ড. শাহরিয়ার হোসেন
শীত বা গ্রীষ্মের কোনো সকাল। ঢাকার রাস্তায় স্কুলগামী শিশুদের মুখে ক্লান্তি আর চোখে অস্বস্তি। আকাশে সূর্য উঠেছে ঠিকই; কিন্তু ধোঁয়ার ঘন পর্দার আড়ালে সে যেন কেবল এক ঝাপসা কমলা দাগ। বাতাসে ভেসে বেড়ায় কয়লা-পোড়ার গন্ধ, ইটভাটার ধোঁয়া আর যানবাহনের কালো ধোঁয়া নির্গমন, যা চোখ জ্বালায়, গলা শুকিয়ে দেয়, আর ফুসফুসে জমা হয় অদৃশ্য বিষের মতো কিছু।
মা-মেয়েরা স্কার্ফে নাক-মুখ ঢেকে হাঁটছে। শীতের ঠাণ্ডা বা গরম থেকে নয়; বরং বাতাসের বিষাক্ত কণিকা থেকে বাঁচতে। চিকিৎসকরা এই সময়কে এখন ‘দ্বিতীয় মহামারী’ বলে উল্লেখ করেন। কারণ প্রতি বছর শীত এলেই হাসপাতালের করিডোর ভরে যায় হাঁপানি, ব্রঙ্কাইটিস, ফুসফুসের সংক্রমণ এবং হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীর ভিড়ে।
১০ বছরের আরিফ স্কুলে যেতে যেতে হাঁপিয়ে ওঠে। ভারী ব্যাগটা নামিয়ে সে গভীর শ্বাস নিতে চায়; কিন্তু বাতাস ধুলো আর ক্ষতিকর কণায় ভরা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডঐঙ) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার বায়ুদূষণের মাত্রা প্রায়ই নিরাপদ সীমার আট থেকে ১০ গুণ বেশি থাকে। সূক্ষ্ম ধূলিকণা (চগ২.৫), যা মানুষের ফুসফুসের গভীরে প্রবেশ করতে পারে, তা ঢাকার বাতাসে নিয়মিতভাবে বিপজ্জনক মাত্রা অতিক্রম করে।
আরিফের মতো হাজার হাজার শিশু প্রতিদিন এই বিষাক্ত বাতাসে শ্বাস নিচ্ছে। তাদের অনেকেই দীর্ঘমেয়াদি শ্বাসকষ্ট, শেখার ক্ষমতা হ্রাস এবং শারীরিক বিকাশে বাধার ঝুঁকিতে রয়েছে। গবেষণা বলছে, বায়ুদূষণ শুধু ফুসফুস নয়, মস্তিষ্কের বিকাশেও প্রভাব ফেলে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সামগ্রিক সক্ষমতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে; কিন্তু এই সঙ্কট কেবল ঢাকায় সীমাবদ্ধ নয়।
শত শত কিলোমিটার দূরে দিনাজপুরের কৃষক আবদুল করিম দাঁড়িয়ে আছেন তার ধানক্ষেতের ধারে। একসময় যে খালের পানি ছিল স্বচ্ছ আর পানযোগ্য, আজ তা ঘোলা এবং দূষিত। কৃষিতে অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার মাটির উর্বরতা কমিয়ে দিচ্ছে। ফসল দেখতে সবুজ হলেও পুষ্টিমান কমে যাচ্ছে, আর জমি হারাচ্ছে তার প্রাকৃতিক জীবনীশক্তি।
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক দশকে মাটির জৈব উপাদানের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। একই সাথে ভূগর্ভের পানিতে আর্সেনিক দূষণ দেশের ৬০ শতাংশেরও বেশি জেলায় শনাক্ত হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে প্রায় দুই কোটি মানুষ এখনো আর্সেনিক-দূষিত পানির ঝুঁকিতে রয়েছে।
অন্য দিকে নদীগুলোর গল্প আরো নীরব; কিন্তু অনেক বেশি উদ্বেগজনক। একসময় যে নদীগুলো ছিল শহরের প্রাণ— মানুষের চলাচল, ব্যবসাবাণিজ্য, জীবিকার মূল স্রোত, আজ সেগুলো যেন ধীরে ধীরে একেকটি বিষাক্ত নালায় পরিণত হচ্ছে। বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে দাঁড়ালে এখন আর ভেসে আসে না নৌকার মাঝির গান বা জেলের জালের শব্দ; বরং বাতাসে মিশে থাকে পচা পানির তীব্র গন্ধ, কালচে-ঘোলা স্রোতে ভাসে প্লাস্টিক, পলিথিন আর অচেনা রাসায়নিকের স্তর। একই চিত্র তুরাগ এবং শীতলক্ষ্যা নদীতেও যেখানে নদীর স্বাভাবিক স্রোতকে ঢেকে দিয়েছে শিল্পকারখানার বর্জ্য, ডাইং কারখানার রঙিন বিষ, আর শহরের নর্দমার অবিরাম প্রবাহ।
পরিবেশ অধিদফতরের তথ্য বলছে, প্রতিদিন হাজার হাজার ঘনমিটার অপরিশোধিত শিল্পবর্জ্য এই নদীগুলোতে ফেলা হয়; কিন্তু সংখ্যাটি যত বড়ই হোক, বাস্তবতা তার চেয়েও কঠিন। নদীর পানির রঙ অনেকসময় বদলে যায়— কখনো নীলচে, কখনো লালচে, যেন পানির ভেতরেই কেউ রঙ মিশিয়ে দিয়েছে। নদীর তলদেশে জমে থাকা ভারী ধাতু ও বিষাক্ত পদার্থ ধীরে ধীরে পানিকে মৃত করে তুলছে। অনেক জেলে এখন আর জাল ফেলেন না; কারণ তারা জানেন, মাছ নেই— আর যা আছে, তা খাওয়ারও উপযোগী নয়।
ফলে ক্ষতিটা শুধু পানির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না; পুরো বাস্তুতন্ত্র ভেঙে পড়ে। নদীর সাথে জড়িত জীববৈচিত্র্য— মাছ, কাঁকড়া, জলজ উদ্ভিদ, ক্রমে হারিয়ে যাচ্ছে। একসময় যে নদী ঘিরে ছোট ছোট অর্থনীতি গড়ে উঠেছিল— জেলেদের জীবন, নৌপথের বাণিজ্য, নদীপাড়ের কৃষি, সেগুলো আজ ঝুঁকির মুখে। নদীর পানি কৃষিকাজে ব্যবহার করলে মাটিতেও দূষণ ছড়ায়, ফসলের গুণগত মান কমে যায়। অনেক এলাকায় এই পানি গৃহস্থালির কাজে ব্যবহার করাও এখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
এই চিত্রের সাথে যুক্ত হয়েছে আরেকটি নীরব কিন্তু বিস্ফোরণধর্মী সঙ্কট— প্লাস্টিক দূষণ। বাংলাদেশে প্রতি বছর আট লাখ টনেরও বেশি প্লাস্টিক বর্জ্য তৈরি হয়, যার বড় একটি অংশ সঠিকভাবে সংগ্রহ বা পুনর্ব্যবহার হয় না। শহরের অলিগলি থেকে শুরু করে নদীর তীর— সবখানেই জমে থাকে এই বর্জ্য, যা শেষ পর্যন্ত বৃষ্টির পানি বা ড্রেনের স্রোতে ভেসে নদীতে গিয়ে মেশে।
নদী এখানে কেবল একটি পথ— শেষ গন্তব্য নয়। এই প্লাস্টিক ধীরে ধীরে প্রবাহিত হয়ে সমুদ্রে পৌঁছে যায়, যেখানে তা সামুদ্রিক প্রাণীর জন্য মারাত্মক হুমকি তৈরি করে। সামুদ্রিক মাছ, কচ্ছপ, পাখি— এরা ভুল করে প্লাস্টিককে খাদ্য ভেবে খেয়ে ফেলে, যার ফলে তাদের মৃত্যু পর্যন্ত ঘটে। মাইক্রোপ্লাস্টিক আকারে এই বর্জ্য আবার খাদ্যচক্রে ফিরে আসে, যা শেষ পর্যন্ত মানুষের শরীরেও প্রবেশ করছে— একটি অদৃশ্য কিন্তু গভীর স্বাস্থ্যঝুঁকি হিসেবে।
বিশেষ করে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক এই সমস্যাকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। পলিথিন ব্যাগ, চিপসের প্যাকেট, পানির বোতল— এসব কিছুই খুব অল্প সময় ব্যবহার হয়; কিন্তু পরিবেশে থেকে যায় বহু বছর, কখনো কখনো শতাব্দীরও বেশি সময়। ঢাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থার দিকে তাকালেই বিষয়টি স্পষ্ট হয়। সামান্য বৃষ্টিতেই যখন রাস্তায় পানি জমে যায়, তার বড় কারণ হলো ড্রেনগুলো প্লাস্টিকে আটকে যাওয়া।
এটি কেবল নগর ব্যবস্থাপনার ব্যর্থতা নয়, এটি আমাদের ভোগের অভ্যাসের প্রতিফলন। আমরা প্রতিদিন যে প্লাস্টিক ব্যবহার করি, তার বেশির ভাগই আমাদের চোখের আড়ালে চলে যায়; কিন্তু প্রকৃতি তা ভুলে যায় না; বরং নদী, মাটি এবং সাগরের মাধ্যমে সেই বর্জ্যই আবার ফিরে আসে আমাদের জীবনে, আরো জটিল ও বিপজ্জনক রূপে।
নদীর এই নীরব মৃত্যু আর প্লাস্টিকের অবিরাম প্রবাহ— দুটোই এক গল্প বলে : আমরা প্রকৃতিকে ব্যবহার করছি; কিন্তু তার সীমা ভুলে যাচ্ছি। এখন প্রশ্ন হলো— এই স্রোতকে আমরা কোথায় থামাব। তবে এই অন্ধকারের মধ্যেও আশার আলো আছে।
বাংলাদেশ ২০০২ সালে পলিথিন ব্যাগ নিষিদ্ধ করে বিশ্বে এক নজির স্থাপন করেছিল। এটি ছিল দূষণ মোকাবেলায় একটি সাহসী এবং দূরদর্শী পদক্ষেপ। আজ সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আমরা আবারো নেতৃত্ব দিতে পারি— শুধু নীতিনির্ধারণে নয়, বাস্তবায়নেও।
সমাধানের কথা বলতে গেলে অনেকেই ভাবেন, এটি হয়তো দীর্ঘমেয়াদি, জটিল বা ব্যয়বহুল কিছু; কিন্তু বাস্তবতা একটু ভিন্ন। কিছু সিদ্ধান্ত দ্রুত নেয়া গেলে এবং দৃঢ়ভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে, তার প্রভাব খুব অল্প সময়ের মধ্যেই চোখে পড়ে। পরিষ্কার জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো, যেমন— এলপিজি, বিদ্যুৎ বা নবায়নযোগ্য শক্তি শুধু বায়ুদূষণ কমায় না, ঘরের ভেতরের দূষণও কমায়, যা বিশেষ করে নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
একইভাবে পুরনো ও ধোঁয়াবহুল যানবাহন নিয়ন্ত্রণ করা শুধু পরিবেশের প্রশ্ন নয়, এটি জনস্বাস্থ্যের প্রশ্ন। ঢাকার রাস্তায় চলা বহু পুরনো বাস ও ট্রাক প্রতিদিন যে পরিমাণ কালো ধোঁয়া ছাড়ে, তা নিয়ন্ত্রণে আনতে পারলে শহরের বাতাসের গুণগত মান দ্রুত উন্নত হতে পারে। ইটভাটার ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। এখনো অনেক ভাটা পুরনো প্রযুক্তিতে চলছে, যেখানে কয়লা পোড়ানো হয় অদক্ষভাবে, ফলে বিপুল ক্ষতিকর কণা বাতাসে ছড়ায়। আধুনিক, পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তিতে রূপান্তর করলে উৎপাদন কমবে না; বরং দূষণ কমে যাবে উল্লেখযোগ্যভাবে।
শিল্প খাতেও একটি মৌলিক পরিবর্তন দরকার— ‘দূষণ করো, পরে সামলাও’ এই মানসিকতা থেকে বেরিয়ে এসে ‘দূষণ প্রতিরোধ করো’ নীতিতে যেতে হবে। শিল্পবর্জ্য পরিশোধনাগার (ঊঞচ) স্থাপন এবং তা কার্যকরভাবে চালানো বাধ্যতামূলক করা শুধু আইনের বিষয় নয়; এটি টিকে থাকার প্রশ্ন। কারণ নদী ও মাটিকে বিষাক্ত করে দিয়ে কোনো শিল্পই দীর্ঘ দিন টেকসই হতে পারে না।
বর্জ্য ব্যবস্থাপনায়ও আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে হবে। আমরা এখনো বেশির ভাগ বর্জ্য একসাথে ফেলে দিই— খাবারের উচ্ছিষ্ট, প্লাস্টিক, কাগজ সব একসাথে। অথচ উৎসে আলাদা করা গেলে (ংড়ঁৎপব ংবঢ়ধৎধঃরড়হ) পুরো চিত্রটাই বদলে যায়। জৈব বর্জ্য আলাদা করে কম্পোস্ট করা গেলে তা আবার মাটির উর্বরতা বাড়াতে ব্যবহার করা যায়, একই সাথে ডাম্পিং গ্রাউন্ডে গিয়ে মিথেন গ্যাস তৈরি হওয়াও কমে। শহরের প্রতিটি পরিবার, প্রতিটি বাজার যদি এই অভ্যাস গড়ে তোলে, তাহলে বর্জ্য আর বোঝা থাকে না— সম্পদে পরিণত হয়।
গ্রামবাংলায় সমাধানের পথও একইভাবে বাস্তব ও পরীক্ষিত। মাটির স্বাস্থ্যের দিকে ফিরতে হলে জৈবসার ব্যবহারের পরিমাণ বাড়াতে হবে, রাসায়নিকের ওপর নির্ভরতা কমাতে হবে। ফসলের বৈচিত্র্য বাড়ানো— একই জমিতে বারবার একই ফসল না করে বিভিন্ন ফসল চাষ করা মাটির জীববৈচিত্র্য ফিরিয়ে আনে। পানি ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা বাড়ানো, যেমন সঠিক সেচপদ্ধতি, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ— এসব উদ্যোগ কৃষিকে আরো টেকসই করে তোলে। এতে শুধু পরিবেশ নয়, কৃষকের অর্থনীতিও শক্তিশালী হয়।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত, এই লড়াই কেবল নীতিমালা বা প্রযুক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এখানে মানুষের আচরণই সবচেয়ে বড় ফ্যাক্টর। সরকার নীতি দিতে পারে, প্রতিষ্ঠান কাঠামো গড়ে দিতে পারে; কিন্তু প্রতিদিনের সিদ্ধান্তগুলো আসে আমাদের কাছ থেকেই। আমরা কী ব্যবহার করছি, কিভাবে ফেলে দিচ্ছি, কী কিনছি— এই ছোট ছোট সিদ্ধান্তই বড় পরিবর্তনের ভিত্তি তৈরি করে।
একজন নাগরিক হিসেবে প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো, বাজারে গেলে নিজের ব্যাগ বহন করা, একবার ব্যবহারযোগ্য পণ্য এড়িয়ে চলা— এগুলো শুনতে ছোট মনে হলেও এর সম্মিলিত প্রভাব বিশাল। বর্জ্য যেখানে-সেখানে না ফেলে নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলা, কিংবা পুনর্ব্যবহারযোগ্য জিনিস আলাদা করে রাখা— এসব অভ্যাস ধীরে ধীরে একটি দায়িত্বশীল সমাজ গড়ে তোলে।
এখানেই মূল কথা— পরিবেশ রক্ষা কোনো আলাদা কাজ নয়; এটি আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ। আমরা যদি সচেতন হই, তাহলে নীতিমালাও কার্যকর হয়, প্রযুক্তিও সফল হয়। আর তখনই সম্ভব হয় সেই পরিবর্তন, যেখানে শহরের বাতাস আবার শ্বাস নেয়ার মতো হয়, নদীর পানি আবার জীবনের গল্প বলে আর মাটি আবার তার উর্বরতা ফিরে পায়।
প্রকৃতি আমাদের শত্রু নয়, সে আমাদের জীবন ধারণের ভিত্তি। আমরা যদি তাকে ধ্বংস করি, শেষ পর্যন্ত আমরা নিজেরাই ক্ষতিগ্রস্ত হব; কিন্তু যদি তাকে রক্ষা করি, প্রকৃতি আমাদের সুস্থ শ্বাস, নিরাপদ খাদ্য এবং নির্মল পানি ফিরিয়ে দিতে সক্ষম।
পরিষ্কার আকাশ, নদীর টলমলে জলে ভাসা মাছ আর শিশুর হাসিতে ভরা মাঠ— এই দৃশ্যগুলো কোনো কল্পনা নয়। এগুলো আমাদের নাগালের মধ্যেই আছে, যদি আমরা এখনই সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারি।
আমাদের সামনে প্রশ্ন একটাই : আমরা কি বিষাক্ত ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাবো, নাকি পরিচ্ছন্ন ও টেকসই আগামী গড়ে তুলব? উত্তরটি আমাদের হাতেই।
লেখক : পরিবেশবিজ্ঞানী



