছেন। তবে আমাদের দেশের বাস্তবতায় এবং রাজনীতির সংস্কৃতিতে নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে শুধু সরকার বা নির্বাচন কমিশনের সদিচ্ছা যথেষ্ট নয়। সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ নির্বাচনের সবচেয়ে বড় স্টেকহোল্ডার হলো প্রশাসন এবং নিরাপত্তা এজেন্সিসমূহ। এই দু’টি বিভাগ মূলত নির্বাচনের সমতল ভূমি বা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করে। বর্তমান বাস্তবতায় আসন্ন নির্বাচনের ময়দান সমতল আছে নাকি খানিকটা ঢালু হয়ে পড়েছে তা বিশ্লেষণের দাবি রাখে।

নির্বাচনের স্পিরিট নিয়ে বিতর্ক : পতিত হাসিনা সরকার পর পর তিনটি জঘন্য নির্বাচন সম্পন্ন করে ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠেছিল। দিল্লির সহযোগিতায় এই জালিয়াতির নির্বাচনগুলো সম্পন্ন করে আধিপত্যবাদের কাছে দেশের সার্বভৌমত্ব ইজারা দিয়ে রেখেছিল। এই প্রক্রিয়ায় হাসিনা একটি ঘৃণ্য রাজনৈতিক সংস্কৃতির অনুশীলন করেছিল। কিন্তু ৩৬ জুলাই বিপ্লবের পর জাতি আজ আধিপত্যবাদের শিকলমুক্ত হয়ে একটি সুন্দর, সভ্য এবং স্বাভাবিক নির্বাচনের স্বপ্ন দেখেছে। জাতির আকাক্সিক্ষত এই নির্বাচনের প্রকৃত স্পিরিট হলো আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে মাথা তুলে দাঁড়ানো। দিল্লির প্রভাবমুক্ত নির্বাচনের মাধ্যমে সত্যিকারের দেশপ্রেমিকদের হাতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দেয়ার নির্বাচন। কিন্তু ইতোমধ্যেই আমরা প্রমাণ করেছি আমরা পুরনো নির্বাচনী সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে পারিনি। নির্বাচনে আদর্শিক প্রতিযোগিতার পরিবর্তে পারস্পরিক দ্ব›দ্ব, সংঘর্ষ, হাঙ্গামা এবং অর্থ ও পেশিশক্তির ওপর ভর করছি। কোথাও কোথাও সন্ত্রাসীদের দলে ভিড়িয়ে চাঁদাবাজির সুযোগ দিয়ে মিছিলের সম্মুখ সারিতে রাখছেন নেতারা। এমন কর্মকাণ্ড স্পষ্ট প্রমাণ করছে ১৪ শ’ শহীদের রক্তের দামে যে দেশ গঠনের চেতনা আমরা পেয়েছিলাম তা থেকে দূরে সরে গেছি।

সংস্কার বনাম নির্বাচন : অভ্যুত্থানের পর দেড় বছরে কোনো ক্ষেত্রেই আমরা সত্যিকারের সংস্কার করতে পারিনি। সরকার গঠনের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূস সংস্কারের যে স্বপ্ন জাতিকে দেখিয়েছিলেন তা মাটি থেকে উপরে উঠানোই যায়নি। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে অনৈক্য, অবিশ^াস এবং মৌলিক সংস্কার প্রস্তাবে বিএনপির মতো বড় দলের নোট অব ডিসেন্ট সংস্কারকে স্থবির করে রেখেছে। তদুপরি বিএনপির জেদের কাছে অন্তর্বর্তী সরকারের অসহায় আত্মসমর্পণের মাধ্যমে একই দিনে নির্বাচন ও গণভোটের সিদ্ধান্ত সংস্কারের কফিনে শেষ পেরেক বলে অনেকেই মনে করছেন।

লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড : নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বলতে বোঝায় সব দল, সব নেতা, সব প্রার্থী নির্বাচনসংশ্লিষ্ট সব বিষয়ে সমান সুবিধা বা সুযোগ পাচ্ছেন কি না। সরকার, প্রশাসন, নির্বাচন কমিশন এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, নিরাপত্তা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থা সব প্রার্থী বা দলের সাথে সমানভাবে আচরণ করছে কি না। এই লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড প্রশ্নে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনমনে যথেষ্ট সংশয় আছে। প্রধান উপদেষ্টা বা নির্বাচন কমিশন যতই সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ নির্বাচনের প্রত্যয় ব্যক্ত করুন না কেন মাঠের বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন।

হাদি হত্যাকাণ্ড : ত্রয়োদশ নির্বাচনে শরিফ ওসমান হাদি সম্ভাব্য প্রার্থী ছিলেন। নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ করছিলেন। তার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব, ক্ষুরধার বক্তব্য, আত্মপ্রত্যয়ী সংস্কৃতির স্পষ্টভাষণ এবং তীব্র আধিপত্যবাদবিরোধী অবস্থান তার গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করছিল। তার রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক দর্শনের ঢেউ ফ্যাসিবাদ ও আধিপত্যবাদীদের বুকে কাঁপন ধরিয়ে দিয়েছিল। এ জন্যই হাদিকে হত্যা করা হয় প্রকাশ্যে। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিষ্ক্রিয়তা বা অযোগ্যতার জন্য আজ পর্যন্ত খুনিদের গ্রেফতার করা যায়নি। সে দিন থেকেই লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বন্ধুর হতে শুরু করে।

তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন : হাদি হত্যার পর বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতির নাজুক অবস্থা উন্মোচিত হয়ে পড়ে। ফলে সরকার তারেক রহমানের দেশে ফেরার দিনে নিরাপত্তায় সর্বশক্তি নিয়োগ করে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে যৌথভাবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যেভাবে তারেক রহমানকে নিñিদ্র নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে বিমানবন্দর থেকে তিনশ’ ফুট রাস্তায় সমাবেশ স্থলে নিয়ে আসে তা ছিল নজিরবিহীন। হাদি হত্যাকাণ্ড-পরবর্তী পরিস্থিতির জন্যই এমন নিরাপত্তা ব্যবস্থার হয়তো প্রয়োজন ছিল। কিন্তু এর একটি প্রচ্ছন্ন বার্তা প্রশাসন নিজেদের জন্য গ্রহণ করে ফেলেছে বলে মনে হয়। এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ, ‘বিটিভি’ কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার আদেশ অমান্য করে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন অনুষ্ঠান লাইভ স¤প্রচার করেছে।

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু : দেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশে এক আবেগঘন করুণ পরিবেশ নেমে আসে। বাংলাদেশের ইতিহাসের খালেদা জিয়া ছিলেন অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন, সৎ, বিনয়ী কিন্তু অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন নেত্রী। তাকে ফ্যাসিস্ট হাসিনা ভারতের প্রেসক্রিপশনে পনের বছর ধরে নির্যাতন করে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়। কিন্তু আপসহীন এই নেত্রী হাসিনার সব নির্যাতন সহ্য করেও হয়ে ওঠেন দেশের আপামর জনতার প্রিয় নেত্রী। ফলে জীবনের শেষ দিনগুলোতে তিনি আর বিএনপির নেতা ছিলেন না, হয়ে উঠেছিলেন ১৬ কোটি মানুষের পরম শ্রদ্ধেয় নেতা ও মুরুব্বি এবং জাতির ঐক্যের প্রতীক। তার মৃত্যুর পর সরকার জাতীয়ভাবে শোক পালনের এবং দাফনের সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়। তবে সরকারের একটি কৌশলগত ভুলের কারণে প্রশাসন ও সব সংস্থার কাছে ভুল বার্তা পৌঁছেছে বলে অনেকেই মনে করেন। জাতীয় নেত্রীর মৃত্যুর পর সরকারের উচিত ছিল সর্বদলীয় বৈঠকের মাধ্যমে সব আনুষ্ঠানিকতা নির্ধারণ করা। কিন্তু প্রধান উপদেষ্টা শুধু বিএনপির নেতাদের সাথে বৈঠক করে কর্মসূচি নির্ধারণ করেন। এতে বিতর্কের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। অনেকের প্রশ্ন, এতে প্রশাসন কি একদিকে ঝুঁকে পড়ার বার্তা পেলো না?

ভারতের আচরণ : খালেদা জিয়ার শোক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আসেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর। এতে দুই দেশের সম্পর্কের বরফ গলার ইঙ্গিত ছিল বলে বিশ্লেষকরা মনে করেছিলেন। কিন্তু তার অল্পদিন পরেই বাংলাদেশবিরোধী অবস্থান আবারো সুস্পষ্ট করে আমাদের নন্দিত ক্রিকেটার মোস্তাফিজকে ‘আইপিএল’ থেকে বহিষ্কার করে ভারত। এতে চলমান ‘মিথ’ পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে যে, ভারত শুধু বিএনপির তুষ্টির উদ্দেশ্যেই খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধা জানাতে এসেছিলেন। বাংলাদেশের প্রতি তাদের মনোভাব আগের মতোই আছে। অর্থাৎ, ভারত ‘বিএনপি’কে ক্ষমতায় দেখতে চাচ্ছে এমনটাই মনে করা হচ্ছে। ফলে ‘ভারত-বিএনপি’ সম্পর্কের বিষয়ে ছড়ানো গুঞ্জনের সত্যতা দেখা যাচ্ছে বলে কেউ কেউ মনে করেন।

দেশীয় স্টেকহোল্ডারদের আচরণ : স¤প্রতি তারেক রহমানের সাথে একটি নিরাপত্তা সংস্থার প্রধান সাক্ষাৎ করেছেন বলে শোনা যায়। ঘটনাটি সত্য হলে বিপদের আভাস দেয় বলে পর্যবেক্ষকদের ধারণা। এরই মধ্যে দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ীরা তারেক রহমানের সাথে বৈঠক করেছেন। এরাই পতিত শেখ হাসিনার শেষ দিনগুলোতে সমাবেশ করে কবর পর্যন্ত হাসিনার সাথে থাকার শপথ করেছিলেন। দেশের এই শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ীরাই নির্বাচনে পছন্দের দলকে জয়ী করতে নানাভাবে ভূমিকা রাখে। নিজেদের অনৈতিক-ব্যবসায়িক স্বার্থ আদায়ের সুযোগ নেয়। অন্যদিকে দেশের রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ এবং ক্ষমতায় যাওয়া-আসা নির্ধারণ করার অনুঘটক হিসেবে ভূমিকা রাখে কয়েকটি বড় পত্রিকা। ইতিহাস সাক্ষী এরাই বাংলাদেশে ১/১১ এর ‘রাহবার’ ছিল। পরবর্তীতে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের এজেন্ডা বাস্তবায়নে দীর্ঘ ১৫ বছর ফ্যাসিবাদ টিকিয়ে রাখতে যা কিছু প্রয়োজন সবই তারা করেছে। জনমতকে তাদের মতো করে আকার দিয়েছে। সেই একই মিডিয়া গোষ্ঠী বর্তমানে তারেক রহমান এবং বিএনপিকে মাথার মুকুট বানিয়ে রাখতে চাইছে। অথচ এই মিডিয়াগুলোই ১/১১ থেকে শুরু করে পরবর্তী ১৮ বছর ধরে লাগাতার বিএনপি, তারেক রহমান, আরাফাত রহমান কোকো এবং বেগম খালেদা জিয়ার চরিত্র হননের জন্য সত্য-মিথ্যা মিশিয়ে সব ধরনের প্রতিবেদন এবং ভুয়া সংবাদ পরিবেশন করেছে। এরাই মিথ্যা জঙ্গি নাটকের স্ক্রিপ্ট ও নেরেটিভ তৈরি করে বিরোধী শক্তিকে দমনে মদদ দিয়েছে। আধিপত্যবাদবিরোধী ইসলামী গোষ্ঠীকে জঙ্গি তকমা দিয়ে হত্যাযোগ্য করে তুলেছে।

মনোনয়ন বাছাই প্রক্রিয়া : সর্বশেষ যে বিষয়টি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে সেটা হলো প্রার্থীদের মনোনয়ন বাছাই প্রক্রিয়ার তেলেসমাতি কর্মকাণ্ড। বিএনপি ছাড়া বাকি দলগুলো মনোনয়ন বাছাই প্রক্রিয়া নিয়ে ভয়াবহ প্রশ্ন তুলেছে। সামান্য অজুহাতে কোনো কোনো প্রার্থীর মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা করা অথচ একই ত্রুটি থাকা সত্তে¡ও একটি বিশেষ দলের প্রার্থীদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা পর্যবেক্ষকদের সন্দেহকে আরো ঘনীভূত করেছে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি : আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আচরণেও বোঝা যাচ্ছে তারা একদিকে হেলে পড়েছে। একটি দলের অপরাধীদের ছাড় দেয়া কিন্তু অন্যান্য দলের সদস্যদের সামান্য অভিযোগের ভিত্তিতে অ্যাকশনে যাওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। ‘এনসিপি’ জামায়াতের সাথে নির্বাচনী জোটে যাওয়ার পরপরই দেশের বিভিন্ন স্থানে বৈষম্যবিরোধী নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বস্তুনিষ্ঠ তদন্ত ছাড়াই শুধুমাত্র অভিযোগের ভিত্তিতে পাকড়াও করা হচ্ছে। অনেকেই এর তাৎপর্য করছেন এভাবে যে, সারা দেশের তরুণদের নির্বাচনের পূর্বে ভয় ধরানোর জন্যই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এ ধরনের পদক্ষেপ। বোদ্ধারা মনে করেন, তরুণদের ভোটেই এবার নির্বাচনে বিজয়ী নিশ্চিত হতে পারে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশকে পাতানো নির্বাচনের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। কারোরবা ধারণা, ২০০৮ সালের নির্বাচনের মতোই নির্দিষ্ট দলকে সূ² কারচুপির মাধ্যমে ক্ষমতায় আনার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে!

দেশের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রশাসন, পেশাজীবী, মিডিয়া সবাই একটি দলের দিকে ঝুঁকে পড়েছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। যদি বাস্তবিকই এ ধরনের ঘটনা ঘটে তবে দেশ ও জাতি গভীর সঙ্কটে পড়তে পারে বলে রাষ্ট্রচিন্তকরা মনে করেন। কারণ আজকের বাংলাদেশ তারুণ্য এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর বাংলাদেশ। আজকের বাংলাদেশ আধিপত্যবাদের বিপরীতে দাঁড়িয়ে থাকা বাংলাদেশ। এই সময়ে আমরা বিগত দিনের মতো কোনো জালিয়াতির নির্বাচনের বোঝা নিতে পারি না। যে কোনো পাতানো নির্বাচন দেশে অরাজকতা সৃষ্টির পথ সুগম করতে পারে। সুতরাং দেশ ও জাতির কল্যাণে দেশপ্রেমিক সব পক্ষকে আসন্ন নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে সহায়তা করা অবশ্য কর্তব্য।

লেখক : নিরাপত্তা বিশ্লেষক